ঢাকা ০৭:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

অকারণে হর্ন বাজানো বন্ধ করতে হবে -পরিবেশ উপদেষ্টা

সংগৃহীত ছবি।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, অকারণে হর্ন বাজানো একটি ক্ষতিকর সামাজিক অভ্যাস, যা পরিবর্তন করা জরুরি। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে এ অভ্যাস ত্যাগ করতে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকায় ঘোষিত নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো নিরুৎসাহিতকরণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), বিআরটিএ, ডিএনসিসি ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

উপদেষ্টা বলেন, শব্দদূষণ কমানোর দায়িত্ব শুধু সরকারের একার নয়; এতে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। প্রাথমিকভাবে হর্ন ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনো অজুহাতেই অপ্রয়োজনীয় হর্ন বাজানো গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি আরও জানান, অন্যান্য ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের মতো ডিজিটাল পদ্ধতিতে হর্ন ব্যবহারের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা–২০২৫ প্রণয়ন করা হয়েছে এবং পুলিশ বাহিনীকে কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। ট্রাফিক পুলিশের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণ সদস্যরা এখন আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন।

বিমানবন্দর এলাকাকে হর্নমুক্ত করে একটি উদাহরণ সৃষ্টি করার কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ নীরব এলাকা বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি জানান, উচ্চমাত্রার শব্দের কারণে ঢাকা শহরের প্রায় ৬৫ শতাংশ চালকের শ্রবণক্ষমতা কমে যাচ্ছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও শিশুদের জন্য হর্নের শব্দ মারাত্মক অস্বস্তিকর।

তিনি জাতিগতভাবে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যমকর্মীদের স্বপ্রণোদিত হয়ে এগিয়ে আসার অনুরোধ করেন।

অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ বলেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রণীত বিধিমালা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এ কাজে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. সারোয়ার, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

অকারণে হর্ন বাজানো বন্ধ করতে হবে -পরিবেশ উপদেষ্টা

প্রকাশের সময়ঃ ০৫:২৩:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, অকারণে হর্ন বাজানো একটি ক্ষতিকর সামাজিক অভ্যাস, যা পরিবর্তন করা জরুরি। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে এ অভ্যাস ত্যাগ করতে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকায় ঘোষিত নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো নিরুৎসাহিতকরণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), বিআরটিএ, ডিএনসিসি ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

উপদেষ্টা বলেন, শব্দদূষণ কমানোর দায়িত্ব শুধু সরকারের একার নয়; এতে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। প্রাথমিকভাবে হর্ন ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনো অজুহাতেই অপ্রয়োজনীয় হর্ন বাজানো গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি আরও জানান, অন্যান্য ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের মতো ডিজিটাল পদ্ধতিতে হর্ন ব্যবহারের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা–২০২৫ প্রণয়ন করা হয়েছে এবং পুলিশ বাহিনীকে কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। ট্রাফিক পুলিশের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণ সদস্যরা এখন আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন।

বিমানবন্দর এলাকাকে হর্নমুক্ত করে একটি উদাহরণ সৃষ্টি করার কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ নীরব এলাকা বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি জানান, উচ্চমাত্রার শব্দের কারণে ঢাকা শহরের প্রায় ৬৫ শতাংশ চালকের শ্রবণক্ষমতা কমে যাচ্ছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও শিশুদের জন্য হর্নের শব্দ মারাত্মক অস্বস্তিকর।

তিনি জাতিগতভাবে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যমকর্মীদের স্বপ্রণোদিত হয়ে এগিয়ে আসার অনুরোধ করেন।

অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ বলেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রণীত বিধিমালা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এ কাজে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. সারোয়ার, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।