
বরিশালের গৌরনদী উপজেলা-এর আশোকাঠি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাসেবায় দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ফকরুল ইসলাম মৃধা যোগদানের পর হাসপাতালের সেবার মান ও ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক রূপান্তর ঘটেছে, যা সাধারণ মানুষের মাঝে নতুন আস্থা তৈরি করেছে।
বর্তমানে এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩২ জন এমবিবিএস চিকিৎসক নিয়মিত সেবা দিচ্ছেন—যা উপজেলা পর্যায়ে বিরল। হাসপাতালটিতে এখন এক্স-রে, ইসিজি ও বিভিন্ন প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা সহজলভ্য হয়েছে। পাশাপাশি রোগীদের প্রয়োজনীয় ওষুধের একটি বড় অংশ সরাসরি হাসপাতাল থেকেই সরবরাহ করা হচ্ছে।
সেবার মান ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধির ফলে সরকারি কোষাগারে রাজস্ব জমার ক্ষেত্রেও এই প্রতিষ্ঠানটি বরিশাল জেলা-এর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ফকরুল ইসলাম মৃধা জানান, “বর্তমানে এখানে নিয়মিত নরমাল ডেলিভারি হচ্ছে। খুব শিগগিরই সার্জারি ও সিজারিয়ান সেকশন চালু করা হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেওয়া।”
স্থানীয়দের মতে, সরকারি হাসপাতালে এখন আগের তুলনায় অনেক উন্নত সেবা পাওয়া যাচ্ছে। তারা জানান, শতভাগ সেবা সবসময় পাওয়া না গেলেও বর্তমানে প্রায় ৭০ শতাংশের বেশি প্রত্যাশা পূরণ হচ্ছে।
সচেতন মহল বলছে, ইতিবাচক পরিবর্তনের পেছনে ডা. ফকরুল ইসলাম মৃধার নেতৃত্ব, তদারকি ও আন্তরিক প্রচেষ্টাই মূল ভূমিকা রেখেছে। তাদের মতে, “ভালো কাজের স্বীকৃতি দেওয়া যেমন জরুরি, তেমনি গঠনমূলক সমালোচনাও উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন।”
সব মিলিয়ে আশোকাঠি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এখন সরকারি চিকিৎসাসেবার এক সফল মডেল হিসেবে স্থানীয়দের কাছে পরিচিত হয়ে উঠছে।
সৈয়দ নুর আহছান, বরিশাল 























