ঢাকা ১২:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ বাতিলের দাবিতে বেরোবিতে বিক্ষোভ ‘যতদিন চলার শক্তি থাকবে, জাতির প্রয়োজনে মাঠে থাকব’- জামায়াত আমির নবীগঞ্জে বাস-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষ, প্রাণ গেল ৩ জনের কমিটির হাতে দেওয়ার প্রতিবাদে বৃষ্টিতে ডাকসুর বিক্ষোভ ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ- নাচোল ইউএনও অফিসে বিএনপির তালা জামালপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, সহকারী জজ নিহত ১৭ বছরের শাসনে দেশ ঋণ ও আমদানিনির্ভর হয়েছে- প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু এসএসসির ফলে একটি বিষয়ে অকৃতকার্য, শিবগঞ্জে শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী- চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রস্তুতি সভা

ইবিতে পোষ্য কোটা বাতিল ও সার্টিফিকেট হয়রানি বন্ধের দাবিতে বৈবিছাআ নেতার আমরণ অনশন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে চার দফা দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম সদস্য সচিব বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ। ছবি: দৈনিক অধিকার

পোষ্য কোটা বাতিল, সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি বন্ধসহ চার দফা দাবিতে আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ। শনিবার (২০ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে এই কর্মসূচি শুরু হয়। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অনশন অব্যাহত রাখার দৃঢ় ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

অনশনকারীর চার দফা দাবি হলো: বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যমান পোষ্য কোটা অবিলম্বে বাতিল করা; পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক ও অশোভন আচরণ বন্ধ করা; সার্টিফিকেট উত্তোলনে চলমান হয়রানি স্থায়ীভাবে বন্ধ করা এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা সব অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক ফি হ্রাস করা।

অনশন চলাকালে প্রশাসন ভবনের গেটে বিভিন্ন দাবি সংবলিত পোস্টার প্রদর্শন করা হয়। পোস্টারে লেখা ছিল — ‘যোগ্যতার জয় হোক, পোষ্য কোটা রোধ হোক’, ‘অযৌক্তিক ভর্তি ফি বাতিল চাই’ এবং ‘সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি বাতিল চাই’।

অনশনরত বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ বলেন, জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল কোটা বাতিলের দাবিকে কেন্দ্র করে। সেই আন্দোলনে অনেক মূল্যবান প্রাণ ঝরে গিয়েছিল এবং হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছিল। সেই আত্মত্যাগের পথ ধরে দেশে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের পোষ্য কোটা এখনো বহাল রয়েছে। পূর্ববর্তী প্রশাসন এই বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা বাতিলের চেষ্টা করেও শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রতিরোধের মুখে সফল হতে পারেনি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ে শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত হেনস্থার শিকার হচ্ছেন। সাধারণ কাজে গেলেও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অসম্মানজনক আচরণ করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ছাড়া সার্টিফিকেট তোলার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বারবার ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। এই চার দফা দাবি সম্পূর্ণ পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তিনি অনশন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।


জনপ্রিয় সংবাদ

ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ বাতিলের দাবিতে বেরোবিতে বিক্ষোভ

ইবিতে পোষ্য কোটা বাতিল ও সার্টিফিকেট হয়রানি বন্ধের দাবিতে বৈবিছাআ নেতার আমরণ অনশন

প্রকাশের সময়ঃ ১০:০০:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

পোষ্য কোটা বাতিল, সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি বন্ধসহ চার দফা দাবিতে আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ। শনিবার (২০ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে এই কর্মসূচি শুরু হয়। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অনশন অব্যাহত রাখার দৃঢ় ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

অনশনকারীর চার দফা দাবি হলো: বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যমান পোষ্য কোটা অবিলম্বে বাতিল করা; পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক ও অশোভন আচরণ বন্ধ করা; সার্টিফিকেট উত্তোলনে চলমান হয়রানি স্থায়ীভাবে বন্ধ করা এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা সব অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক ফি হ্রাস করা।

অনশন চলাকালে প্রশাসন ভবনের গেটে বিভিন্ন দাবি সংবলিত পোস্টার প্রদর্শন করা হয়। পোস্টারে লেখা ছিল — ‘যোগ্যতার জয় হোক, পোষ্য কোটা রোধ হোক’, ‘অযৌক্তিক ভর্তি ফি বাতিল চাই’ এবং ‘সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি বাতিল চাই’।

অনশনরত বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ বলেন, জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল কোটা বাতিলের দাবিকে কেন্দ্র করে। সেই আন্দোলনে অনেক মূল্যবান প্রাণ ঝরে গিয়েছিল এবং হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছিল। সেই আত্মত্যাগের পথ ধরে দেশে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের পোষ্য কোটা এখনো বহাল রয়েছে। পূর্ববর্তী প্রশাসন এই বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা বাতিলের চেষ্টা করেও শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রতিরোধের মুখে সফল হতে পারেনি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ে শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত হেনস্থার শিকার হচ্ছেন। সাধারণ কাজে গেলেও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অসম্মানজনক আচরণ করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ছাড়া সার্টিফিকেট তোলার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বারবার ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। এই চার দফা দাবি সম্পূর্ণ পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তিনি অনশন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।