ঢাকা ০২:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

এন‌সি‌পির করা মামলায় ছাত্রদল নেতাসহ ১১৫ জন আসামি

শুক্রবার রাত সা‌ড়ে নয়টার দি‌কে ‌ঝিনাইদ‌হের স্থানীয় এনসিপি নেতা তারেক রেজা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

ঝিনাইদহে এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনায় অবশেষে মামলা দায়ের হয়েছে। এ মামলায় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখসহ মোট ১১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলাকে কেন্দ্র করে রাতভর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে ঝিনাইদহ সদর থানা এলাকায়।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয় এনসিপি নেতা তারেক রেজা বাদী হয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাহেদ আহম্মেদ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইমরান হোসেন, সাবেক সভাপতি এসএম সোমেনুজ্জামান সোমেন, সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার রাসেলসহ আটজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাত আরও ১১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলা গ্রহণে বিলম্বের অভিযোগ তুলে ঘটনার পর প্রায় সাত ঘণ্টা ধরে নেতাকর্মীদের নিয়ে সদর থানায় অবস্থান করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। পরে মামলা রেকর্ড হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

এদিকে মামলার প্রতিবাদে ঝিনাইদহ সদর থানা ঘেরাও করে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা। একপর্যায়ে থানা চত্বরে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয় পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা থানার দিকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন।

পরে জেলা ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে থানার সামনে জড়ো হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে থানার মূল ফটকে পুলিশ গাড়ি দিয়ে ব্যারিকেড তৈরি করে।

সেই সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে থানার ভেতরে অবস্থান করছিলেন। পরে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে পুলিশি নিরাপত্তায় তিনি ঝিনাইদহ ত্যাগ করেন।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা শহরের পায়রা চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। তারা দাবি করেন, দায়ের করা মামলা মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। মামলা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ারও ঘোষণা দেন তারা।

অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম পিন্টুসহ স্থানীয় নেতারা।

অন্যদিকে, ঘটনার বিষয়ে জেলা পুলিশের কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

জনপ্রিয় সংবাদ

এন‌সি‌পির করা মামলায় ছাত্রদল নেতাসহ ১১৫ জন আসামি

প্রকাশের সময়ঃ ০২:৩০:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

ঝিনাইদহে এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনায় অবশেষে মামলা দায়ের হয়েছে। এ মামলায় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখসহ মোট ১১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলাকে কেন্দ্র করে রাতভর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে ঝিনাইদহ সদর থানা এলাকায়।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয় এনসিপি নেতা তারেক রেজা বাদী হয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাহেদ আহম্মেদ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইমরান হোসেন, সাবেক সভাপতি এসএম সোমেনুজ্জামান সোমেন, সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার রাসেলসহ আটজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাত আরও ১১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলা গ্রহণে বিলম্বের অভিযোগ তুলে ঘটনার পর প্রায় সাত ঘণ্টা ধরে নেতাকর্মীদের নিয়ে সদর থানায় অবস্থান করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। পরে মামলা রেকর্ড হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

এদিকে মামলার প্রতিবাদে ঝিনাইদহ সদর থানা ঘেরাও করে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা। একপর্যায়ে থানা চত্বরে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয় পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা থানার দিকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন।

পরে জেলা ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে থানার সামনে জড়ো হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে থানার মূল ফটকে পুলিশ গাড়ি দিয়ে ব্যারিকেড তৈরি করে।

সেই সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে থানার ভেতরে অবস্থান করছিলেন। পরে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে পুলিশি নিরাপত্তায় তিনি ঝিনাইদহ ত্যাগ করেন।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা শহরের পায়রা চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। তারা দাবি করেন, দায়ের করা মামলা মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। মামলা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ারও ঘোষণা দেন তারা।

অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম পিন্টুসহ স্থানীয় নেতারা।

অন্যদিকে, ঘটনার বিষয়ে জেলা পুলিশের কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।