
চট্টগ্রাম বন্দর থেকে নারায়ণগঞ্জের আদমজী ইপিজেডে নেওয়ার পথে প্রায় ৮০ লাখ টাকা মূল্যের আমদানি করা ১৯৭ রোল কাপড় গায়েবের ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বৃহস্পতিবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের হালিশহর থানার বড়পোল এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মোহাম্মদ গোলাম রহমান মুন্না (৪৬) ও মোহাম্মদ আমানুল্লাহ (৬৩)। পরে তাঁদের হালিশহর থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। শুক্রবার র্যাব-৭-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মোসলেহ উদ্দিন আহমেদের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
র্যাবের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মাইশা এন্টারপ্রাইজ, শাহরিয়ার অ্যান্ড ব্রাদার্স লিমিটেড বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পণ্য পরিবহনের কাজ করে। গত ৮ অক্টোবর বিকেল ৫টার দিকে প্রতিষ্ঠানটির চালক মো. ইয়াসিন একটি মালবাহী গাড়িতে ১৯৭ রোল আমদানি করা কাপড় নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে নারায়ণগঞ্জের আদমজী ইপিজেডের উদ্দেশে রওনা হন। কাপড়গুলো ইপিক গার্মেন্টস কোম্পানি লিমিটেডের জন্য পাঠানো হচ্ছিল।
পরিবহনকারী প্রতিষ্ঠানটি জিপিআরএসের মাধ্যমে গাড়িটির অবস্থান পর্যবেক্ষণ করছিল। ওই দিন রাত ১১টার দিকে গাড়িটির অবস্থান পাওয়া যায় ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকায়। প্রায় ৫০ মিনিট পর রাত ১১টা ৫০ মিনিটে গাড়িটি তেজগাঁও এলাকায় অবস্থান করছিল। নির্ধারিত গন্তব্যে না পৌঁছানোয় সন্দেহ তৈরি হয়। পরে চালক ইয়াসিনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
এরপর খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে গত ১২ অক্টোবর দুপুর আড়াইটার দিকে গাজীপুরের টঙ্গী পশ্চিম থানার মাছিমপুর এলাকায় কামারপাড়া-স্টেশন রোডে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ফটকের পাশে গাড়িটির সন্ধান পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় মাইশা এন্টারপ্রাইজ, শাহরিয়ার অ্যান্ড ব্রাদার্স লিমিটেডের নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদ্দাম হোসেন বাদী হয়ে ১৩ অক্টোবর টঙ্গী পশ্চিম থানায় মামলা করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, চালক ইয়াসিন অজ্ঞাতপরিচয় আরও চার-পাঁচজনের সঙ্গে যোগসাজশ করে কাপড়গুলো সরিয়ে অন্যত্র বিক্রি করেন।
র্যাব-৭-এর একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম নগরের হালিশহরের বড়পোল এলাকায় অভিযান চালিয়ে মুন্না ও আমানুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে। তাঁদের এ ঘটনায় কী ভূমিকা ছিল, তা তদন্তসাপেক্ষ।
অধিকার ডেস্কঃ 

















