ঢাকা ০৭:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

ঢাকা–৯-এ হারলেও ‘দীর্ঘ পথচলার’ বার্তা তাসনিম জারার

তাসনিম জারা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয় পাননি তাসনিম জারা। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ ১ লাখ ১১ হাজার ২১২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন তাসনিম জারা।

শুক্রবার বিকেল পৌনে চারটার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে নির্বাচন-পরবর্তী প্রতিক্রিয়া জানান তিনি। সেখানে তাসনিম জারা বলেন, ঢাকা–৯ আসনে বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিবকে তিনি ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে গঠনমূলক রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তবে জনগণের জন্য ক্ষতিকর কোনো সিদ্ধান্ত এলে তার বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার কথাও জানান তিনি।

তাসনিম জারা উল্লেখ করেন, তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা একটি নির্বাচনে সীমাবদ্ধ নয়। রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইতিবাচক পরিবর্তনই তাঁদের মূল লক্ষ্য, যা দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া বলে তিনি মন্তব্য করেন।

নির্বাচন আয়োজন প্রসঙ্গে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, তাঁর দল এবং নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানান। জটিল সময়ে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্টদের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।

পোস্টে নির্বাচনী প্রচারণায় নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণকে বড় অর্জন হিসেবে তুলে ধরেন তাসনিম জারা। তাঁর ভাষায়, সিদ্ধান্ত গ্রহণের টেবিলে নারীদের উপস্থিতি আলোচনার মান ও দৃষ্টিভঙ্গিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে।

রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সেরা সময় এখনো সামনে।”

উল্লেখ্য, তাসনিম জারা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এনসিপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পান। তবে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনী জোটে এনসিপি যুক্ত হলে তিনি দল থেকে পদত্যাগ করেন এবং পরে ঢাকা–৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

ঢাকা–৯-এ হারলেও ‘দীর্ঘ পথচলার’ বার্তা তাসনিম জারার

প্রকাশের সময়ঃ ০৫:৪৪:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয় পাননি তাসনিম জারা। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ ১ লাখ ১১ হাজার ২১২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন তাসনিম জারা।

শুক্রবার বিকেল পৌনে চারটার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে নির্বাচন-পরবর্তী প্রতিক্রিয়া জানান তিনি। সেখানে তাসনিম জারা বলেন, ঢাকা–৯ আসনে বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিবকে তিনি ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে গঠনমূলক রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তবে জনগণের জন্য ক্ষতিকর কোনো সিদ্ধান্ত এলে তার বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার কথাও জানান তিনি।

তাসনিম জারা উল্লেখ করেন, তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা একটি নির্বাচনে সীমাবদ্ধ নয়। রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইতিবাচক পরিবর্তনই তাঁদের মূল লক্ষ্য, যা দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া বলে তিনি মন্তব্য করেন।

নির্বাচন আয়োজন প্রসঙ্গে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, তাঁর দল এবং নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানান। জটিল সময়ে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্টদের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।

পোস্টে নির্বাচনী প্রচারণায় নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণকে বড় অর্জন হিসেবে তুলে ধরেন তাসনিম জারা। তাঁর ভাষায়, সিদ্ধান্ত গ্রহণের টেবিলে নারীদের উপস্থিতি আলোচনার মান ও দৃষ্টিভঙ্গিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে।

রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সেরা সময় এখনো সামনে।”

উল্লেখ্য, তাসনিম জারা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এনসিপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পান। তবে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনী জোটে এনসিপি যুক্ত হলে তিনি দল থেকে পদত্যাগ করেন এবং পরে ঢাকা–৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন।