ঢাকা ১০:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক
তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনের অপেক্ষা

ঢাকার রাজধানীর অনেক পাম্পে মিলছে না অকটেন

সংগৃহীত ছবি।

ঢাকার রাজধানীর পেট্রোল পাম্পগুলোতে অকটেনের সংকট দেখা দিয়েছে। জ্বালানি তেলের রেশনিং পদ্ধতি তুলে নেওয়া হলেও পেট্রল ও অকটেনের তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। মোটরসাইকেলসহ পরিবহনের চালক ও মালিকেরা এক পাম্প থেকে অন্য বাম্পে ঘুরেও অকটেন পাচ্ছেন না। তেলের জন্যও দীর্ঘ লাইনের অপেক্ষা করছেন তারা। যদিও ডিজেল ও পেট্রলের তেমন কোনো সংকটের খবর পাওয়া যায়নি।

রাজধানীর মোহাম্মদপুর, আসাদ গেট, বিজয় সরণি, পরীবাগ, মতিঝিল, রাজারবাগ ও মগবাজার, নিউমার্কেট, গাবতলী, মিরপুর এলাকায় কোনো পাম্পে অকটেনের সংকট দেখা দিয়েছে।

ঈদের ছুটির শেষ দিনে রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ। সরকারি অফিস-আদালত আগমীকাল মঙ্গলবার খুলবে। এমন  পরিস্থিতিতে অকটেনের সংকট তৈরি হলে বিপাকে পড়তে পারেন অফিসগামীসহ সাধারণ মানুষ।

বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, পর্যাপ্ত মজুত ও সরবরাহ রয়েছে অকটেনের। অন্যদিকে পাম্প মালিকেরা বলছেন, বিক্রি অনুসারে ডিপোগুলোতে অকটেন পাচ্ছেন না তারা। তবে আকস্মিকভাবে অকটেন সংকটের কারণে ঈদের ছুটির দুই দিন (২১ ও ২২ মার্চ) ডিপোগুলো বন্ধ ছিল। অন্যদিকে পাম্পগুলোতে অন্য ঈদের তুলনায় বিক্রি ছিল বেশি। ফলে সরবরাহে একটা সাময়িক সংকট তৈরি হয়েছে।

বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, দেশে অকটেনের মজুত পর্যায়ে কোনো সংকট নেই। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিদিন চাহিদার চেয়ে দ্বিগুণ পরিমাণ অকটেন বিক্রি হয়েছে। পাম্পগুলোর ডিপো থেকে এসব তেল সংগ্রহ করেছে, ফলে অকটেন না থাকার কোনো কারণ নেই। এছাড়া আগামী ২ এপ্রিল ২৫ হাজার টনের একটি অকটেনবাহী কার্গো দেশে আসার কথা রয়েছে। ফলে সংকটের কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া সিআরইউ প্লান্টগুলো অকটেন উৎপাদন অব্যাহত রেখেছে। সেখানেও কোনো সংকটের খবর নেই।

এদিকে জ্বালানির ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে যেকোনো সময় দেশের পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে— এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। রোববার রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারা দেশের পেট্রোল পাম্পগুলোর অবস্থা খুবই করুণ। কারণ তারা অয়েল কোম্পানিগুলো থেকে প্রতিদিন যে তেল পাচ্ছে, তা দিয়ে বর্তমানে ক্রেতাদের যে চাহিদা, সেটা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনের অপেক্ষা

ঢাকার রাজধানীর অনেক পাম্পে মিলছে না অকটেন

প্রকাশের সময়ঃ ১২:০২:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

ঢাকার রাজধানীর পেট্রোল পাম্পগুলোতে অকটেনের সংকট দেখা দিয়েছে। জ্বালানি তেলের রেশনিং পদ্ধতি তুলে নেওয়া হলেও পেট্রল ও অকটেনের তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। মোটরসাইকেলসহ পরিবহনের চালক ও মালিকেরা এক পাম্প থেকে অন্য বাম্পে ঘুরেও অকটেন পাচ্ছেন না। তেলের জন্যও দীর্ঘ লাইনের অপেক্ষা করছেন তারা। যদিও ডিজেল ও পেট্রলের তেমন কোনো সংকটের খবর পাওয়া যায়নি।

রাজধানীর মোহাম্মদপুর, আসাদ গেট, বিজয় সরণি, পরীবাগ, মতিঝিল, রাজারবাগ ও মগবাজার, নিউমার্কেট, গাবতলী, মিরপুর এলাকায় কোনো পাম্পে অকটেনের সংকট দেখা দিয়েছে।

ঈদের ছুটির শেষ দিনে রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ। সরকারি অফিস-আদালত আগমীকাল মঙ্গলবার খুলবে। এমন  পরিস্থিতিতে অকটেনের সংকট তৈরি হলে বিপাকে পড়তে পারেন অফিসগামীসহ সাধারণ মানুষ।

বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, পর্যাপ্ত মজুত ও সরবরাহ রয়েছে অকটেনের। অন্যদিকে পাম্প মালিকেরা বলছেন, বিক্রি অনুসারে ডিপোগুলোতে অকটেন পাচ্ছেন না তারা। তবে আকস্মিকভাবে অকটেন সংকটের কারণে ঈদের ছুটির দুই দিন (২১ ও ২২ মার্চ) ডিপোগুলো বন্ধ ছিল। অন্যদিকে পাম্পগুলোতে অন্য ঈদের তুলনায় বিক্রি ছিল বেশি। ফলে সরবরাহে একটা সাময়িক সংকট তৈরি হয়েছে।

বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, দেশে অকটেনের মজুত পর্যায়ে কোনো সংকট নেই। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিদিন চাহিদার চেয়ে দ্বিগুণ পরিমাণ অকটেন বিক্রি হয়েছে। পাম্পগুলোর ডিপো থেকে এসব তেল সংগ্রহ করেছে, ফলে অকটেন না থাকার কোনো কারণ নেই। এছাড়া আগামী ২ এপ্রিল ২৫ হাজার টনের একটি অকটেনবাহী কার্গো দেশে আসার কথা রয়েছে। ফলে সংকটের কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া সিআরইউ প্লান্টগুলো অকটেন উৎপাদন অব্যাহত রেখেছে। সেখানেও কোনো সংকটের খবর নেই।

এদিকে জ্বালানির ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে যেকোনো সময় দেশের পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে— এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। রোববার রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারা দেশের পেট্রোল পাম্পগুলোর অবস্থা খুবই করুণ। কারণ তারা অয়েল কোম্পানিগুলো থেকে প্রতিদিন যে তেল পাচ্ছে, তা দিয়ে বর্তমানে ক্রেতাদের যে চাহিদা, সেটা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।