ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক

পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে ২ কোটি মানুষের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করবে রূপপুর

সংগৃহীত ছবি।

দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জ্বালানি খাতে নতুন এক মাইলফলকে পৌঁছাতে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, কেন্দ্রটির দুই ইউনিট পূর্ণমাত্রায় চালু হলে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে, যার মধ্যে প্রায় ২ হাজার ২০০ মেগাওয়াট জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়ে প্রায় ২ কোটি মানুষের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখবে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী আগস্টের মাঝামাঝি থেকে শেষ সপ্তাহের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পরবর্তী দুই মাসে তা ৫০০ মেগাওয়াটে উন্নীত হতে পারে।

কর্তৃপক্ষের আশা, চলতি বছরের শেষ দিকে বা ২০২৭ সালের শুরুতে প্রথম ইউনিট থেকে ১ হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ সম্ভব হবে। একই সঙ্গে দ্বিতীয় ইউনিটও উৎপাদন পর্যায়ে নেওয়ার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ২০২৭ সালের মধ্যে কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করতে পারবে।

নীতিনির্ধারকরা বলছেন, রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন নয়, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, শিল্পায়ন ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতায়ও নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। পারমাণবিক শক্তির ব্যবহারকারী দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তিও এ প্রকল্পের অন্যতম বড় অর্জন।রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় একক উন্নয়ন প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত। প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন এই প্রকল্পে আর্থিক, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া।

প্রকল্প ব্যয়ের প্রায় ৯০ শতাংশ ঋণ সহায়তা হিসেবে দিচ্ছে দেশটি, যা দীর্ঘমেয়াদে পরিশোধযোগ্য। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রোসাটমের তত্ত্বাবধানে প্রকল্পের নির্মাণকাজ পরিচালিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রূপপুর চালু হলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি খাতে নির্ভরতার নতুন ভিত্তি তৈরি হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে ২ কোটি মানুষের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করবে রূপপুর

প্রকাশের সময়ঃ ০২:৩৮:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জ্বালানি খাতে নতুন এক মাইলফলকে পৌঁছাতে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, কেন্দ্রটির দুই ইউনিট পূর্ণমাত্রায় চালু হলে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে, যার মধ্যে প্রায় ২ হাজার ২০০ মেগাওয়াট জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়ে প্রায় ২ কোটি মানুষের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখবে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী আগস্টের মাঝামাঝি থেকে শেষ সপ্তাহের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পরবর্তী দুই মাসে তা ৫০০ মেগাওয়াটে উন্নীত হতে পারে।

কর্তৃপক্ষের আশা, চলতি বছরের শেষ দিকে বা ২০২৭ সালের শুরুতে প্রথম ইউনিট থেকে ১ হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ সম্ভব হবে। একই সঙ্গে দ্বিতীয় ইউনিটও উৎপাদন পর্যায়ে নেওয়ার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ২০২৭ সালের মধ্যে কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করতে পারবে।

নীতিনির্ধারকরা বলছেন, রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন নয়, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, শিল্পায়ন ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতায়ও নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। পারমাণবিক শক্তির ব্যবহারকারী দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তিও এ প্রকল্পের অন্যতম বড় অর্জন।রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় একক উন্নয়ন প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত। প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন এই প্রকল্পে আর্থিক, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া।

প্রকল্প ব্যয়ের প্রায় ৯০ শতাংশ ঋণ সহায়তা হিসেবে দিচ্ছে দেশটি, যা দীর্ঘমেয়াদে পরিশোধযোগ্য। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রোসাটমের তত্ত্বাবধানে প্রকল্পের নির্মাণকাজ পরিচালিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রূপপুর চালু হলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি খাতে নির্ভরতার নতুন ভিত্তি তৈরি হবে।