ঢাকা ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
রাজ্জাকের সঙ্গে প্রথম দেখার স্মৃতিচারণ করলেন কনকচাঁপা সৌর বিদ্যুৎ যন্ত্রপাতি আমদানিতে বড় শুল্ক ছাড় দিলো এনবিআর ডেঙ্গু প্রতিরোধে অভিযান হোক নিয়মিত, জনসচেতনতা হোক ঘরে ঘরে রাজধানীতে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু র‍্যাব বিলুপ্ত, নতুন নামে এসআরবির কার্যক্রম শুরু ইসির নতুন প্রতীক তালিকা প্রকাশ, যুক্ত হলো ‘না’; মোট প্রতীক ১২০টি দীর্ঘ আড়াই বছর পর একক কনসার্টে বাপ্পা মজুমদার, মঞ্চ মাতাবেন ৯ অক্টোবর একাদশ শ্রেণির ভর্তি: প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ, ক্লাস শুরু ২৪ সেপ্টেম্বর ফলাফলের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে: ববি হাজ্জাজ সিনেমা হতে পারে সমাজ পরিবর্তনের শক্তিশালী মাধ্যম: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদুল হাসানের দাফন সম্পন্ন

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসানের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসানের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে শহরের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজার আয়োজন করা হয়। জানাজা শেষে টাঙ্গাইল শহরের সন্তোষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এ সময় মাহমুদুল হাসানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টু, আহমেদ আযম খান, বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী,সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আহসান হাবীব মাসুদ, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, মাহমুদুল হাসানের ছেলে রাশেদ হাসানসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গতকাল বুধবার বিকেলে ঢাকার গুলশানে তার নিজ বাসায় মাহমুদুল হাসান বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

জানা যায়, ১৯৩৬ সালের ১ মার্চ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মাকোরকোল গ্রামে তিনি এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবনে তিনি ১৯৫৬ সালে বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫৯ সালের ১৩ জুন তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে যোগদান করেন। কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে কাশ্মীরের আখনুর সেক্টরে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। মাহমুদুল হাসান মেজর জেনারেল হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

মাহমুদুল হাসান প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাতীয় পার্টি থেকে ১৯৮৮ সালে। ১৯৯৬ ফেব্রুয়ারি ও ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে। ২০১২ সালে জাতীয় পার্টির এমপি আবুল কাশেমের নির্বাচন বাতিল হওয়ার পর উপনির্বাচনে পুনরায় নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্তে অংশগ্রহণ করেন নাই। ডিসেম্বর ২০১৮ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ছানোয়ার হোসেনের কাছে পরাজিত হন।

এ ছাড়াও মাহমুদুল হাসান ১৯৮৯- ১৯৯০ পর্যন্ত জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৮৯ সালে টাঙ্গাইলে মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ কলেজ প্রতিষ্ঠাতা করেন। ১৯৯৩ সালে মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান নামে একটি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্জাকের সঙ্গে প্রথম দেখার স্মৃতিচারণ করলেন কনকচাঁপা

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদুল হাসানের দাফন সম্পন্ন

প্রকাশের সময়ঃ ১২:৪৫:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসানের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে শহরের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজার আয়োজন করা হয়। জানাজা শেষে টাঙ্গাইল শহরের সন্তোষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এ সময় মাহমুদুল হাসানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টু, আহমেদ আযম খান, বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী,সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আহসান হাবীব মাসুদ, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, মাহমুদুল হাসানের ছেলে রাশেদ হাসানসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গতকাল বুধবার বিকেলে ঢাকার গুলশানে তার নিজ বাসায় মাহমুদুল হাসান বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

জানা যায়, ১৯৩৬ সালের ১ মার্চ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মাকোরকোল গ্রামে তিনি এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবনে তিনি ১৯৫৬ সালে বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫৯ সালের ১৩ জুন তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে যোগদান করেন। কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে কাশ্মীরের আখনুর সেক্টরে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। মাহমুদুল হাসান মেজর জেনারেল হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

মাহমুদুল হাসান প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাতীয় পার্টি থেকে ১৯৮৮ সালে। ১৯৯৬ ফেব্রুয়ারি ও ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে। ২০১২ সালে জাতীয় পার্টির এমপি আবুল কাশেমের নির্বাচন বাতিল হওয়ার পর উপনির্বাচনে পুনরায় নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্তে অংশগ্রহণ করেন নাই। ডিসেম্বর ২০১৮ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ছানোয়ার হোসেনের কাছে পরাজিত হন।

এ ছাড়াও মাহমুদুল হাসান ১৯৮৯- ১৯৯০ পর্যন্ত জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৮৯ সালে টাঙ্গাইলে মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ কলেজ প্রতিষ্ঠাতা করেন। ১৯৯৩ সালে মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান নামে একটি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা তিনি।