ঢাকা ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়
চলতি বছরে মোট ৫৬২

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাড়ছে সন্দেহজনক হাম রোগী: হাসপাতালে ভর্তি ৬৭

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হামের রোগীদের সেবায় স্বাস্থ্যকর্মীরা।ফাইল ছবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে দিন দিন বাড়ছে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে হাসপাতালে মোট ৬৭ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন, যাদের মধ্যে ছেলে ৩৩ জন এবং মেয়ে ৩৪ জন।

শনিবার (১১ এপ্রিল ২০২৬) পর্যন্ত হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এদিন নতুন করে ২৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে ছেলে ১২ জন এবং মেয়ে ১৭ জন। একই দিনে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৬ জন, যার মধ্যে ছেলে ৮ জন ও মেয়ে ৮ জন। এছাড়া গুরুতর অবস্থার কারণে একজন নারী রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র রেফার করা হয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রেস রিলিজের মাধ্যমে  জানায়, পূর্বে ভর্তি থাকা রোগীর সংখ্যা ছিল ৫৫ জন (ছেলে ২৯, মেয়ে ২৬)। নতুন ভর্তি ও ছাড়পত্রের হিসাব মিলিয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৭ জন।

চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত (১ জানুয়ারি থেকে ১১ এপ্রিল ২০২৬) মোট ৫৬২ জন সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো: আব্দুস সামাদ  জানান, হাম একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সময়মতো টিকা গ্রহণ ও সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এই রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি থাকায় অভিভাবকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালের সেবা ব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এদিকে স্থানীয় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। তাই সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং শিশুদের নিয়মিত টিকা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

চলতি বছরে মোট ৫৬২

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাড়ছে সন্দেহজনক হাম রোগী: হাসপাতালে ভর্তি ৬৭

প্রকাশের সময়ঃ ১১:০০:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে দিন দিন বাড়ছে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে হাসপাতালে মোট ৬৭ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন, যাদের মধ্যে ছেলে ৩৩ জন এবং মেয়ে ৩৪ জন।

শনিবার (১১ এপ্রিল ২০২৬) পর্যন্ত হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এদিন নতুন করে ২৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে ছেলে ১২ জন এবং মেয়ে ১৭ জন। একই দিনে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৬ জন, যার মধ্যে ছেলে ৮ জন ও মেয়ে ৮ জন। এছাড়া গুরুতর অবস্থার কারণে একজন নারী রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র রেফার করা হয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রেস রিলিজের মাধ্যমে  জানায়, পূর্বে ভর্তি থাকা রোগীর সংখ্যা ছিল ৫৫ জন (ছেলে ২৯, মেয়ে ২৬)। নতুন ভর্তি ও ছাড়পত্রের হিসাব মিলিয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৭ জন।

চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত (১ জানুয়ারি থেকে ১১ এপ্রিল ২০২৬) মোট ৫৬২ জন সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো: আব্দুস সামাদ  জানান, হাম একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সময়মতো টিকা গ্রহণ ও সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এই রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি থাকায় অভিভাবকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালের সেবা ব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এদিকে স্থানীয় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। তাই সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং শিশুদের নিয়মিত টিকা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।