ঢাকা ১০:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
দাম কমার পর যে দামে বাজারে বিক্রি হচ্ছে সোনার ভরি গাইবান্ধায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শিবলু গ্রেপ্তার জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্রদ্ধা আজ ছয় ঘণ্টা টোল ফ্রি থাকবে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ঘুমের সময়ে অনিয়ম থাকলে বাড়ে হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি, বলছে নতুন গবেষণা ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ ৭ নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সাংবাদিক হেনস্তা: প্রশ্ন করাই কি অপরাধ? জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াডের দিনাজপুর অঞ্চলে সেরা ১০-এ বেরোবির ৫ শিক্ষার্থী শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মহিলাদলের সভা আয়োজন, বাগাতিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির দুঃখ প্রকাশ

ঘুমের সময়ে অনিয়ম থাকলে বাড়ে হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি, বলছে নতুন গবেষণা

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৯:০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • ১২৩৪ Time View

নিয়মিত সময়ে ঘুমানো ও ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস হৃদ্‌যন্ত্রের সুস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলছে নতুন গবেষণা। সংগৃহীত ছবি

শুধু পর্যাপ্ত সময় ঘুমালেই চলবে না, প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তোলাও জরুরি। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় এবং ঘুমের মেয়াদে বড় ধরনের হেরফের হলে হৃদ্‌রোগ, হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়তে পারে—এমন তথ্য উঠে এসেছে নতুন এক গবেষণায়।

সুস্থ থাকতে প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুমের পরামর্শ দেন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা। তবে নতুন গবেষণা বলছে, ঘুমের পরিমাণের পাশাপাশি প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে বিছানায় যাওয়া ও ঘুম থেকে ওঠার নিয়মও হৃদ্‌যন্ত্রের সুস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের (এএইচএ) ২০২৬ সালের বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে উপস্থাপনের জন্য তৈরি এই গবেষণায় ১০ হাজার ৩৬২ জন প্রাপ্তবয়স্কের ঘুমের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। অংশগ্রহণকারীরা প্রায় ছয় মাস বিশেষ ট্র্যাকিং ডিভাইস পরে ঘুমের তথ্য সংগ্রহ করেন। সব মিলিয়ে ১০ লাখেরও বেশি রাতের ঘুমের তথ্য পর্যালোচনা করেন গবেষকেরা।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময়ের পার্থক্যের সঙ্গে হৃদ্‌রোগ, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ও হার্ট ফেইলিউরের ঝুঁকি বাড়ার সম্পর্ক রয়েছে। ঘুমের সময়ের অনিয়মের কারণে এসব গুরুতর হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি ২০ থেকে ২৩ শতাংশ পর্যন্ত বেশি হতে পারে।

এ ছাড়া প্রতি রাতে ঘুমের দৈর্ঘ্যের তারতম্য গড়ে ২৯ মিনিট বাড়লে সম্মিলিতভাবে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি ২৪ শতাংশ বেড়েছে। একই সঙ্গে হৃদ্‌যন্ত্রের পেশিসংক্রান্ত রোগের ঝুঁকি ২৯ শতাংশ এবং হার্ট ফেইলিউরের ঝুঁকি ২০ শতাংশ বেড়েছে।

গবেষণাটির প্রধান গবেষক নগুয়েন মিন তুয়ান ভিয়েত বলেন, সাধারণত প্রতিদিন আট ঘণ্টা ঘুমানোর ওপরই বেশি জোর দেওয়া হয়। তবে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া, নির্দিষ্ট সময়ে জেগে ওঠা এবং ঘুমের ধারাবাহিকতা ধরে রাখাও হৃদ্‌যন্ত্র ও রক্তনালির সুরক্ষায় সহায়ক হতে পারে।

তিনি জানান, সপ্তাহান্তে দেরিতে ঘুমাতে যাওয়া বা শিফটে কাজ করার কারণে অনেকের ঘুমের সময় বদলে যায়। এ ধরনের অনিয়ম হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাও হতে পারে।

তবে গবেষকেরা বলছেন, ফলাফলগুলো সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। কারণ এটি একটি পর্যবেক্ষণভিত্তিক গবেষণা। তাই ঘুমের অনিয়মই সরাসরি হৃদ্‌রোগের কারণ—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।

এ ছাড়া গবেষণাটি এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে পিয়ার-রিভিউ হওয়া কোনো বৈজ্ঞানিক সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়নি। তাই এর ফলাফল আপাতত প্রাথমিক হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দাম কমার পর যে দামে বাজারে বিক্রি হচ্ছে সোনার ভরি

ঘুমের সময়ে অনিয়ম থাকলে বাড়ে হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি, বলছে নতুন গবেষণা

প্রকাশের সময়ঃ ০৯:০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

শুধু পর্যাপ্ত সময় ঘুমালেই চলবে না, প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তোলাও জরুরি। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় এবং ঘুমের মেয়াদে বড় ধরনের হেরফের হলে হৃদ্‌রোগ, হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়তে পারে—এমন তথ্য উঠে এসেছে নতুন এক গবেষণায়।

সুস্থ থাকতে প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুমের পরামর্শ দেন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা। তবে নতুন গবেষণা বলছে, ঘুমের পরিমাণের পাশাপাশি প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে বিছানায় যাওয়া ও ঘুম থেকে ওঠার নিয়মও হৃদ্‌যন্ত্রের সুস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের (এএইচএ) ২০২৬ সালের বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে উপস্থাপনের জন্য তৈরি এই গবেষণায় ১০ হাজার ৩৬২ জন প্রাপ্তবয়স্কের ঘুমের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। অংশগ্রহণকারীরা প্রায় ছয় মাস বিশেষ ট্র্যাকিং ডিভাইস পরে ঘুমের তথ্য সংগ্রহ করেন। সব মিলিয়ে ১০ লাখেরও বেশি রাতের ঘুমের তথ্য পর্যালোচনা করেন গবেষকেরা।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময়ের পার্থক্যের সঙ্গে হৃদ্‌রোগ, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ও হার্ট ফেইলিউরের ঝুঁকি বাড়ার সম্পর্ক রয়েছে। ঘুমের সময়ের অনিয়মের কারণে এসব গুরুতর হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি ২০ থেকে ২৩ শতাংশ পর্যন্ত বেশি হতে পারে।

এ ছাড়া প্রতি রাতে ঘুমের দৈর্ঘ্যের তারতম্য গড়ে ২৯ মিনিট বাড়লে সম্মিলিতভাবে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি ২৪ শতাংশ বেড়েছে। একই সঙ্গে হৃদ্‌যন্ত্রের পেশিসংক্রান্ত রোগের ঝুঁকি ২৯ শতাংশ এবং হার্ট ফেইলিউরের ঝুঁকি ২০ শতাংশ বেড়েছে।

গবেষণাটির প্রধান গবেষক নগুয়েন মিন তুয়ান ভিয়েত বলেন, সাধারণত প্রতিদিন আট ঘণ্টা ঘুমানোর ওপরই বেশি জোর দেওয়া হয়। তবে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া, নির্দিষ্ট সময়ে জেগে ওঠা এবং ঘুমের ধারাবাহিকতা ধরে রাখাও হৃদ্‌যন্ত্র ও রক্তনালির সুরক্ষায় সহায়ক হতে পারে।

তিনি জানান, সপ্তাহান্তে দেরিতে ঘুমাতে যাওয়া বা শিফটে কাজ করার কারণে অনেকের ঘুমের সময় বদলে যায়। এ ধরনের অনিয়ম হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাও হতে পারে।

তবে গবেষকেরা বলছেন, ফলাফলগুলো সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। কারণ এটি একটি পর্যবেক্ষণভিত্তিক গবেষণা। তাই ঘুমের অনিয়মই সরাসরি হৃদ্‌রোগের কারণ—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।

এ ছাড়া গবেষণাটি এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে পিয়ার-রিভিউ হওয়া কোনো বৈজ্ঞানিক সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়নি। তাই এর ফলাফল আপাতত প্রাথমিক হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।