ঢাকা ০৩:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
আটঘরিয়ায় ভয়াবহ আগুনে পুড়ল পেট্রল পাম্প ও ওষুধের দোকান কুষ্টিয়ায় জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দিল দুর্বৃত্তরা, ভিডিও ভাইরাল সারা বছর ধরেই চলবে মৃত ভোটার কর্তন কার্যক্রম-পরিকল্পনা ইসির মামলা তদন্তাধীন থাকলেও বেবিচকের ২ কর্মকর্তাকে দুদকের ‘ক্লিন সার্টিফিকেট’ ইবিতে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ, তদন্তে গঠন করা হলো চার সদস্যের উপ-কমিটি চরাঞ্চলের ইউনিয়ন নিয়ে ‘দিয়াড় উপজেলা’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে-এমপি নূরুল সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযান, চোরাই মোবাইলসহ আটক ৩ চাঁপাইনবাবগেঞ্জে এসএসসি উত্তীর্ণদের সংবর্ধনা, মিষ্টিমুখে বরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে শাশুড়ির ঘর থেকে ২০ লাখ টাকা চুরি, জামাইসহ গ্রেপ্তার ২ গৌরনদীতে ভাড়া বাসায় অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ, হত্যা না আত্মহত্যা ?

ইবিতে পোষ্য কোটা বাতিল ও সার্টিফিকেট হয়রানি বন্ধের দাবিতে বৈবিছাআ নেতার আমরণ অনশন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে চার দফা দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম সদস্য সচিব বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ। ছবি: দৈনিক অধিকার

পোষ্য কোটা বাতিল, সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি বন্ধসহ চার দফা দাবিতে আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ। শনিবার (২০ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে এই কর্মসূচি শুরু হয়। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অনশন অব্যাহত রাখার দৃঢ় ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

অনশনকারীর চার দফা দাবি হলো: বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যমান পোষ্য কোটা অবিলম্বে বাতিল করা; পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক ও অশোভন আচরণ বন্ধ করা; সার্টিফিকেট উত্তোলনে চলমান হয়রানি স্থায়ীভাবে বন্ধ করা এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা সব অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক ফি হ্রাস করা।

অনশন চলাকালে প্রশাসন ভবনের গেটে বিভিন্ন দাবি সংবলিত পোস্টার প্রদর্শন করা হয়। পোস্টারে লেখা ছিল — ‘যোগ্যতার জয় হোক, পোষ্য কোটা রোধ হোক’, ‘অযৌক্তিক ভর্তি ফি বাতিল চাই’ এবং ‘সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি বাতিল চাই’।

অনশনরত বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ বলেন, জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল কোটা বাতিলের দাবিকে কেন্দ্র করে। সেই আন্দোলনে অনেক মূল্যবান প্রাণ ঝরে গিয়েছিল এবং হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছিল। সেই আত্মত্যাগের পথ ধরে দেশে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের পোষ্য কোটা এখনো বহাল রয়েছে। পূর্ববর্তী প্রশাসন এই বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা বাতিলের চেষ্টা করেও শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রতিরোধের মুখে সফল হতে পারেনি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ে শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত হেনস্থার শিকার হচ্ছেন। সাধারণ কাজে গেলেও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অসম্মানজনক আচরণ করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ছাড়া সার্টিফিকেট তোলার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বারবার ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। এই চার দফা দাবি সম্পূর্ণ পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তিনি অনশন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।


জনপ্রিয় সংবাদ

আটঘরিয়ায় ভয়াবহ আগুনে পুড়ল পেট্রল পাম্প ও ওষুধের দোকান

ইবিতে পোষ্য কোটা বাতিল ও সার্টিফিকেট হয়রানি বন্ধের দাবিতে বৈবিছাআ নেতার আমরণ অনশন

প্রকাশের সময়ঃ ১০:০০:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

পোষ্য কোটা বাতিল, সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি বন্ধসহ চার দফা দাবিতে আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ। শনিবার (২০ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে এই কর্মসূচি শুরু হয়। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অনশন অব্যাহত রাখার দৃঢ় ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

অনশনকারীর চার দফা দাবি হলো: বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যমান পোষ্য কোটা অবিলম্বে বাতিল করা; পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক ও অশোভন আচরণ বন্ধ করা; সার্টিফিকেট উত্তোলনে চলমান হয়রানি স্থায়ীভাবে বন্ধ করা এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা সব অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক ফি হ্রাস করা।

অনশন চলাকালে প্রশাসন ভবনের গেটে বিভিন্ন দাবি সংবলিত পোস্টার প্রদর্শন করা হয়। পোস্টারে লেখা ছিল — ‘যোগ্যতার জয় হোক, পোষ্য কোটা রোধ হোক’, ‘অযৌক্তিক ভর্তি ফি বাতিল চাই’ এবং ‘সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি বাতিল চাই’।

অনশনরত বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ বলেন, জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল কোটা বাতিলের দাবিকে কেন্দ্র করে। সেই আন্দোলনে অনেক মূল্যবান প্রাণ ঝরে গিয়েছিল এবং হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছিল। সেই আত্মত্যাগের পথ ধরে দেশে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের পোষ্য কোটা এখনো বহাল রয়েছে। পূর্ববর্তী প্রশাসন এই বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা বাতিলের চেষ্টা করেও শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রতিরোধের মুখে সফল হতে পারেনি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ে শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত হেনস্থার শিকার হচ্ছেন। সাধারণ কাজে গেলেও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অসম্মানজনক আচরণ করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ছাড়া সার্টিফিকেট তোলার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বারবার ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। এই চার দফা দাবি সম্পূর্ণ পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তিনি অনশন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।