ঢাকা ০৮:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক

‘চট্টগ্রাম পানিতে ভাসছে না, শহর সুন্দর আছে’- জলাবদ্ধতা নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর দাবি

গত কাল বুধবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় প্রবর্তক মোড়ের জলাবদ্ধ এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, চট্টগ্রাম পানির নিচে তলিয়ে যায়নি, বরং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তার ভাষ্য, অতিবৃষ্টিতে কিছু এলাকায় সাময়িক পানি জমলেও তা দ্রুত নিষ্কাশন হয়েছে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নগরের প্রবর্তক মোড় এলাকার জলাবদ্ধতা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সম্প্রতি কয়েক ঘণ্টার টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের পুরনো জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকার পাশাপাশি নতুন কিছু এলাকাও প্লাবিত হয়। বিশেষ করে প্রবর্তক মোড় ও আশপাশের এলাকায় পানি জমে ভোগান্তি তৈরি হয়। তবে পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পুরো নগরী জলমগ্ন-এমন ধারণা বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু প্রতিবেদনে চট্টগ্রাম শহর পানির ওপর ভাসছে বলে যে চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, বাস্তবে তেমন অবস্থা তিনি দেখেননি। তার মতে, সীমিত কিছু এলাকায় পানি জমলেও তা পুরো নগরীর চিত্র নয়।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, নগরীর ৬০ কিলোমিটার আয়তনের তুলনায় জলাবদ্ধতার প্রভাব খুব সীমিত এলাকায় ছিল। তিনি নিজে হেঁটে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছেন বলেও জানান।জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরে তিনি বলেন, চট্টগ্রামের ৩৬টি খাল সংস্কার ও পুনঃখননের কাজের বড় অংশ শেষ হয়েছে। তার দাবি, ৩০টি খালের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকি কয়েকটির কাজও এমন পর্যায়ে আছে, যাতে পানি প্রবাহে বড় বাধা সৃষ্টি হবে না।প্রকল্প বাস্তবায়নে সময়সীমা একাধিকবার বাড়ানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রকৌশল ও বাস্তবায়নজনিত নানা কারণে সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্তমানে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, চলমান কাজ শেষ হলে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

‘চট্টগ্রাম পানিতে ভাসছে না, শহর সুন্দর আছে’- জলাবদ্ধতা নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর দাবি

প্রকাশের সময়ঃ ০১:৪৫:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, চট্টগ্রাম পানির নিচে তলিয়ে যায়নি, বরং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তার ভাষ্য, অতিবৃষ্টিতে কিছু এলাকায় সাময়িক পানি জমলেও তা দ্রুত নিষ্কাশন হয়েছে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নগরের প্রবর্তক মোড় এলাকার জলাবদ্ধতা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সম্প্রতি কয়েক ঘণ্টার টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের পুরনো জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকার পাশাপাশি নতুন কিছু এলাকাও প্লাবিত হয়। বিশেষ করে প্রবর্তক মোড় ও আশপাশের এলাকায় পানি জমে ভোগান্তি তৈরি হয়। তবে পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পুরো নগরী জলমগ্ন-এমন ধারণা বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু প্রতিবেদনে চট্টগ্রাম শহর পানির ওপর ভাসছে বলে যে চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, বাস্তবে তেমন অবস্থা তিনি দেখেননি। তার মতে, সীমিত কিছু এলাকায় পানি জমলেও তা পুরো নগরীর চিত্র নয়।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, নগরীর ৬০ কিলোমিটার আয়তনের তুলনায় জলাবদ্ধতার প্রভাব খুব সীমিত এলাকায় ছিল। তিনি নিজে হেঁটে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছেন বলেও জানান।জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরে তিনি বলেন, চট্টগ্রামের ৩৬টি খাল সংস্কার ও পুনঃখননের কাজের বড় অংশ শেষ হয়েছে। তার দাবি, ৩০টি খালের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকি কয়েকটির কাজও এমন পর্যায়ে আছে, যাতে পানি প্রবাহে বড় বাধা সৃষ্টি হবে না।প্রকল্প বাস্তবায়নে সময়সীমা একাধিকবার বাড়ানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রকৌশল ও বাস্তবায়নজনিত নানা কারণে সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্তমানে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, চলমান কাজ শেষ হলে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে।