ঢাকা ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে অভিযান হোক নিয়মিত, জনসচেতনতা হোক ঘরে ঘরে রাজধানীতে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু র‍্যাব বিলুপ্ত, নতুন নামে এসআরবির কার্যক্রম শুরু ইসির নতুন প্রতীক তালিকা প্রকাশ, যুক্ত হলো ‘না’; মোট প্রতীক ১২০টি দীর্ঘ আড়াই বছর পর একক কনসার্টে বাপ্পা মজুমদার, মঞ্চ মাতাবেন ৯ অক্টোবর একাদশ শ্রেণির ভর্তি: প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ, ক্লাস শুরু ২৪ সেপ্টেম্বর ফলাফলের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে: ববি হাজ্জাজ সিনেমা হতে পারে সমাজ পরিবর্তনের শক্তিশালী মাধ্যম: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে ৮ টিমের ‘মাঠযুদ্ধ’- বাড়ি বাড়ি এডিসের আস্তানা খুঁজবে প্রশাসন বিভিন্ন মেয়াদে আটক থাকার পর শিশুসহ ১৮ বাংলাদেশি বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরলেন

শিশু ধর্ষণ মামলায় মজিবর মৃধার আমৃত্যু কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৬:১৬:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১২৪৪ Time View

চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণ মামলায় আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

চট্টগ্রামে আট বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের মামলায় মো. মজিবর মৃধা (৬১) নামে এক ব্যক্তিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (তারিখ উল্লেখ নেই) চট্টগ্রাম মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফসা ঝুমা এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিত মজিবর মৃধা বরিশালের বাকেরগঞ্জ থানার দিয়াতলী এলাকার মৃত কাদের মৃধার ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। এ কারণে তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ জানান, মামলায় পাঁচজন সাক্ষীর সাক্ষ্য এবং আদালতে উপস্থাপিত বিভিন্ন প্রমাণ পর্যালোচনার পর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। পরে আদালত আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, শিশুটির মা অন্যের বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন। ২০১৫ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে তিনি মেয়েকে পাশের একটি বাসায় রেখে কাজে যান। ওই সময় শিশুটি বাসায় একা ছিল।

অভিযোগে বলা হয়, এ সুযোগে মজিবর মৃধা শিশুটিকে প্রলোভন দেখিয়ে পাশের একটি বাসায় নিয়ে যান এবং সেখানে তার ওপর যৌন নির্যাতন করেন।

পরদিন শিশুটি অসুস্থ হয়ে কান্নাকাটি করতে থাকলে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ঘটনার পর শিশুটির মা বাদী হয়ে ২০১৫ সালের ১০ ডিসেম্বর হালিশহর থানায় মামলা করেন।

মামলাটি তদন্তের পর হালিশহর থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) জমির উদ্দীন ২০১৬ সালের ১৩ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরবর্তী সময়ে ট্রাইব্যুনালে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হলে মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় পাঁচজন সাক্ষীর সাক্ষ্য এবং অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত মজিবর মৃধাকে দোষী সাব্যস্ত করেন। পরে তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে অভিযান হোক নিয়মিত, জনসচেতনতা হোক ঘরে ঘরে

শিশু ধর্ষণ মামলায় মজিবর মৃধার আমৃত্যু কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

প্রকাশের সময়ঃ ০৬:১৬:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রামে আট বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের মামলায় মো. মজিবর মৃধা (৬১) নামে এক ব্যক্তিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (তারিখ উল্লেখ নেই) চট্টগ্রাম মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফসা ঝুমা এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিত মজিবর মৃধা বরিশালের বাকেরগঞ্জ থানার দিয়াতলী এলাকার মৃত কাদের মৃধার ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। এ কারণে তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ জানান, মামলায় পাঁচজন সাক্ষীর সাক্ষ্য এবং আদালতে উপস্থাপিত বিভিন্ন প্রমাণ পর্যালোচনার পর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। পরে আদালত আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, শিশুটির মা অন্যের বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন। ২০১৫ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে তিনি মেয়েকে পাশের একটি বাসায় রেখে কাজে যান। ওই সময় শিশুটি বাসায় একা ছিল।

অভিযোগে বলা হয়, এ সুযোগে মজিবর মৃধা শিশুটিকে প্রলোভন দেখিয়ে পাশের একটি বাসায় নিয়ে যান এবং সেখানে তার ওপর যৌন নির্যাতন করেন।

পরদিন শিশুটি অসুস্থ হয়ে কান্নাকাটি করতে থাকলে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ঘটনার পর শিশুটির মা বাদী হয়ে ২০১৫ সালের ১০ ডিসেম্বর হালিশহর থানায় মামলা করেন।

মামলাটি তদন্তের পর হালিশহর থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) জমির উদ্দীন ২০১৬ সালের ১৩ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরবর্তী সময়ে ট্রাইব্যুনালে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হলে মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় পাঁচজন সাক্ষীর সাক্ষ্য এবং অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত মজিবর মৃধাকে দোষী সাব্যস্ত করেন। পরে তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়।