ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক

আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই বাধ্যতামূলক খেলাধুলা: প্রাথমিক-মাধ্যমিকে আসছে বড় পরিবর্তন

সোমবার (৪ মে) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অনুষ্ঠিত আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অ্যাথলেটিকস ও বাস্কেটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান।

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তিনি জানিয়েছেন, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই চতুর্থ শ্রেণি থেকে শুরু করে মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্য খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা হবে। একইসঙ্গে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সোমবার (৪ মে) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অনুষ্ঠিত আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অ্যাথলেটিকস ও বাস্কেটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “শুধু পাঠ্যপুস্তকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশ সম্ভব নয়। তাই প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিকের সর্বোচ্চ স্তর পর্যন্ত খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করা হবে, যাতে শারীরিক ও মানসিক বিকাশ সমানভাবে নিশ্চিত হয়।”

তিনি আরও জানান, তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় গড়ে তুলতে ইতোমধ্যে তিন শতাধিক ক্রীড়া কার্ড প্রদান করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এই কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়েও খেলাধুলার বিস্তার ঘটাতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাবলিক ও প্রাইভেট—সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট বিভাগ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া কর্মকর্তা নিয়োগের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে খেলাধুলাকে আরও গতিশীল করা হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

এবারের আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় দেশের ২১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। মোট ৩০টি ইভেন্টে প্রতিযোগীরা অংশগ্রহণ করে, যা ক্যাম্পাসজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্রীড়াচর্চা বাড়বে এবং ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই বাধ্যতামূলক খেলাধুলা: প্রাথমিক-মাধ্যমিকে আসছে বড় পরিবর্তন

প্রকাশের সময়ঃ ০১:১৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তিনি জানিয়েছেন, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই চতুর্থ শ্রেণি থেকে শুরু করে মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্য খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা হবে। একইসঙ্গে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সোমবার (৪ মে) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অনুষ্ঠিত আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অ্যাথলেটিকস ও বাস্কেটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “শুধু পাঠ্যপুস্তকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশ সম্ভব নয়। তাই প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিকের সর্বোচ্চ স্তর পর্যন্ত খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করা হবে, যাতে শারীরিক ও মানসিক বিকাশ সমানভাবে নিশ্চিত হয়।”

তিনি আরও জানান, তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় গড়ে তুলতে ইতোমধ্যে তিন শতাধিক ক্রীড়া কার্ড প্রদান করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এই কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়েও খেলাধুলার বিস্তার ঘটাতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাবলিক ও প্রাইভেট—সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট বিভাগ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া কর্মকর্তা নিয়োগের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে খেলাধুলাকে আরও গতিশীল করা হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

এবারের আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় দেশের ২১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। মোট ৩০টি ইভেন্টে প্রতিযোগীরা অংশগ্রহণ করে, যা ক্যাম্পাসজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্রীড়াচর্চা বাড়বে এবং ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।