ঢাকা ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডায়রিয়ার চাপ- হাসপাতালে এক দিনে ভর্তি ৪৬ জন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কিছুটা স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর ২০২৫) হাসপাতাল সূত্রে পাওয়া তথ্যমতে, আগের দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন ৪৬ জন রোগী। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৪৬ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৪ জন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মোট ৪৮ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী।হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত স্যালাইন, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। রোগীদের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে চিকিৎসক ও নার্সরা কাজ করছেন।

চিকিৎসকদের মতে, মৌসুমি পরিবর্তন, দূষিত পানি ও অস্বাস্থ্যকর খাবার ডায়রিয়া বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। তারা সবাইকে ফুটানো বা বিশুদ্ধ পানি পান করার, খাবার ঢেকে রাখার এবং হাত ধোয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে এবং জনসচেতনতা বাড়ালে ডায়রিয়ার প্রকোপ আরও কমানো সম্ভব।

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডায়রিয়ার চাপ- হাসপাতালে এক দিনে ভর্তি ৪৬ জন

প্রকাশের সময়ঃ ১২:১০:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কিছুটা স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর ২০২৫) হাসপাতাল সূত্রে পাওয়া তথ্যমতে, আগের দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন ৪৬ জন রোগী। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৪৬ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৪ জন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মোট ৪৮ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী।হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত স্যালাইন, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। রোগীদের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে চিকিৎসক ও নার্সরা কাজ করছেন।

চিকিৎসকদের মতে, মৌসুমি পরিবর্তন, দূষিত পানি ও অস্বাস্থ্যকর খাবার ডায়রিয়া বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। তারা সবাইকে ফুটানো বা বিশুদ্ধ পানি পান করার, খাবার ঢেকে রাখার এবং হাত ধোয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে এবং জনসচেতনতা বাড়ালে ডায়রিয়ার প্রকোপ আরও কমানো সম্ভব।