
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পাঁচটি উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে। এ কাজে নিয়োজিত তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের আগেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত এলাকায় সংগ্রহকারীরা ঘরে ঘরে গিয়ে পরিবারগুলোর তথ্য সংগ্রহ করবেন।
জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রেস কনফারেন্স
সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহ বিষয়ক অবহিতকরণ’ শীর্ষক প্রেস কনফারেন্স হয়। সেখানে কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা কমিটির সভাপতি ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আনিসুর রহমান এবং সদর উপজেলা কমিটির সভাপতি ও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মারুফ আফজাল রাজন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক সিদ্দিকা সোহলী রশীদ, জেলা তথ্য অফিসার রুপ কুমার বর্মন, সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার কাঞ্চন কুমার দাস ও শহর সমাজসেবা অফিসার ইমতিয়াজ কবীর সুজন।
রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম, বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মো. ময়েজ উদ্দীন, লেখক-গীতিকার ও জেলা জাসাসের সভাপতি মোহাঃ জোনাব আলী, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মীম ফজলে আজিম, আব্দুর রহমান অনু ও সারওয়ার জাহানসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মাধ্যমের সংবাদকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

কর্মসূচির উদ্দেশ্য
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মূল লক্ষ্য পরিবারের নারীপ্রধানের নামে কার্ড দেওয়া। আর্থসামাজিক অবস্থা বিবেচনায় যোগ্য পরিবারগুলোকে সরকারি সহায়তার আওতায় আনার কথাও বলা হয়। এর মাধ্যমে প্রকৃত উপকারভোগী চিহ্নিত করা, স্বচ্ছতার সঙ্গে ভাতা বিতরণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
যেসব এলাকায় প্রথম পর্যায়ের কাজ
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, জেলার বিভিন্ন পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে প্রথম ধাপে কার্যক্রম চলছে:চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা: ৬, ১২ ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ড।সদর উপজেলা: বালিয়াডাঙ্গা ও দেবীনগর ইউনিয়ন।শিবগঞ্জ উপজেলা: নয়ালাভাঙ্গা ও পাঁকা ইউনিয়ন এবং শিবগঞ্জ। পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড।গোমস্তাপুর উপজেলা: আলীনগর, বাঙ্গাবাড়ী ও বোয়ালিয়া ইউনিয়ন।নাচোল উপজেলা: কসবা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড।ভোলাহাট উপজেলা: ভোলাহাট, গোহালবাড়ী ও দলদলী ইউনিয়ন।
ধাপে ধাপে সবাইকে আওতায় আনার আশ্বাস
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই উদ্যোগকে ‘মহতী উদ্যোগ’ আখ্যা দিয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমান বলেন, কর্মসূচি ধাপে ধাপে সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। অর্থাৎ প্রথম পর্যায়ের বাইরে থাকা বাসিন্দারাও পরবর্তী ধাপে এর আওতায় আসবেন।
তিনি তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সুষ্ঠু ও নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
স্থানীয় প্রশাসন ও সমাজসেবা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কাজ যেন সুষ্ঠুভাবে হয়, সে জন্য প্রশিক্ষিত জনবল মাঠে নামানো হয়েছে। এলাকাবাসী তথ্য সংগ্রহকারীদের সহযোগিতা করবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ 

















