ঢাকা ০৩:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
বাগেরহাটে নসিমনের সঙ্গে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩ গাজীপুরে চকলেটের প্রলোভনে শিশু অপহরণচেষ্টা, আনসার সদস্যদের তৎপরতায় উদ্ধার লক্ষ্মীপুরে যুবদলকর্মীকে অচেতন করে ব্লেড দিয়ে শরীরে জখম দেশের অর্থনীতি একাধিক চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী নিজেদের কর্মকাণ্ডের জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহি করা সরকারের দায়িত্ব: ড. মঈন খান ভৈরবে প্রবাসী যুবকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও চাঁদা দাবির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন গাজীপুরে পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৭০ জনকে উদ্ধার পাবনায় রাসায়নিকে তৈরি হচ্ছে নকল দুধ! গোবরাতলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান সিলেটে ডেঙ্গু নিয়ে বাড়ছে আতঙ্ক

গাইবান্ধায় বিরোধের জেরে জমির ধান পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ১২:৩৩:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১২৬৬ Time View

গাইবান্ধার সাঘাটায় বিষাক্ত স্প্রেতে পুড়ে যাওয়া ধানক্ষেত পরিদর্শন করছেন কৃষি কর্মকর্তা।সংগৃহীত ছবি

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার রামনগর গ্রামে একটি ধান ক্ষেতে বিষাক্ত স্প্রে প্রয়োগ করে দেড় বিঘা জমির ধান গাছ পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সাঘাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও জমির মালিক আনিছুর রহমান।

জানা যায়, ধান গাছগুলো শুকিয়ে হলুদ বর্ণ ধারণ করায় প্রথমে স্থানীয়দের নজরে আসে বিষয়টি। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সাঘাটা উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোছা. নার্গিস আক্তার লাকি।

স্থানীয়রা জানান, সাঘাটা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের কৃষক আনিছুর রহমানের জমির ধান বুধবার সকাল থেকে হলুদ বর্ণ ধারণ করতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা জমিতে গিয়ে দেখতে পান, রাতের আঁধারে জমিতে বিষাক্ত স্প্রে করার ফলে ধানক্ষেত পুড়ে গেছে। এরপর স্থানীয়দের খবরে সাঘাটা উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোছা. নার্গিস আক্তার লাকি ঘটনাস্থলে গিয়ে জমি পরিদর্শন করেন।

জমির মালিক আনিছুর রহমান জানান, তার জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রামের আমিরুল ইসলামের সঙ্গে বিরোধ চলছে। তিনি বলেন, ধান রোপণের পরদিনও একবার তার জমির ধান উপড়ে ফেলা হয়েছিল। আমিরুল ইসলাম তাকে হত্যার হুমকিসহ জমির ধান নষ্ট করার হুমকি দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ করে তিনি জানান, এই প্রেক্ষাপটে গত ১২ সেপ্টেম্বর তিনি পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগও দিয়েছিলেন। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

সাঘাটা উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোছা. নার্গিস আক্তার লাকি বলেন, গতকালও তিনি জমির ধান সুস্থ ও ভালো অবস্থায় দেখেছিলেন। ঘটনাটি জানার পর আজ তিনি দুটি জমি পরিদর্শন করেছেন এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে তা কৃষি অফিসকে অবগত করা হবে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুব রহমান বলেন, এখনো এই ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে নসিমনের সঙ্গে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩

গাইবান্ধায় বিরোধের জেরে জমির ধান পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশের সময়ঃ ১২:৩৩:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার রামনগর গ্রামে একটি ধান ক্ষেতে বিষাক্ত স্প্রে প্রয়োগ করে দেড় বিঘা জমির ধান গাছ পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সাঘাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও জমির মালিক আনিছুর রহমান।

জানা যায়, ধান গাছগুলো শুকিয়ে হলুদ বর্ণ ধারণ করায় প্রথমে স্থানীয়দের নজরে আসে বিষয়টি। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সাঘাটা উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোছা. নার্গিস আক্তার লাকি।

স্থানীয়রা জানান, সাঘাটা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের কৃষক আনিছুর রহমানের জমির ধান বুধবার সকাল থেকে হলুদ বর্ণ ধারণ করতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা জমিতে গিয়ে দেখতে পান, রাতের আঁধারে জমিতে বিষাক্ত স্প্রে করার ফলে ধানক্ষেত পুড়ে গেছে। এরপর স্থানীয়দের খবরে সাঘাটা উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোছা. নার্গিস আক্তার লাকি ঘটনাস্থলে গিয়ে জমি পরিদর্শন করেন।

জমির মালিক আনিছুর রহমান জানান, তার জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রামের আমিরুল ইসলামের সঙ্গে বিরোধ চলছে। তিনি বলেন, ধান রোপণের পরদিনও একবার তার জমির ধান উপড়ে ফেলা হয়েছিল। আমিরুল ইসলাম তাকে হত্যার হুমকিসহ জমির ধান নষ্ট করার হুমকি দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ করে তিনি জানান, এই প্রেক্ষাপটে গত ১২ সেপ্টেম্বর তিনি পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগও দিয়েছিলেন। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

সাঘাটা উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোছা. নার্গিস আক্তার লাকি বলেন, গতকালও তিনি জমির ধান সুস্থ ও ভালো অবস্থায় দেখেছিলেন। ঘটনাটি জানার পর আজ তিনি দুটি জমি পরিদর্শন করেছেন এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে তা কৃষি অফিসকে অবগত করা হবে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুব রহমান বলেন, এখনো এই ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।