
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, মাদক নির্মূলকে সফল করতে হলে এটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে। এ লক্ষ্যে রাজনৈতিক দল, সাংবাদিক, শিক্ষক, অভিভাবক এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগের বিকল্প নেই।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে সংবাদমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি মাদক ব্যবসা ও এর সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি আরও বলেন, মাদক নির্মূলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এ জন্য যা যা প্রয়োজন, তা বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। বিদ্যমান আইন যথাযথভাবে প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।
মাদকবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষক, অভিভাবক, সচেতন নাগরিক এবং তরুণ সমাজকে আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
পরে তিনি ঠাকুরগাঁও পৌরসভা পরিদর্শন করেন। এ সময় পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং পৌরসভার নতুন ভবন নির্মাণের জন্য নির্ধারিত স্থান ঘুরে দেখেন। পরিদর্শন শেষে পৌরসভা চত্বরে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হারুন অর রশিদসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং জেলা বিএনপির নেতারা।
অধিকার ডেস্ক: 

























