ঢাকা ১২:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক

গুম অপরাধে মৃত্যুদণ্ড-সরকারের কঠোর অবস্থান স্পষ্ট করল নতুন অধ্যাদেশ

ফাইল ছবি।

সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করে গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। সোমবার এই অধ্যাদেশ জারি হয়। এই আইনের অধীনে গুমের সাথে জড়িত সকল শৃঙ্খল বাহিনী তথা সেনা, নৌ, বিমান, পুলিশ ও বিজিবিসহ সকলের বিচার করা যাবে।এর আগে, গত ৬ নভেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটির খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। আর আজ অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে আইনটি চূড়ান্ত রূপ পেল।এই অধ্যাদেশে গুমকে সংজ্ঞায়নের পাশাপাশি চলমান অপরাধ, কন্টিনিউ অফেন্স হিসেবে বিবেচনা করে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।এই অধ্যাদেশে গুম প্রতিরোধ প্রতিকারের লক্ষ্যে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের বাধ্যবাধকতা, ভুক্তভোগী-সাক্ষীর অধিকার সুরক্ষা ক্ষতিপূরণ এবং আইনগত সহায়তা নিশ্চয়তা প্রদান সংক্রান্ত বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া গুম প্রতিরোধ প্রতিকার এবং সুরক্ষার উদ্দেশ্যে তহবিল গঠন এবং তথ্যভাণ্ডার প্রতিষ্ঠার বিধানও সংযোজিত হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

গুম অপরাধে মৃত্যুদণ্ড-সরকারের কঠোর অবস্থান স্পষ্ট করল নতুন অধ্যাদেশ

প্রকাশের সময়ঃ ০৬:৩২:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করে গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। সোমবার এই অধ্যাদেশ জারি হয়। এই আইনের অধীনে গুমের সাথে জড়িত সকল শৃঙ্খল বাহিনী তথা সেনা, নৌ, বিমান, পুলিশ ও বিজিবিসহ সকলের বিচার করা যাবে।এর আগে, গত ৬ নভেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটির খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। আর আজ অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে আইনটি চূড়ান্ত রূপ পেল।এই অধ্যাদেশে গুমকে সংজ্ঞায়নের পাশাপাশি চলমান অপরাধ, কন্টিনিউ অফেন্স হিসেবে বিবেচনা করে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।এই অধ্যাদেশে গুম প্রতিরোধ প্রতিকারের লক্ষ্যে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের বাধ্যবাধকতা, ভুক্তভোগী-সাক্ষীর অধিকার সুরক্ষা ক্ষতিপূরণ এবং আইনগত সহায়তা নিশ্চয়তা প্রদান সংক্রান্ত বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া গুম প্রতিরোধ প্রতিকার এবং সুরক্ষার উদ্দেশ্যে তহবিল গঠন এবং তথ্যভাণ্ডার প্রতিষ্ঠার বিধানও সংযোজিত হয়েছে।