ঢাকা ০৫:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
নতুন পে-স্কেল এ বছরেই ঘোষণা, বাস্তবায়নও চলতি বছরে: অর্থমন্ত্রী ভাঙ্গায় মসজিদের জায়গা দখল করে দোকান নির্মাণের অভিযোগ আমানত বিমানবন্দরে সাড়ে ৫ কোটি টাকার সিগারেট-আইফোন জব্দ ১৮০ দিনে সরকারের নানা অর্জনের দাবি, সামনে বড় চ্যালেঞ্জ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে ইবির বিক্ষোভ মিছিল ৩৬ বছর বয়সে মারা গেলেন অভিনেত্রী হেইডেন ট্রাভিসদের দেখে কৌশল সাজিয়েছিলেন হাসান, ৯ উইকেট নিয়ে ইতিহাস পুতিনের সঙ্গে বৈঠক, রাশিয়া সফরে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং কনটেন্ট বানাতে গিয়ে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবক নিহত রামিসাকে নিয়ে মাহবুবুল খালিদের গান, সঙ্গে সিঁথি-রাফসান-টুটুল

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক পত্র প্রস্তুত করছে ঢাকা

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ফাইল। ছবি

জুলাই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পেতে দিল্লিকে চিঠি দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ঢাকা। আগামী দু–এক দিনের মধ্যে বাংলাদেশ শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ‘কূটনৈতিক পত্র’ ভারতের হাতে পৌঁছে দিতে পারে।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে পররাষ্ট্র উপদেস্টা মোঃ তৌহিদ হোসেন এই প্রতিবেদককে জানান, প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারতকে ‘নোট ভারবাল’ (কূটনৈতিক পত্র) পাঠানো হবে। আজ–কালের মধ্যে সেটি পাঠানোর কথা।

এদিকে সরকারের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা এই প্রতিবেদককে জানান, শেখ হাসিনাকে ফেরত পেতে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের মাধ্যমে কূটনৈতিক পত্র পাঠানো হতে পারে। গত বছরের আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানের সময় বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা।

প্রসঙ্গত, জুলাই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে গত সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত–১ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

এরপর বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ‘মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত এই ব্যক্তিদের দ্বিতীয় কোনো দেশ আশ্রয় দিলে তা হবে অত্যন্ত অবন্ধুসুলভ আচরণ এবং ন্যায়বিচারের প্রতি অবজ্ঞার শামিল। আমরা ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই, তারা যেন অনতিবিলম্বে দণ্ডপ্রাপ্ত এই দুই ব্যক্তিকে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে। দুই দেশের মধ্যে থাকা প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুসারে দুজনকে হস্তান্তর করাটা ভারতের জন্য অবশ্যপালনীয় দায়িত্বও বটে।’

পরে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘একটি নিকট প্রতিবেশী হিসেবে ভারত বাংলাদেশে শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি, স্থিতিশীলতাসহ বাংলাদেশের জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থের বিষয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ রয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনে আমরা সব সময় সব অংশীজনের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে যুক্ত থাকব।’

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন পে-স্কেল এ বছরেই ঘোষণা, বাস্তবায়নও চলতি বছরে: অর্থমন্ত্রী

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক পত্র প্রস্তুত করছে ঢাকা

প্রকাশের সময়ঃ ০৭:০৩:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

জুলাই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পেতে দিল্লিকে চিঠি দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ঢাকা। আগামী দু–এক দিনের মধ্যে বাংলাদেশ শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ‘কূটনৈতিক পত্র’ ভারতের হাতে পৌঁছে দিতে পারে।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে পররাষ্ট্র উপদেস্টা মোঃ তৌহিদ হোসেন এই প্রতিবেদককে জানান, প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারতকে ‘নোট ভারবাল’ (কূটনৈতিক পত্র) পাঠানো হবে। আজ–কালের মধ্যে সেটি পাঠানোর কথা।

এদিকে সরকারের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা এই প্রতিবেদককে জানান, শেখ হাসিনাকে ফেরত পেতে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের মাধ্যমে কূটনৈতিক পত্র পাঠানো হতে পারে। গত বছরের আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানের সময় বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা।

প্রসঙ্গত, জুলাই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে গত সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত–১ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

এরপর বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ‘মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত এই ব্যক্তিদের দ্বিতীয় কোনো দেশ আশ্রয় দিলে তা হবে অত্যন্ত অবন্ধুসুলভ আচরণ এবং ন্যায়বিচারের প্রতি অবজ্ঞার শামিল। আমরা ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই, তারা যেন অনতিবিলম্বে দণ্ডপ্রাপ্ত এই দুই ব্যক্তিকে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে। দুই দেশের মধ্যে থাকা প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুসারে দুজনকে হস্তান্তর করাটা ভারতের জন্য অবশ্যপালনীয় দায়িত্বও বটে।’

পরে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘একটি নিকট প্রতিবেশী হিসেবে ভারত বাংলাদেশে শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি, স্থিতিশীলতাসহ বাংলাদেশের জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থের বিষয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ রয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনে আমরা সব সময় সব অংশীজনের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে যুক্ত থাকব।’