ঢাকা ০৪:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
নুসরাত হত্যা মামলা- ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় আজ হত্যার পর গোসল করে খেজুর ও ইয়াবা সেবন করে খুনিরা- পুলিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দুই প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন সকালের মধ্যে ৮ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা সঙ্গী অসুস্থ হলে শুধু পাশে থাকা যথেষ্ট, নাকি দায়িত্বও নিতে হবে? বদনজর লাগলে যেভাবে বুঝবেন, জেনে নিন করণীয় রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যা- বিয়ের আগেই থেমে গেল আগামী চক্রবর্তীর স্বপ্ন রংপুরে পাশাপাশি চিতায় পরিবারের চার সদস্যের শেষকৃত্য সম্পন্ন মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাল নরসিংদী জেলা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদ নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে উত্তর আমেরিকা বিএনপির ব্যাপক প্রস্তুতি

ঢাবির ১০৫ বছরে যা হয়নি, ১১ মাসে তা করেছি: সাদিক কায়েম

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৮:৫০:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
  • ১২৪৭ Time View

পটুয়াখালীতে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম দাবি করেছেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ১১ মাসে ডাকসু এমন কিছু কাজ করেছে, যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫ বছরের ইতিহাসে আগে কেউ করতে পারেনি।

শুক্রবার পটুয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে পটুয়াখালী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ দাবি করেন।

সাদিক কায়েম বলেন, ‘১১ মাসে আমরা প্রমাণ করেছি কীভাবে শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিত করতে হয়। শিক্ষার্থীরাই বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ১১ মাসে ডাকসুতে যে কাজ করেছি, তা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে ১০৫ বছরেও কেউ করতে পারেনি।’

শিক্ষার্থীদের মতামত জানতে ডাকসুর উদ্যোগে বিভিন্ন জরিপ পরিচালনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব জরিপে ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থী মনে করেছেন, ডাকসু দায়িত্ব নেওয়ার পর ক্যাম্পাসে নারীরা সবচেয়ে নিরাপদ অবস্থায় রয়েছেন।

এ ছাড়া ক্যাম্পাসে মারামারি, হানাহানি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও রাহাজানি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হয়েছে বলেও দাবি করেন ডাকসুর ভিপি।

সাদিক কায়েম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও গবেষণার সুযোগ তৈরি করা। পাশাপাশি তাদের চিন্তা করা, প্রশ্ন করা এবং নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে উৎসাহিত করতে হবে। দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ১১ মাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং একটি অনুকূল একাডেমিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে ডাকসু কাজ করেছে।

দেশের তরুণ প্রজন্মকে পর্যাপ্ত সুযোগ ও স্বীকৃতি না দেওয়ার সমালোচনা করে তিনি বলেন, গত ৫৫ বছরে দেশের নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তিরা তরুণ ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে যেভাবে চিন্তা করা এবং তাদের স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন ছিল, তা করতে পারেননি।

দীর্ঘদিনের এই ব্যর্থতার কারণে জাতি একই বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সাদিক কায়েম বলেন, দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা বিদেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিচ্ছেন। দেশে তাদের মেধার বিকাশ এবং সেই মেধাকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ তৈরি করতে হবে।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের সুলতান মুহাম্মদ আল-ফাতিহর কনস্টান্টিনোপল বিজয়ের প্রসঙ্গ তুলে ধরে অনুপ্রেরণা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান ডাকসুর ভিপি।

দুই পর্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে পটুয়াখালী সদর উপজেলার ২৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৩৬ জন এবং ১৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ১৬৪ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। পরে অতিথিরা তাদের হাতে ক্রেস্ট, স্কুলব্যাগ ও কলম তুলে দেন।

পটুয়াখালী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আন নাহিয়ানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ছাড়াও স্থানীয় জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

নুসরাত হত্যা মামলা- ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় আজ

ঢাবির ১০৫ বছরে যা হয়নি, ১১ মাসে তা করেছি: সাদিক কায়েম

প্রকাশের সময়ঃ ০৮:৫০:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম দাবি করেছেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ১১ মাসে ডাকসু এমন কিছু কাজ করেছে, যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫ বছরের ইতিহাসে আগে কেউ করতে পারেনি।

শুক্রবার পটুয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে পটুয়াখালী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ দাবি করেন।

সাদিক কায়েম বলেন, ‘১১ মাসে আমরা প্রমাণ করেছি কীভাবে শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিত করতে হয়। শিক্ষার্থীরাই বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ১১ মাসে ডাকসুতে যে কাজ করেছি, তা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে ১০৫ বছরেও কেউ করতে পারেনি।’

শিক্ষার্থীদের মতামত জানতে ডাকসুর উদ্যোগে বিভিন্ন জরিপ পরিচালনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব জরিপে ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থী মনে করেছেন, ডাকসু দায়িত্ব নেওয়ার পর ক্যাম্পাসে নারীরা সবচেয়ে নিরাপদ অবস্থায় রয়েছেন।

এ ছাড়া ক্যাম্পাসে মারামারি, হানাহানি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও রাহাজানি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হয়েছে বলেও দাবি করেন ডাকসুর ভিপি।

সাদিক কায়েম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও গবেষণার সুযোগ তৈরি করা। পাশাপাশি তাদের চিন্তা করা, প্রশ্ন করা এবং নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে উৎসাহিত করতে হবে। দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ১১ মাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং একটি অনুকূল একাডেমিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে ডাকসু কাজ করেছে।

দেশের তরুণ প্রজন্মকে পর্যাপ্ত সুযোগ ও স্বীকৃতি না দেওয়ার সমালোচনা করে তিনি বলেন, গত ৫৫ বছরে দেশের নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তিরা তরুণ ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে যেভাবে চিন্তা করা এবং তাদের স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন ছিল, তা করতে পারেননি।

দীর্ঘদিনের এই ব্যর্থতার কারণে জাতি একই বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সাদিক কায়েম বলেন, দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা বিদেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিচ্ছেন। দেশে তাদের মেধার বিকাশ এবং সেই মেধাকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ তৈরি করতে হবে।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের সুলতান মুহাম্মদ আল-ফাতিহর কনস্টান্টিনোপল বিজয়ের প্রসঙ্গ তুলে ধরে অনুপ্রেরণা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান ডাকসুর ভিপি।

দুই পর্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে পটুয়াখালী সদর উপজেলার ২৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৩৬ জন এবং ১৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ১৬৪ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। পরে অতিথিরা তাদের হাতে ক্রেস্ট, স্কুলব্যাগ ও কলম তুলে দেন।

পটুয়াখালী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আন নাহিয়ানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ছাড়াও স্থানীয় জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।