ঢাকা ১০:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক

অবশেষে অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে দীর্ঘ প্রায় ১৮ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা থেকেই পুরো বিমানবন্দর এলাকাকে কয়েক স্তরের নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। এই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা বলবৎ থাকবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) নিজস্ব সিকিউরিটি বিভাগ ‘এভসেক’, বিমানবাহিনী, সেনাবাহিনী, এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, র‍্যাব ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) যৌথভাবে কাজ করছে।

ইতোমধ্যে কয়েক হাজার নিরাপত্তা সদস্য বিমানবন্দর ও এর আশপাশের এলাকায় তাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছেন। বেবিচক সূত্র জানায়, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকাল থেকেই বিমানবন্দরের ভেতরে যাত্রী ছাড়া প্রবেশাধিকার সীমিত করা হয়েছে। পুরো এলাকায় ড্রোন ওড়ানোর ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। পোশাকধারী সদস্যদের পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থার বিপুলসংখ্যক সদস্য সাদা পোশাকে নজরদারি চালাচ্ছেন।বিমানবন্দর সূত্র জানায়, তারেক রহমানের অবতরণ থেকে শুরু করে বিমানবন্দর থেকে বের হওয়া পর্যন্ত অন্তত পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা বলয় কাজ করবে। বিমানবন্দর গোলচত্বর থেকে শুরু করে বেবিচক সদর দপ্তর, অভ্যন্তরীণ টার্মিনাল এলাকা এবং আমদানি-রপ্তানি পণ্যের ৯ নম্বর গেটসহ প্রতিটি প্রবেশ ও বহির্গমন পথে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে বিমানবন্দরের কর্মীদের চলাফেরাতেও বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছে। বেবিচক মুখপাত্র কাওছার মাহমুদ জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী বুধবার সন্ধ্যার পর থেকেই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টা বিমানবন্দরের পুরো এলাকা কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয়ে থাকবে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগিব সামাদ বলেন, ‘তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পূর্ণমাত্রায় বলবৎ করা হয়েছে। এভসেক, বিমানবাহিনী, সেনাবাহিনী ও এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, আনসার ব্যাটালিয়ন এবং ডিএমপির পুলিশ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ছাড়া সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও সার্বক্ষণিক নজরদারি করছেন।’ তারেক রহমানের বিমানবন্দরের অবতরণ থেকে শুরু করে বের হওয়া পর্যন্ত হাজার নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে বলেও জানান তিনি।

এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অপারেশনাল কমান্ডার পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক জানান, বিমানবন্দরের ল্যান্ডসাইটে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ডগ স্কোয়াড এবং কুইক রেসপন্স টিম (সিআরটি) সার্বক্ষণিক টহলে থাকবে। অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে দেশত্যাগের পর এই প্রথম তারেক রহমান দেশে ফিরছেন। তার এই প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা বিরাজ করছে, যার ফলে বিমানবন্দরে জনসমাগম সামাল দিতেই এই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার আয়োজন।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

প্রকাশের সময়ঃ ০৮:০০:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

অবশেষে অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে দীর্ঘ প্রায় ১৮ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা থেকেই পুরো বিমানবন্দর এলাকাকে কয়েক স্তরের নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। এই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা বলবৎ থাকবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) নিজস্ব সিকিউরিটি বিভাগ ‘এভসেক’, বিমানবাহিনী, সেনাবাহিনী, এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, র‍্যাব ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) যৌথভাবে কাজ করছে।

ইতোমধ্যে কয়েক হাজার নিরাপত্তা সদস্য বিমানবন্দর ও এর আশপাশের এলাকায় তাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছেন। বেবিচক সূত্র জানায়, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকাল থেকেই বিমানবন্দরের ভেতরে যাত্রী ছাড়া প্রবেশাধিকার সীমিত করা হয়েছে। পুরো এলাকায় ড্রোন ওড়ানোর ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। পোশাকধারী সদস্যদের পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থার বিপুলসংখ্যক সদস্য সাদা পোশাকে নজরদারি চালাচ্ছেন।বিমানবন্দর সূত্র জানায়, তারেক রহমানের অবতরণ থেকে শুরু করে বিমানবন্দর থেকে বের হওয়া পর্যন্ত অন্তত পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা বলয় কাজ করবে। বিমানবন্দর গোলচত্বর থেকে শুরু করে বেবিচক সদর দপ্তর, অভ্যন্তরীণ টার্মিনাল এলাকা এবং আমদানি-রপ্তানি পণ্যের ৯ নম্বর গেটসহ প্রতিটি প্রবেশ ও বহির্গমন পথে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে বিমানবন্দরের কর্মীদের চলাফেরাতেও বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছে। বেবিচক মুখপাত্র কাওছার মাহমুদ জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী বুধবার সন্ধ্যার পর থেকেই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টা বিমানবন্দরের পুরো এলাকা কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয়ে থাকবে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগিব সামাদ বলেন, ‘তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পূর্ণমাত্রায় বলবৎ করা হয়েছে। এভসেক, বিমানবাহিনী, সেনাবাহিনী ও এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, আনসার ব্যাটালিয়ন এবং ডিএমপির পুলিশ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ছাড়া সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও সার্বক্ষণিক নজরদারি করছেন।’ তারেক রহমানের বিমানবন্দরের অবতরণ থেকে শুরু করে বের হওয়া পর্যন্ত হাজার নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে বলেও জানান তিনি।

এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অপারেশনাল কমান্ডার পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক জানান, বিমানবন্দরের ল্যান্ডসাইটে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ডগ স্কোয়াড এবং কুইক রেসপন্স টিম (সিআরটি) সার্বক্ষণিক টহলে থাকবে। অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে দেশত্যাগের পর এই প্রথম তারেক রহমান দেশে ফিরছেন। তার এই প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা বিরাজ করছে, যার ফলে বিমানবন্দরে জনসমাগম সামাল দিতেই এই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার আয়োজন।