
বিগত ১৭ বছরের শাসনামলে দেশ ঋণ ও আমদানিনির্ভর অর্থনীতির দিকে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়ন কোনো একটি মন্ত্রণালয় বা বিভাগের একক প্রচেষ্টায় সম্ভব নয়। এ জন্য রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরের সমন্বিত সহযোগিতা প্রয়োজন।
সোমবার (১০ আগস্ট) এসডিজি বাস্তবায়নবিষয়ক তৃতীয় জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সম্মেলনে টেকসই উন্নয়নের স্থানীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ‘এসডিজি ভিলেজ’ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের তিনটি গ্রামকে এই উদ্যোগের আওতায় এনে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি পরীক্ষামূলকভাবে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
প্রথম ধাপে এসডিজি ভিলেজ পাইলট প্রকল্পের জন্য নির্বাচিত হয়েছে রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার মিতিঙ্গাছড়ি, খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী এবং দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর গ্রাম।
প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনে যোগ দিয়ে তিনটি গ্রামকে এসডিজি পাইলট মডেলের আওতায় আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত করেন।
তারেক রহমান বলেন, নির্বাচিত তিনটি গ্রামের কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা ও সাফল্য মূল্যায়ন করে পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য গ্রামকেও এই উদ্যোগের আওতায় আনা হবে।
‘এসডিজি ভিলেজ’ উদ্যোগের সম্ভাবনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই কর্মসূচি সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি উন্নয়ন মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।
তিনি বলেন, আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনায় সরকারের লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গি পরিষ্কার। একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক ও প্রকৃত কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই বর্তমান সরকারের মূল উদ্দেশ্য।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এসডিজির নির্ধারিত লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নে সরকারের পাশাপাশি প্রশাসন, স্থানীয় প্রতিষ্ঠান ও সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষের সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন। দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে উন্নয়ন কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অধিকার ডেস্কঃ 
























