ঢাকা ০৯:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক

ইবি কর্মকর্তা সমিতির নির্বাচন, মঈদ –তোজাম পরিষদের ২০ দফা ইশতেহার

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) কর্মকর্তা সমিতির ২০২৬–২৭ মেয়াদের নির্বাচনে মঈদ বাবুল–তোজাম পরিষদের ২০ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ইবি প্রেস কর্ণারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ইশতেহার প্রকাশ করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে পরিষদের নেতারা কর্মকর্তাদের বিভিন্ন দাবি, অধিকার ও উন্নয়নমূলক পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তারা বলেন, নির্বাচিত হলে কর্মকর্তাদের ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং প্রশাসনিক কাঠামোয় ইতিবাচক পরিবর্তন আনাই তাদের মূল লক্ষ্য।

ইশতেহারের উল্লেখযোগ্য দফাসমূহ হলো-

ইশতেহারে কর্মকর্তাদের অবসরের বয়সসীমা ৬২ বছর নির্ধারণ, বেতন স্কেলের অসংগতি দূর করা এবং অফিসের পূর্বের সময়সূচি পুনর্বহালের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি পদোন্নতির সময়সীমা নির্ধারণ, সাময়িক বরখাস্ত হওয়া ১১ কর্মকর্তার আদেশ প্রত্যাহার এবং ৪% লোনের সাথে করপোরেট লোনের সমন্বয় করণের জোর দেওয়া হয়।

এছাড়া অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জন্য আলাদা সেল গঠন, পদোন্নতি কার্যকর করার সময়সীমা ১ বছর করা এবং প্রশাসনিক কাঠামোয় টেকনিক্যাল ও নন-টেকনিক্যাল নীতিমালার সমন্বয়ের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

ইশতেহারে আরও বলা হয়, কর্মকর্তাদের পরীক্ষার পারিশ্রমিক বৃদ্ধি, ইমামদের পদোন্নতিতে বৈষম্য দূর করা এবং টেকনিক্যাল কর্মকর্তাদের নন-টেকনিক্যালদের মতো সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।

এছাড়া নতুন পদ সৃষ্টি, দেশ-বিদেশে প্রশিক্ষণের সুযোগ বৃদ্ধি, উন্নতমানের ক্যান্টিন ও মহিলা কর্মকর্তাদের জন্য নামাজ কক্ষ স্থাপন, পদমর্যাদা অনুযায়ী অফিস সরঞ্জাম সরবরাহ এবং বেনাভোলেন্ট ফান্ডের সুবিধা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে।

পরিষদটি আরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, দলমত নির্বিশেষে সকল কর্মকর্তা যেন নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশে চাকরি করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি কল্যাণ তহবিলের অর্থ যথাসময়ে পরিশোধের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সভাপতি পদপ্রার্থী আব্দুল মঈদ বাবুল বলেন, দীর্ঘ সময় নির্বাচন না হওয়ায় কর্মকর্তারা তাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। কর্মকর্তাদের জোরালো দাবির মুখেই মূলত এবারের নির্বাচনের আয়োজন এবং এতে ‘মঈদ বাবুল-তোজাম’ পরিষদ অংশগ্রহণ করছে। আমাদের ইশতেহারের প্রধান দাবি হলো কর্মকর্তাদের চাকরির মেয়াদকাল ৬২ বছর নিশ্চিত করা। নির্বাচিত হতে পারলে আমরা প্রশাসনের কাছে কর্মকর্তাদের সব ন্যায্য দাবি ও অধিকার আদায়ে সোচ্চার থাকব। কর্মকর্তা সমিতি হবে প্রতিটি কর্মকর্তার নিরাপদ আশ্রয়স্থল, যেখানে তাদের সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা একে অপরের ভাই। তাই সরকারি বা বিরোধী দল এ ধরনের কোনো ভেদাভেদ না রেখে সম্পূর্ণ নির্দলীয়ভাবে কর্মকর্তাদের কল্যাণে কাজ করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আমরা চাই সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে কর্মকর্তাদের অধিকার ও মর্যাদা সমুন্নত রাখতে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

ইবি কর্মকর্তা সমিতির নির্বাচন, মঈদ –তোজাম পরিষদের ২০ দফা ইশতেহার

প্রকাশের সময়ঃ ০৫:৪৭:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) কর্মকর্তা সমিতির ২০২৬–২৭ মেয়াদের নির্বাচনে মঈদ বাবুল–তোজাম পরিষদের ২০ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ইবি প্রেস কর্ণারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ইশতেহার প্রকাশ করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে পরিষদের নেতারা কর্মকর্তাদের বিভিন্ন দাবি, অধিকার ও উন্নয়নমূলক পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তারা বলেন, নির্বাচিত হলে কর্মকর্তাদের ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং প্রশাসনিক কাঠামোয় ইতিবাচক পরিবর্তন আনাই তাদের মূল লক্ষ্য।

ইশতেহারের উল্লেখযোগ্য দফাসমূহ হলো-

ইশতেহারে কর্মকর্তাদের অবসরের বয়সসীমা ৬২ বছর নির্ধারণ, বেতন স্কেলের অসংগতি দূর করা এবং অফিসের পূর্বের সময়সূচি পুনর্বহালের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি পদোন্নতির সময়সীমা নির্ধারণ, সাময়িক বরখাস্ত হওয়া ১১ কর্মকর্তার আদেশ প্রত্যাহার এবং ৪% লোনের সাথে করপোরেট লোনের সমন্বয় করণের জোর দেওয়া হয়।

এছাড়া অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জন্য আলাদা সেল গঠন, পদোন্নতি কার্যকর করার সময়সীমা ১ বছর করা এবং প্রশাসনিক কাঠামোয় টেকনিক্যাল ও নন-টেকনিক্যাল নীতিমালার সমন্বয়ের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

ইশতেহারে আরও বলা হয়, কর্মকর্তাদের পরীক্ষার পারিশ্রমিক বৃদ্ধি, ইমামদের পদোন্নতিতে বৈষম্য দূর করা এবং টেকনিক্যাল কর্মকর্তাদের নন-টেকনিক্যালদের মতো সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।

এছাড়া নতুন পদ সৃষ্টি, দেশ-বিদেশে প্রশিক্ষণের সুযোগ বৃদ্ধি, উন্নতমানের ক্যান্টিন ও মহিলা কর্মকর্তাদের জন্য নামাজ কক্ষ স্থাপন, পদমর্যাদা অনুযায়ী অফিস সরঞ্জাম সরবরাহ এবং বেনাভোলেন্ট ফান্ডের সুবিধা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে।

পরিষদটি আরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, দলমত নির্বিশেষে সকল কর্মকর্তা যেন নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশে চাকরি করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি কল্যাণ তহবিলের অর্থ যথাসময়ে পরিশোধের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সভাপতি পদপ্রার্থী আব্দুল মঈদ বাবুল বলেন, দীর্ঘ সময় নির্বাচন না হওয়ায় কর্মকর্তারা তাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। কর্মকর্তাদের জোরালো দাবির মুখেই মূলত এবারের নির্বাচনের আয়োজন এবং এতে ‘মঈদ বাবুল-তোজাম’ পরিষদ অংশগ্রহণ করছে। আমাদের ইশতেহারের প্রধান দাবি হলো কর্মকর্তাদের চাকরির মেয়াদকাল ৬২ বছর নিশ্চিত করা। নির্বাচিত হতে পারলে আমরা প্রশাসনের কাছে কর্মকর্তাদের সব ন্যায্য দাবি ও অধিকার আদায়ে সোচ্চার থাকব। কর্মকর্তা সমিতি হবে প্রতিটি কর্মকর্তার নিরাপদ আশ্রয়স্থল, যেখানে তাদের সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা একে অপরের ভাই। তাই সরকারি বা বিরোধী দল এ ধরনের কোনো ভেদাভেদ না রেখে সম্পূর্ণ নির্দলীয়ভাবে কর্মকর্তাদের কল্যাণে কাজ করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আমরা চাই সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে কর্মকর্তাদের অধিকার ও মর্যাদা সমুন্নত রাখতে।