ঢাকা ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
দুই পোশাক কারখানায় ১০২ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন একই সড়ক একদিনে দুইবার উদ্বোধন, সকালে জামায়াতের এমপি ও বিকেলে বিএনপির সাবেক এমপি ইবিতে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১২ বিভাগের ২৪ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা বাতিল ইবিতে প্রয়াত শিক্ষার্থী তরিকুল ইসলাম সৈকতের জন্য দোয়া মাহফিল দুই অভিযানে ২৩৪ বোতল বিদেশি মদ ও ১০৩ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৩, জব্দ প্রাইভেট কার বেরোবিতে ক্যারিয়ার-ভার্সের প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন, সভাপতি লাবণ্য ও সম্পাদক মোবাশ্বির কালিয়াকৈরে বেতন ৩০ হাজারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন মেসির গোল ও অ্যাসিস্টে নিউ ইংল্যান্ডকে হারাল ইন্টার মায়ামি আমুসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ ৭ নেতার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ শ্রমিক আন্দোলনে জামায়াত-আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

আবিদ আনোয়ার ও মাসুম মাহমুদের হাতে আবু খালেদ পাঠান সাহিত্য পুরস্কার

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৯:৪৭:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২৫১ Time View

আবু খালেদ পাঠান সাহিত্য পুরস্কার-২০২৬ পেয়েছেন কবি আবিদ আনোয়ার ও শিশু সাহিত্যিক, গল্পকার ও নাট্যকার মাসুম মাহমুদ।

আবু খালেদ পাঠান সাহিত্য পুরস্কার-২০২৬ পেয়েছেন কবি আবিদ আনোয়ার এবং শিশু সাহিত্যিক, গল্পকার ও নাট্যকার মাসুম মাহমুদ। শনিবার ডেইলি স্টার ভবনের এস মাহমুদ সেমিনার হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

আবু খালেদ পাঠান ফাউন্ডেশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি ফরিদ কবির এবং সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও লেখক আরিফ খান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুরস্কার প্রদান কমিটির আহ্বায়ক, লেখক ও সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ।

স্বাগত বক্তব্যে ফাউন্ডেশনের সভাপতি নায়লা ইয়াসমিন বলেন, কিশোরগঞ্জের কবি ও সাহিত্যিকদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যেই এ পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়েছে। সবার আন্তরিক সহযোগিতায় পুরস্কার প্রদানের এ উদ্যোগ আরও এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন বলেন, যাঁদের জন্য এ সাহিত্য পুরস্কার চালু করা হয়েছে, তাঁদের প্রাপ্তির মাত্রা আরও বাড়ানো উচিত। অনেক সাহিত্য পুরস্কার বন্ধ হয়ে গেলেও এখনো অনেকেই ভালো লিখছেন। তাঁদের কাজের স্বীকৃতি দিতে পুরস্কারের মূল্য ও সম্মান যথাযথ হওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

কবি ফরিদ কবির বলেন, মানুষের মধ্যে এক শ্রেণি দেয়, আরেক শ্রেণি নেয়। আবু খালেদ পাঠান ছিলেন তাঁদের একজন, যিনি হয়তো শুধু দিতেই এসেছিলেন। পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে কিশোরগঞ্জের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি সেই ভালোবাসারই প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও লেখক আরিফ খান বলেন, কিছু মানুষ তাঁদের কাজের মাধ্যমে সমাজকে সমৃদ্ধ করেন। আবু খালেদ পাঠান ছিলেন তেমনই একজন। কিশোরগঞ্জে অবস্থান করেই তিনি সাহিত্যচর্চা চালিয়ে গেছেন।

আবু খালেদ পাঠান সাহিত্য পুরস্কারের যাত্রা শুরু হয় ২০২৪ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর। প্রথম আয়োজনে এ পুরস্কার পান কবি ও সংগীতশিল্পী কফিল আহমেদ এবং কবি ও প্রাবন্ধিক আফরোজা সোমা।

দ্বিতীয় আয়োজনে গত বছর পুরস্কার অর্জন করেন কথাসাহিত্যিক সৈয়দ কামরুল হাসান এবং গল্পকার, প্রাবন্ধিক ও নাট্যকার গোলাম শফিক।

জনপ্রিয় সংবাদ

দুই পোশাক কারখানায় ১০২ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন

আবিদ আনোয়ার ও মাসুম মাহমুদের হাতে আবু খালেদ পাঠান সাহিত্য পুরস্কার

প্রকাশের সময়ঃ ০৯:৪৭:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

আবু খালেদ পাঠান সাহিত্য পুরস্কার-২০২৬ পেয়েছেন কবি আবিদ আনোয়ার এবং শিশু সাহিত্যিক, গল্পকার ও নাট্যকার মাসুম মাহমুদ। শনিবার ডেইলি স্টার ভবনের এস মাহমুদ সেমিনার হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

আবু খালেদ পাঠান ফাউন্ডেশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি ফরিদ কবির এবং সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও লেখক আরিফ খান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুরস্কার প্রদান কমিটির আহ্বায়ক, লেখক ও সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ।

স্বাগত বক্তব্যে ফাউন্ডেশনের সভাপতি নায়লা ইয়াসমিন বলেন, কিশোরগঞ্জের কবি ও সাহিত্যিকদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যেই এ পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়েছে। সবার আন্তরিক সহযোগিতায় পুরস্কার প্রদানের এ উদ্যোগ আরও এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন বলেন, যাঁদের জন্য এ সাহিত্য পুরস্কার চালু করা হয়েছে, তাঁদের প্রাপ্তির মাত্রা আরও বাড়ানো উচিত। অনেক সাহিত্য পুরস্কার বন্ধ হয়ে গেলেও এখনো অনেকেই ভালো লিখছেন। তাঁদের কাজের স্বীকৃতি দিতে পুরস্কারের মূল্য ও সম্মান যথাযথ হওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

কবি ফরিদ কবির বলেন, মানুষের মধ্যে এক শ্রেণি দেয়, আরেক শ্রেণি নেয়। আবু খালেদ পাঠান ছিলেন তাঁদের একজন, যিনি হয়তো শুধু দিতেই এসেছিলেন। পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে কিশোরগঞ্জের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি সেই ভালোবাসারই প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও লেখক আরিফ খান বলেন, কিছু মানুষ তাঁদের কাজের মাধ্যমে সমাজকে সমৃদ্ধ করেন। আবু খালেদ পাঠান ছিলেন তেমনই একজন। কিশোরগঞ্জে অবস্থান করেই তিনি সাহিত্যচর্চা চালিয়ে গেছেন।

আবু খালেদ পাঠান সাহিত্য পুরস্কারের যাত্রা শুরু হয় ২০২৪ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর। প্রথম আয়োজনে এ পুরস্কার পান কবি ও সংগীতশিল্পী কফিল আহমেদ এবং কবি ও প্রাবন্ধিক আফরোজা সোমা।

দ্বিতীয় আয়োজনে গত বছর পুরস্কার অর্জন করেন কথাসাহিত্যিক সৈয়দ কামরুল হাসান এবং গল্পকার, প্রাবন্ধিক ও নাট্যকার গোলাম শফিক।