ঢাকা ০৯:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক

মবের পেছনে সরকারের প্রশ্রয় আছে কিনা, প্রশ্ন তারেক রহমানের 

যারা মব সৃষ্টি করছে তাদের কেন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না তা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে জানতে চেয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার বিকেলে রাজধানীর লেকশোর হোটেলে এক অনুষ্ঠানে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

এসময় মব ভায়োলেন্সের ঘটনায় সরকারের প্রচ্ছন্ন মদদ আছে কিনা খতিয়ে দেখার দাবি তোলেন বিএনপির অন্যতম শীর্ষ এ নেতা। 

তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা বারবার বলেছি, অন্যায়কারী যেই হোক, আমরা প্রশ্রয় দেব না। সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে জনগণের জানমালের হেফাজত করা। সরকারের কাছে আমাদের প্রশ্ন, তারা কেন প্রশ্রয় দিচ্ছে।

গত বুধবার সন্ধ্যার কিছু আগে, মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে কুপিয়ে ও মাথায় পাথর মেরে হত্যা করা হয়। শুক্রবার ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় ব্যাপক সমালোচনা। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

এদিকে, এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে যুবদল নেতা রজ্জব আলী পিন্টু ও সাবাহ করীম লাকিকে আজীবন বহিষ্কারের কথা জানিয়ে শুক্রবার রাতেই একটি বিজ্ঞপ্তি দেয় সংগঠনটি। আরেক আসামি স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী কালুকেও তার সংগঠন থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে।

সোহাগ হত্যার বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘যাকে আমরা স্ক্রিনে দেখেছি, যে হত্যা করছে, তাকে সরকার এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করেনি। আমরা কি তবে ধরে নেব, যারা বিভিন্নভাবে মব সৃষ্টি করে একটি পরিস্থিতি তৈরি করতে চাচ্ছে, সেখানে সরকারের কোনো প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয় আছে, প্রশাসনের কোনো প্রশ্রয় আছে।’

তারেক রহমান বলেন, ‘যে অন্যায় করবে, সে অন্যায়কারী, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে দেশের প্রচলিত আইনে। অন্যায়কারী কোন দলের লোক হতে পারে না। বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন কিছু হচ্ছে। আমরা খেয়াল করছি, কারা একটি সুস্থ পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়।’

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

মবের পেছনে সরকারের প্রশ্রয় আছে কিনা, প্রশ্ন তারেক রহমানের 

প্রকাশের সময়ঃ ১০:১৭:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫

যারা মব সৃষ্টি করছে তাদের কেন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না তা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে জানতে চেয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার বিকেলে রাজধানীর লেকশোর হোটেলে এক অনুষ্ঠানে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

এসময় মব ভায়োলেন্সের ঘটনায় সরকারের প্রচ্ছন্ন মদদ আছে কিনা খতিয়ে দেখার দাবি তোলেন বিএনপির অন্যতম শীর্ষ এ নেতা। 

তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা বারবার বলেছি, অন্যায়কারী যেই হোক, আমরা প্রশ্রয় দেব না। সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে জনগণের জানমালের হেফাজত করা। সরকারের কাছে আমাদের প্রশ্ন, তারা কেন প্রশ্রয় দিচ্ছে।

গত বুধবার সন্ধ্যার কিছু আগে, মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে কুপিয়ে ও মাথায় পাথর মেরে হত্যা করা হয়। শুক্রবার ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় ব্যাপক সমালোচনা। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

এদিকে, এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে যুবদল নেতা রজ্জব আলী পিন্টু ও সাবাহ করীম লাকিকে আজীবন বহিষ্কারের কথা জানিয়ে শুক্রবার রাতেই একটি বিজ্ঞপ্তি দেয় সংগঠনটি। আরেক আসামি স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী কালুকেও তার সংগঠন থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে।

সোহাগ হত্যার বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘যাকে আমরা স্ক্রিনে দেখেছি, যে হত্যা করছে, তাকে সরকার এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করেনি। আমরা কি তবে ধরে নেব, যারা বিভিন্নভাবে মব সৃষ্টি করে একটি পরিস্থিতি তৈরি করতে চাচ্ছে, সেখানে সরকারের কোনো প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয় আছে, প্রশাসনের কোনো প্রশ্রয় আছে।’

তারেক রহমান বলেন, ‘যে অন্যায় করবে, সে অন্যায়কারী, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে দেশের প্রচলিত আইনে। অন্যায়কারী কোন দলের লোক হতে পারে না। বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন কিছু হচ্ছে। আমরা খেয়াল করছি, কারা একটি সুস্থ পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়।’