ঢাকা ০৬:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
ডেঙ্গু রোগীদের সুরক্ষায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে মশারি দিল জেলা পরিষদ তাহসিফ হত্যা মামলা: দীপকে ফের ৭ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ শেখ হাসিনা বেঁচে থাকা পর্যন্ত অস্থিতিশীলতার চেষ্টা চলবে: তথ্য উপদেষ্টা ডিসেম্বরের আগেই জাতীয় গ্রিডে রূপপুরের বিদ্যুৎ: বিজ্ঞানমন্ত্রী মজুরি কমিশন গঠন হয়েছে, এখন আন্দোলনের সুযোগ নেই: প্রতিমন্ত্রী টুকু মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনে অরাজকতার চেষ্টা, রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ডিএনসিসি প্রশাসকের শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে নারায়ণগঞ্জে ৫ প্লাটুন বিজিবি, সতর্ক বিএনপি নেতাকর্মীরাও মিরপুর-১১-তে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, যান চলাচল স্বাভাবিক; আটক ৪ এইচএসসিতে শূন্য পাস ২৯৩ প্রতিষ্ঠানে, শাস্তির মুখে শিক্ষক-প্রতিষ্ঠানপ্রধান গোপালগঞ্জে ইয়াবা-গাঁজা ও ১ লাখ ৬৯ হাজার টাকাসহ আটক ১

নিয়োগ পরীক্ষায় ডিজিটাল নকল, এক জেলায় নারীসহ আটক ৫২ পরীক্ষার্থী

গাইবান্ধায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে নারীসহ ৫২ পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্রজুড়ে কড়া নজরদারির মধ্যেই ফাঁস হয় ‘হাইটেক নকলের’ এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেড় ঘণ্টাব্যাপী লিখিত পরীক্ষা চলাকালে জেলার ২৪টি কেন্দ্র থেকে এসব পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, ব্লুটুথ ইয়ার ডিভাইসসহ নানা ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ১১ জন পরীক্ষার্থী ধরা পড়েন গাইবান্ধা সদর উপজেলার কুপতলা আব্দুল কাইয়ূম হাইস্কুল কেন্দ্র থেকে।

পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অনেক পরীক্ষার্থীর কানের ভেতরে লুকানো ডিভাইস উদ্ধার করতে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। এতে পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে মুহূর্তেই চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

গাইবান্ধা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার লক্ষ্মণ কুমার দাশ রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, “সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারের সময় জেলার বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ৫২ জন পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। আটকদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।”

উল্লেখ্য, পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আগেই গাইবান্ধা জেলা প্রশাসন কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লার স্বাক্ষরিত আদেশে পরীক্ষার দিন দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রতিটি কেন্দ্রের চারপাশে ২০০ গজ এলাকায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি ছিল।
তবুও সব নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সংঘবদ্ধভাবে প্রযুক্তিনির্ভর নকলের এই ঘটনা নিয়োগ পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গু রোগীদের সুরক্ষায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে মশারি দিল জেলা পরিষদ

নিয়োগ পরীক্ষায় ডিজিটাল নকল, এক জেলায় নারীসহ আটক ৫২ পরীক্ষার্থী

প্রকাশের সময়ঃ ০৭:০৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

গাইবান্ধায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে নারীসহ ৫২ পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্রজুড়ে কড়া নজরদারির মধ্যেই ফাঁস হয় ‘হাইটেক নকলের’ এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেড় ঘণ্টাব্যাপী লিখিত পরীক্ষা চলাকালে জেলার ২৪টি কেন্দ্র থেকে এসব পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, ব্লুটুথ ইয়ার ডিভাইসসহ নানা ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ১১ জন পরীক্ষার্থী ধরা পড়েন গাইবান্ধা সদর উপজেলার কুপতলা আব্দুল কাইয়ূম হাইস্কুল কেন্দ্র থেকে।

পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অনেক পরীক্ষার্থীর কানের ভেতরে লুকানো ডিভাইস উদ্ধার করতে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। এতে পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে মুহূর্তেই চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

গাইবান্ধা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার লক্ষ্মণ কুমার দাশ রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, “সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারের সময় জেলার বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ৫২ জন পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। আটকদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।”

উল্লেখ্য, পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আগেই গাইবান্ধা জেলা প্রশাসন কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লার স্বাক্ষরিত আদেশে পরীক্ষার দিন দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রতিটি কেন্দ্রের চারপাশে ২০০ গজ এলাকায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি ছিল।
তবুও সব নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সংঘবদ্ধভাবে প্রযুক্তিনির্ভর নকলের এই ঘটনা নিয়োগ পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।