
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন শাখা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের নবগঠিত কমিটির নেতাকর্মীরা। শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি ইসমাইল হোসেন রাহাত, সহ-সভাপতি ইমরান হোসেন ও ইসমাইল তাকবীর, প্রশিক্ষণ ও দাওয়াহ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, তথ্য গবেষণা ও প্রচার সম্পাদক হাবিব আল মিজবাহসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
সাক্ষাৎকালে উপাচার্যকে সংগঠনের একটি প্রকাশনা উপহার দেন তারা। পাশাপাশি সাজিদ আব্দুল্লাহ হত্যার রহস্য উন্মোচন ও দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণ, শিক্ষার্থীদের ভর্তি ও সনদ উত্তোলন প্রক্রিয়ায় জটিলতা কমানো এবং জুলাই ফেস্টে মানসম্মত খাবার সরবরাহসহ আবাসিক-অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য অভিন্ন টোকেন ফি নির্ধারণের দাবি জানান তারা।
এ প্রসঙ্গে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, “ক্যাম্পাসের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমরা ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। আশা করছি, সাজিদ আব্দুল্লাহর মৃত্যুরহস্য অচিরেই উন্মোচিত হবে। শিক্ষার্থীদের ভর্তি প্রক্রিয়ার জটিলতা নিরসনে চলতি বছর থেকে ওয়ান স্টেপ পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। সনদসহ অন্যান্য কাগজপত্র উত্তোলন প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় শিগগিরই ডিজিটালাইজেশন কার্যক্রম শুরু করা হবে।”
জুলাই ফেস্টে আবাসিক-অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য অভিন্ন টোকেন ফি নির্ধারণের বিষয়ে তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট সীমাবদ্ধতার কারণে সবকিছু বাস্তবায়ন করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হয় না। তাই এ বছর আবাসিক ও অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জুলাই ফেস্টের টোকেন মূল্যে কিছুটা পার্থক্য রাখা হয়েছে। এটি কোনো বৈষম্য নয়, কারণ আবাসিক শিক্ষার্থীরা হল প্রশাসনকে বিভিন্ন ধরনের ফি প্রদান করে থাকেন। এ কারণেই তাদের থেকে টোকেন ফি কিছুটা কম নেওয়া হচ্ছে।”
ইবি প্রতিনিধিঃ 





















