ঢাকা ০৯:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর বিল নিয়ে সমঝোতা ভঙ্গের অভিযোগ বিরোধী দলের

শুক্রবার মাগরিবের নামাজের বিরতির পরে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে এ অভিযোগ করেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর বিল পাসকে কেন্দ্র করে সরকারি দলের বিরুদ্ধে সমঝোতা ভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে বিরোধী দল। এ বিষয়ে বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম দাবি করেছেন, পূর্বনির্ধারিত ঐকমত্য উপেক্ষা করে শেষ মুহূর্তে সংশোধনী এনে বিলটি পাস করা হয়েছে।

শুক্রবার মাগরিবের নামাজের বিরতির পর সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এ অভিযোগ উত্থাপন করেন। এর আগে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।

নাহিদ ইসলাম বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা বিভিন্ন অধ্যাদেশ পর্যালোচনার জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছিল, যেখানে মোট ৯৮টি বিল নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে ঐকমত্য তৈরি হয়। ওই তালিকায় জুলাই স্মৃতি জাদুঘর বিলও ছিল এবং এটি মূল অধ্যাদেশের ভাষ্য অনুযায়ীই পাস হওয়ার কথা ছিল।

তার অভিযোগ, বিলটি সংসদে তোলার মাত্র আধাঘণ্টা আগে একটি সংশোধনী আনা হয়, যা পূর্ব সমঝোতার পরিপন্থী। “যে বিলগুলোতে আমরা সম্মত ছিলাম, সেগুলোতে সংশোধনী না আনার একটি রাজনৈতিক বোঝাপড়া ছিল। কিন্তু সরকার সেই সমঝোতা রক্ষা করেনি,” বলেন তিনি।

বিরোধী দলের এই নেতা আরও বলেন, সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা ও মতামত দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করার জন্যই এই ধরনের সমঝোতা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু সেই সুযোগ ক্ষুণ্ন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রস্তাবিত জাদুঘরটি একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান, যেখানে দীর্ঘ সময়ের রাজনৈতিক আন্দোলন ও সংগ্রামের স্মৃতি সংরক্ষণের কথা রয়েছে। তবে এর পরিচালনায় রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, জাদুঘরটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অধীনেই পরিচালিত হওয়ার কথা, তাই এর নেতৃত্বে মন্ত্রীকে বসানোর প্রস্তাবকে তিনি অপ্রয়োজনীয় মনে করেন। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধির যে প্রবণতার অভিযোগ রয়েছে, সেটির প্রতিফলন এখানেও দেখা যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর বিল নিয়ে সমঝোতা ভঙ্গের অভিযোগ বিরোধী দলের

প্রকাশের সময়ঃ ০৯:২৯:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর বিল পাসকে কেন্দ্র করে সরকারি দলের বিরুদ্ধে সমঝোতা ভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে বিরোধী দল। এ বিষয়ে বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম দাবি করেছেন, পূর্বনির্ধারিত ঐকমত্য উপেক্ষা করে শেষ মুহূর্তে সংশোধনী এনে বিলটি পাস করা হয়েছে।

শুক্রবার মাগরিবের নামাজের বিরতির পর সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এ অভিযোগ উত্থাপন করেন। এর আগে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।

নাহিদ ইসলাম বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা বিভিন্ন অধ্যাদেশ পর্যালোচনার জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছিল, যেখানে মোট ৯৮টি বিল নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে ঐকমত্য তৈরি হয়। ওই তালিকায় জুলাই স্মৃতি জাদুঘর বিলও ছিল এবং এটি মূল অধ্যাদেশের ভাষ্য অনুযায়ীই পাস হওয়ার কথা ছিল।

তার অভিযোগ, বিলটি সংসদে তোলার মাত্র আধাঘণ্টা আগে একটি সংশোধনী আনা হয়, যা পূর্ব সমঝোতার পরিপন্থী। “যে বিলগুলোতে আমরা সম্মত ছিলাম, সেগুলোতে সংশোধনী না আনার একটি রাজনৈতিক বোঝাপড়া ছিল। কিন্তু সরকার সেই সমঝোতা রক্ষা করেনি,” বলেন তিনি।

বিরোধী দলের এই নেতা আরও বলেন, সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা ও মতামত দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করার জন্যই এই ধরনের সমঝোতা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু সেই সুযোগ ক্ষুণ্ন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রস্তাবিত জাদুঘরটি একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান, যেখানে দীর্ঘ সময়ের রাজনৈতিক আন্দোলন ও সংগ্রামের স্মৃতি সংরক্ষণের কথা রয়েছে। তবে এর পরিচালনায় রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, জাদুঘরটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অধীনেই পরিচালিত হওয়ার কথা, তাই এর নেতৃত্বে মন্ত্রীকে বসানোর প্রস্তাবকে তিনি অপ্রয়োজনীয় মনে করেন। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধির যে প্রবণতার অভিযোগ রয়েছে, সেটির প্রতিফলন এখানেও দেখা যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।