ঢাকা ০২:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
ডিসেম্বরের আগেই জাতীয় গ্রিডে রূপপুরের বিদ্যুৎ: বিজ্ঞানমন্ত্রী মজুরি কমিশন গঠন হয়েছে, এখন আন্দোলনের সুযোগ নেই: প্রতিমন্ত্রী টুকু মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনে অরাজকতার চেষ্টা, রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ডিএনসিসি প্রশাসকের শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে নারায়ণগঞ্জে ৫ প্লাটুন বিজিবি, সতর্ক বিএনপি নেতাকর্মীরাও মিরপুর-১১-তে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, যান চলাচল স্বাভাবিক; আটক ৪ এইচএসসিতে শূন্য পাস ২৯৩ প্রতিষ্ঠানে, শাস্তির মুখে শিক্ষক-প্রতিষ্ঠানপ্রধান গোপালগঞ্জে ইয়াবা-গাঁজা ও ১ লাখ ৬৯ হাজার টাকাসহ আটক ১ ডামুড্যায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হঠাৎ কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে ১১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

কুমিল্লায় নিখোঁজের চার দিন পর ধানক্ষেতে মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০২:৪৭:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২৭৪ Time View

কুমিল্লার লালমাইয়ে ধানক্ষেত থেকে জান্নাতুত তাজমীন নামে এক স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

কুমিল্লার লালমাইয়ে নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পর জান্নাতুত তাজমীন (১৫) নামে এক স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের জগতপুর (মানুমুড়া) এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

জান্নাতুত তাজমীন যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলা গ্রামের আবদুল আলীম ও কেয়া আক্তার দম্পতির মেয়ে। বাবার চাকরির সুবাদে সে পরিবারের সঙ্গে কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকায় থাকত। সে স্থানীয় ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা গেছে, চার দিন আগে এক বান্ধবীর বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয় তাজমীন। পরে ওই বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজারে বেড়াতে যায় সে। সেখান থেকে বুধবার রাতে কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা হয়েছিল তাজমীন।

পথে বাবাকে ফোন করে কান্নাজড়িত কণ্ঠে সে জানায়, দুর্বৃত্তরা তাকে আটকে রেখেছে। দ্রুত উদ্ধার করা না হলে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও জানায় সে। তবে কোথায় তাকে আটকে রাখা হয়েছে, তা বাবাকে বলতে পারেনি তাজমীন।

এরপর আবদুল আলীম একাধিকবার মেয়ের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও আর সাড়া পাননি। এতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। রাতেই মেয়ের সন্ধানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তিনি। পরদিন বৃহস্পতিবার ভোরে লালমাই থানায় গিয়ে মেয়ের মরদেহ শনাক্ত করেন আবদুল আলীম।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে ধানক্ষেতে এক তরুণীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন তারা। মরদেহের কাছেই একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। খবর পেয়ে লালমাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় শোকাহত বাবা আবদুল আলীম বলেন, রাতে ফোনে তাজমীন কান্নাকাটি করে তাকে উদ্ধারের আকুতি জানিয়েছিল। কিন্তু কোথায় আছে, তা জানাতে পারেনি। সকালে থানায় গিয়ে মেয়ের মরদেহ দেখতে হয়েছে বলে আক্ষেপ করেন তিনি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাজমীনকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহের ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া চলছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে পুলিশের একাধিক তদন্ত সংস্থা কাজ শুরু করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিসেম্বরের আগেই জাতীয় গ্রিডে রূপপুরের বিদ্যুৎ: বিজ্ঞানমন্ত্রী

কুমিল্লায় নিখোঁজের চার দিন পর ধানক্ষেতে মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ

প্রকাশের সময়ঃ ০২:৪৭:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

কুমিল্লার লালমাইয়ে নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পর জান্নাতুত তাজমীন (১৫) নামে এক স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের জগতপুর (মানুমুড়া) এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

জান্নাতুত তাজমীন যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলা গ্রামের আবদুল আলীম ও কেয়া আক্তার দম্পতির মেয়ে। বাবার চাকরির সুবাদে সে পরিবারের সঙ্গে কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকায় থাকত। সে স্থানীয় ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা গেছে, চার দিন আগে এক বান্ধবীর বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয় তাজমীন। পরে ওই বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজারে বেড়াতে যায় সে। সেখান থেকে বুধবার রাতে কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা হয়েছিল তাজমীন।

পথে বাবাকে ফোন করে কান্নাজড়িত কণ্ঠে সে জানায়, দুর্বৃত্তরা তাকে আটকে রেখেছে। দ্রুত উদ্ধার করা না হলে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও জানায় সে। তবে কোথায় তাকে আটকে রাখা হয়েছে, তা বাবাকে বলতে পারেনি তাজমীন।

এরপর আবদুল আলীম একাধিকবার মেয়ের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও আর সাড়া পাননি। এতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। রাতেই মেয়ের সন্ধানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তিনি। পরদিন বৃহস্পতিবার ভোরে লালমাই থানায় গিয়ে মেয়ের মরদেহ শনাক্ত করেন আবদুল আলীম।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে ধানক্ষেতে এক তরুণীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন তারা। মরদেহের কাছেই একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। খবর পেয়ে লালমাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় শোকাহত বাবা আবদুল আলীম বলেন, রাতে ফোনে তাজমীন কান্নাকাটি করে তাকে উদ্ধারের আকুতি জানিয়েছিল। কিন্তু কোথায় আছে, তা জানাতে পারেনি। সকালে থানায় গিয়ে মেয়ের মরদেহ দেখতে হয়েছে বলে আক্ষেপ করেন তিনি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাজমীনকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহের ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া চলছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে পুলিশের একাধিক তদন্ত সংস্থা কাজ শুরু করেছে।