
দেশের তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, গবেষণা এবং উদ্ভাবনের মাধ্যমে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম করে একটি জ্ঞাননির্ভর ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়নকে আরও গতিশীল করতে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক, প্রযুক্তিনির্ভর এবং উদ্ভাবনী চিন্তায় উৎসাহিত করতে হবে। নতুন প্রজন্মের সৃজনশীলতা, গবেষণামূলক শিক্ষা এবং উদ্যোক্তা মনোভাবই ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে আরও শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করাবে।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে এ কর্মসূচিকে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
একই অনুষ্ঠানে তিনি জাতীয় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী আইডিয়া প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। পরে প্রদর্শনী ঘুরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের তৈরি বিজ্ঞানভিত্তিক প্রকল্প, প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবন এবং স্টার্টআপ উদ্যোগ পরিদর্শন করেন।
প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও সৃজনশীল প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, তরুণদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগাতে সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা অব্যাহত রাখবে, যাতে তারা জাতীয় উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, স্টার্টআপ উদ্যোক্তা, শিক্ষক এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা, গবেষণা এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা হলে দেশের মানবসম্পদ আরও দক্ষ হয়ে উঠবে। পাশাপাশি স্টার্টআপ সংস্কৃতির বিকাশ কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
দৈনিক অধিকার ডেস্ক 





















