
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামকে চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক বি এম তারিকুল কবীর এ রায় দেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী দেলোয়ার জাহান রুমী জানান, আদালত সিয়ামের অবৈধভাবে অর্জিত ৩১ লাখ ৮১ হাজার টাকার সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও দিয়েছেন।
সিয়াম সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় আলোচিত সংস্থাটির সাবেক চেয়ারম্যানের গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীর ছেলে। তিনি একসময় ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ছিলেন। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁকে ওই পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
দুদকের উপসহকারী পরিচালক জাকির হোসেন গত বছরের ৫ জানুয়ারি সিয়ামের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত তিনি ৩৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেন।
তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ ডিসেম্বর সিয়ামের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। অভিযোগপত্রে বলা হয়, তাঁর জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৩১ লাখ ৮১ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।
চলতি বছরের ১৭ জুন আদালত সিয়ামের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরবর্তী সময়ে সাক্ষ্য গ্রহণ এবং দুদক ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বৃহস্পতিবার মামলাটির রায় ঘোষণা করা হয়।
অধিকার ডেস্কঃ 




















