
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ছয়টি অবৈধ ভারতীয় মোটরসাইকেলসহ চোরাচালান চক্রের নয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর শনিবার (২২ আগস্ট) আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি এলাকার কাটা জঙ্গল বিদ্যুৎ অফিসের সামনে সিলেট-কুমিল্লা মহাসড়ক থেকে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেফতাররা হলেন—সিলেটের গোয়াইনঘাটের কামিম আহম্মদ (২৮), সিলেট কোতোয়ালির করিম (৩০), সুনামগঞ্জ সদরের সাইদুল ইসলাম (২২), সিলেটের জালালাবাদের পাবেল আহম্মদ (২৬), একই এলাকার হোসাইন (২৩), সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের রিপন চন্দ্র দাস (২৯), সিলেট কোতোয়ালির রাজু আহম্মদ (২৮), সুনামগঞ্জের ছাতকের আবিদুল ইসলাম (২৮) এবং সিলেটের গোয়াইনঘাটের কাওছার হোসেন (২৬)।
জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামছুল আলম শাহ জানান, ময়নামতির কাটা জঙ্গল এলাকায় সিলেট-কুমিল্লা মহাসড়কে ডিবির একটি দল অবস্থান করছিল। রাত আড়াইটার দিকে ছয়টি মোটরসাইকেলে করে নয়জন সেখানে পৌঁছালে পুলিশ তাদের থামার সংকেত দেয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ধাওয়া করে নয়জনকেই আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, আটকের পর মোটরসাইকেলগুলোর বৈধ কাগজপত্র যাচাই করা হয়। তবে আটক ব্যক্তিরা কোনো বৈধ রেজিস্ট্রেশন বা মালিকানাসংক্রান্ত নথি দেখাতে পারেননি।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন, সিলেটের সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে ভারত থেকে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে চোরাইপথে মোটরসাইকেলগুলো বাংলাদেশে আনা হয়েছিল। পরে এগুলো দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে নেওয়া হচ্ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ডিবি পুলিশের দাবি, মোটরসাইকেলগুলো কুমিল্লা, ফেনী, কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রির পরিকল্পনা ছিল।
শনিবার গ্রেফতার নয়জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর তাদের আদালতে পাঠানো হয়। পরে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
অধিকার ডেস্কঃ 






















