ঢাকা ০২:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

ধ/র্ষণে অন্তঃসত্ত্বা ছাত্রী- শিক্ষকের ডিএনএ সংগ্রহ

নেত্রকোণা সদরের কোর্ট ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ রিয়াদ মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নেত্রকোণার মদনে এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা করার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় তদন্ত কার্যক্রমে নতুন অগ্রগতি হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরের ডিএনএ পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. আক্তারুজ্জামান আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী গত ১৭ মে ঢাকার সিআইডি কার্যালয়ে আসামির ডিএনএ নমুনা জমা দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নেত্রকোণা আদালতের কোর্ট ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ রিয়াদ মাহমুদ।

তিনি জানান, তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পর আদালত ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি দেন। বর্তমানে অভিযুক্ত শিক্ষক কারাগারে রয়েছেন। মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৮ জুন দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মামলার পরবর্তী আইনি কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার একটি মহিলা মাদরাসার শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরের বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। পরে শারীরিক অসুস্থতার কারণে পরিবারের সদস্যরা তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি জানা যায়। এরপর ভুক্তভোগীর মা থানায় মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার পর দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত জোরদার করে। পরবর্তীতে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয় এবং আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার তদন্তের স্বার্থে পুলিশ তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করেছে। পরে আদালতের নির্দেশে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

এদিকে শিশুটির নিরাপত্তা ও চিকিৎসার বিষয় বিবেচনায় আদালতের নির্দেশে তাকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় এলাকাসহ বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

জনপ্রিয় সংবাদ

ধ/র্ষণে অন্তঃসত্ত্বা ছাত্রী- শিক্ষকের ডিএনএ সংগ্রহ

প্রকাশের সময়ঃ ০২:২১:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

নেত্রকোণার মদনে এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা করার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় তদন্ত কার্যক্রমে নতুন অগ্রগতি হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরের ডিএনএ পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. আক্তারুজ্জামান আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী গত ১৭ মে ঢাকার সিআইডি কার্যালয়ে আসামির ডিএনএ নমুনা জমা দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নেত্রকোণা আদালতের কোর্ট ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ রিয়াদ মাহমুদ।

তিনি জানান, তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পর আদালত ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি দেন। বর্তমানে অভিযুক্ত শিক্ষক কারাগারে রয়েছেন। মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৮ জুন দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মামলার পরবর্তী আইনি কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার একটি মহিলা মাদরাসার শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরের বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। পরে শারীরিক অসুস্থতার কারণে পরিবারের সদস্যরা তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি জানা যায়। এরপর ভুক্তভোগীর মা থানায় মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার পর দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত জোরদার করে। পরবর্তীতে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয় এবং আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার তদন্তের স্বার্থে পুলিশ তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করেছে। পরে আদালতের নির্দেশে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

এদিকে শিশুটির নিরাপত্তা ও চিকিৎসার বিষয় বিবেচনায় আদালতের নির্দেশে তাকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় এলাকাসহ বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।