ঢাকা ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
দুই পোশাক কারখানায় ১০২ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন একই সড়ক একদিনে দুইবার উদ্বোধন, সকালে জামায়াতের এমপি ও বিকেলে বিএনপির সাবেক এমপি ইবিতে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১২ বিভাগের ২৪ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা বাতিল ইবিতে প্রয়াত শিক্ষার্থী তরিকুল ইসলাম সৈকতের জন্য দোয়া মাহফিল দুই অভিযানে ২৩৪ বোতল বিদেশি মদ ও ১০৩ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৩, জব্দ প্রাইভেট কার বেরোবিতে ক্যারিয়ার-ভার্সের প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন, সভাপতি লাবণ্য ও সম্পাদক মোবাশ্বির কালিয়াকৈরে বেতন ৩০ হাজারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন মেসির গোল ও অ্যাসিস্টে নিউ ইংল্যান্ডকে হারাল ইন্টার মায়ামি আমুসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ ৭ নেতার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ শ্রমিক আন্দোলনে জামায়াত-আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রাশেদ খাঁনের
লক্ষ্মীপুরে

সাত পুলিশ সদস্যের মামলায় সিআইডির প্রতিবেদন নাকচ, তদন্ত করবে বিচার বিভাগ

ফাইল ছবি

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে সাত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে বাদীপক্ষের নারাজি আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। দীর্ঘ শুনানি শেষে মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) রায়পুরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রেজাউল হক এ আদেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবদুল আহাদ শাকিল পাটওয়ারী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বাদী রিনা আক্তারের অভিযোগ, ২০২৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর তাঁর স্বামী আবদুর রহিম রনিকে আটক করার পর মারধর করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, ওই সময় তাঁর কাছে থাকা গরু বিক্রির ৯০ হাজার টাকাও অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা নিয়ে যান। এ ঘটনায় একই বছরের ২৭ ডিসেম্বর তিনি আদালতে মামলা করেন।

মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব প্রথমে ছিল লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপারের কাছে। পরে তা যায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) এবং সর্বশেষ সিআইডির কাছে। তিন দফা তদন্তের প্রতিবেদনেই বাদী আপত্তি জানিয়েছেন।

বাদীপক্ষের অভিযোগ, সিআইডির প্রতিবেদনে একাধিক ত্রুটি রয়েছে। তাঁদের দাবি, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংরক্ষিত হার্ডডিস্ক জব্দ করা হয়নি এবং সাক্ষীদের জবানবন্দিও যথাযথভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। এসব অভিযোগ তুলে তাঁরা আদালতে নারাজি আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে বিচার বিভাগীয় তদন্তের আদেশ দেন।

অন্যদিকে পুলিশের দাবি, ডাকাতির প্রস্তুতির সময় অস্ত্র, কার্তুজ ও মাদকসহ আবদুর রহিম রনিকে আটক করা হয়েছিল। পরে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলায় অভিযুক্ত সাত পুলিশ সদস্য হলেন এসআই মো. আবু হানিফ (১), মো. আবু হানিফ (৩), মো. নুরুল ইসলাম, এএসআই সফিক মিয়া, সাখাওয়াত হোসেন এবং কনস্টেবল আতিক উল্যা ও ইউসুফ ঢালি।

আদালতের এ আদেশের ফলে মামলাটি নতুন করে বিচার বিভাগীয় অনুসন্ধানের আওতায় এল।

জনপ্রিয় সংবাদ

দুই পোশাক কারখানায় ১০২ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন

লক্ষ্মীপুরে

সাত পুলিশ সদস্যের মামলায় সিআইডির প্রতিবেদন নাকচ, তদন্ত করবে বিচার বিভাগ

প্রকাশের সময়ঃ ১২:৩৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে সাত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে বাদীপক্ষের নারাজি আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। দীর্ঘ শুনানি শেষে মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) রায়পুরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রেজাউল হক এ আদেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবদুল আহাদ শাকিল পাটওয়ারী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বাদী রিনা আক্তারের অভিযোগ, ২০২৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর তাঁর স্বামী আবদুর রহিম রনিকে আটক করার পর মারধর করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, ওই সময় তাঁর কাছে থাকা গরু বিক্রির ৯০ হাজার টাকাও অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা নিয়ে যান। এ ঘটনায় একই বছরের ২৭ ডিসেম্বর তিনি আদালতে মামলা করেন।

মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব প্রথমে ছিল লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপারের কাছে। পরে তা যায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) এবং সর্বশেষ সিআইডির কাছে। তিন দফা তদন্তের প্রতিবেদনেই বাদী আপত্তি জানিয়েছেন।

বাদীপক্ষের অভিযোগ, সিআইডির প্রতিবেদনে একাধিক ত্রুটি রয়েছে। তাঁদের দাবি, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংরক্ষিত হার্ডডিস্ক জব্দ করা হয়নি এবং সাক্ষীদের জবানবন্দিও যথাযথভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। এসব অভিযোগ তুলে তাঁরা আদালতে নারাজি আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে বিচার বিভাগীয় তদন্তের আদেশ দেন।

অন্যদিকে পুলিশের দাবি, ডাকাতির প্রস্তুতির সময় অস্ত্র, কার্তুজ ও মাদকসহ আবদুর রহিম রনিকে আটক করা হয়েছিল। পরে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলায় অভিযুক্ত সাত পুলিশ সদস্য হলেন এসআই মো. আবু হানিফ (১), মো. আবু হানিফ (৩), মো. নুরুল ইসলাম, এএসআই সফিক মিয়া, সাখাওয়াত হোসেন এবং কনস্টেবল আতিক উল্যা ও ইউসুফ ঢালি।

আদালতের এ আদেশের ফলে মামলাটি নতুন করে বিচার বিভাগীয় অনুসন্ধানের আওতায় এল।