ঢাকা ১০:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হুমায়ুন কবির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় সিলেটে ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল রাজধানীসহ সারাদেশে বেড়েছে লোডশেডিং, বিদ্যুৎ ঘাটতি ১,৯০০ মেগাওয়াটের বেশি দেশে বাড়ছে ‘কুশ’ মাদকের বিস্তার, থাইল্যান্ডকেন্দ্রিক ত্রিদেশীয় চক্রের সন্ধান জয়পুরহাটে অনলাইন জুয়ার মাস্টার এজেন্ট গ্রেফতার, জব্দ ১৯ স্মার্টফোন ও ১ হাজার সিম কুমিল্লায় ৬ ভারতীয় মোটরসাইকেলসহ গ্রেফতার ৯ চুয়াডাঙ্গায় দুই পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার, আদালতে ২ বছরের কারাদণ্ড সৌদি থেকে দেশে ফেরার প্রস্তুতি, কেনাকাটা শেষ করেই কুমিল্লার প্রবাসীর মৃত্যু বিয়ানীবাজারে নৌকাবাইচ বন্ধের প্রচারণা, ‘তৌহিদী জনতা’ কারা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন ফিফা অনুমোদন দিল, আশিয়ান কাপে খেলবে বাংলাদেশ চিকিৎসায় অবহেলার শিকার রোগীদের পাশে থাকবে ‘স্বাস্থ্যসেবা সুরক্ষা আন্দোলন’

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার ক্ষেত্র আরও বাড়াতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৯:২৩:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
  • ১২৩৬ Time View

সাভারে ইউজিসি আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের সংলাপে বক্তব্য দেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

দেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার সুযোগ ও পরিসর আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেছেন, শিক্ষার প্রকৃত উন্নয়নে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। গবেষণাভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে সরকার গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

শনিবার (২২ আগস্ট) সাভারের ব্র্যাক সিডিএম সেন্টারে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত ‘ভাইস চ্যান্সেলরস ডায়ালগ: শেপিং দ্য ফিউচার অব হায়ার এডুকেশন’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, বর্তমান সরকার গবেষণাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষা বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) দুই শতাংশ বরাদ্দ করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে তা পাঁচ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দীর্ঘদিনের গবেষণা বাজেটসংক্রান্ত সংকট কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গবেষণানির্ভর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা না গেলে শিক্ষার কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি সম্ভব নয়। উচ্চশিক্ষার মান নিশ্চিত করতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও গবেষণার সুযোগ বাড়ানোর বিষয়ে ইউজিসিকে নজর দিতে হবে।

যেসব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান সন্তোষজনক নয়, সেগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও তাগিদ দেন তিনি।

মেধাপাচার রোধে ‘রিভার্স ব্রেইন ড্রেইন’-এর ওপর গুরুত্বারোপ করে ড. মিলন বলেন, দেশের অনেক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিদেশে গিয়ে গবেষণা ও শিক্ষা ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করছেন। তাদের অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা দেশের কাজে লাগাতে দেশে ফেরার উপযোগী পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

তিনি দেশে একটি বিশেষায়িত স্নাতকোত্তর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন। পাশাপাশি জাতীয় স্বার্থে সরকারের বিভিন্ন ধরনের অপচয় বন্ধের ওপর গুরুত্ব দেন শিক্ষামন্ত্রী।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক জেড এন তাহমিদা বেগম।

‘উচ্চশিক্ষা রূপান্তরে দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী এই সংলাপে দেশের সরকারি ও বেসরকারি প্রায় ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অংশ নেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

হুমায়ুন কবির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় সিলেটে ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার ক্ষেত্র আরও বাড়াতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশের সময়ঃ ০৯:২৩:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

দেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার সুযোগ ও পরিসর আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেছেন, শিক্ষার প্রকৃত উন্নয়নে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। গবেষণাভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে সরকার গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

শনিবার (২২ আগস্ট) সাভারের ব্র্যাক সিডিএম সেন্টারে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত ‘ভাইস চ্যান্সেলরস ডায়ালগ: শেপিং দ্য ফিউচার অব হায়ার এডুকেশন’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, বর্তমান সরকার গবেষণাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষা বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) দুই শতাংশ বরাদ্দ করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে তা পাঁচ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দীর্ঘদিনের গবেষণা বাজেটসংক্রান্ত সংকট কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গবেষণানির্ভর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা না গেলে শিক্ষার কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি সম্ভব নয়। উচ্চশিক্ষার মান নিশ্চিত করতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও গবেষণার সুযোগ বাড়ানোর বিষয়ে ইউজিসিকে নজর দিতে হবে।

যেসব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান সন্তোষজনক নয়, সেগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও তাগিদ দেন তিনি।

মেধাপাচার রোধে ‘রিভার্স ব্রেইন ড্রেইন’-এর ওপর গুরুত্বারোপ করে ড. মিলন বলেন, দেশের অনেক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিদেশে গিয়ে গবেষণা ও শিক্ষা ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করছেন। তাদের অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা দেশের কাজে লাগাতে দেশে ফেরার উপযোগী পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

তিনি দেশে একটি বিশেষায়িত স্নাতকোত্তর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন। পাশাপাশি জাতীয় স্বার্থে সরকারের বিভিন্ন ধরনের অপচয় বন্ধের ওপর গুরুত্ব দেন শিক্ষামন্ত্রী।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক জেড এন তাহমিদা বেগম।

‘উচ্চশিক্ষা রূপান্তরে দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী এই সংলাপে দেশের সরকারি ও বেসরকারি প্রায় ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অংশ নেন।