ঢাকা ১১:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
নাটোরে দুর্ঘটনাকবলিত সিএনজি থেকে ৩৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪ মামুন খালেদসহ স্ত্রী-শ্যালকের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব: সমাজকল্যাণমন্ত্রী ভূরুঙ্গামারীতে ২৩ লাখ টাকার বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস শিপইয়ার্ড সড়ক প্রকল্পে অনিয়ম, কেডিএর ১৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ শাহজাদপুরে নার্সিং ও ডেন্টাল কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সিলেট সীমান্তে ২৭ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাইপণ্য জব্দ ভারত-বাংলাদেশ পাইপলাইনে পার্বতীপুরে পৌঁছাল ৪৭ লাখ লিটার ডিজেল কক্সবাজারে চোরাই স্বর্ণালংকার ও মোবাইলসহ গৃহকর্মী গ্রেপ্তার লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৬৮ বাংলাদেশি

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৬৮ বাংলাদেশি

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ১০:২২:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১২৩৭ Time View

লিবিয়ার ডিটেনশন সেন্টার থেকে দেশে ফিরেছেন আরও ১৬৮ বাংলাদেশি।

লিবিয়ায় আটক ও বন্দি থাকা বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনার ধারাবাহিকতায় আরও ১৬৮ জনকে দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। বেনগাজির একটি ডিটেনশন সেন্টারে আটক এসব বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বেনগাজির গ্যানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ১৬৮ বাংলাদেশি বুরাক এয়ারের ইউজেড-২২২ ফ্লাইটে করে মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৪ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছান।

লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এ প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগে তাদের দেশে ফেরানো হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের অধিকাংশই মানবপাচারকারীদের প্রলোভন ও সহায়তায় সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এ উদ্দেশ্যে তারা অনিয়মিতভাবে লিবিয়ায় প্রবেশ করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, লিবিয়ায় অবস্থানের সময় তাদের অনেকেই বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন।

দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে এসব বাংলাদেশিকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয় এবং আইওএমের কর্মকর্তারা।

অনিয়মিত অভিবাসন ও মানবপাচারের ঝুঁকি সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের নিজেদের অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এদিকে, আইওএম দেশে ফেরা প্রত্যেক বাংলাদেশিকে যাতায়াত ব্যয়, খাদ্য সহায়তা ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী কয়েকজনের জন্য অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকা বাংলাদেশিদের নিরাপদে দেশে ফেরাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইওএমের সমন্বিত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নাটোরে দুর্ঘটনাকবলিত সিএনজি থেকে ৩৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৬৮ বাংলাদেশি

প্রকাশের সময়ঃ ১০:২২:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

লিবিয়ায় আটক ও বন্দি থাকা বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনার ধারাবাহিকতায় আরও ১৬৮ জনকে দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। বেনগাজির একটি ডিটেনশন সেন্টারে আটক এসব বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বেনগাজির গ্যানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ১৬৮ বাংলাদেশি বুরাক এয়ারের ইউজেড-২২২ ফ্লাইটে করে মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৪ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছান।

লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এ প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগে তাদের দেশে ফেরানো হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের অধিকাংশই মানবপাচারকারীদের প্রলোভন ও সহায়তায় সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এ উদ্দেশ্যে তারা অনিয়মিতভাবে লিবিয়ায় প্রবেশ করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, লিবিয়ায় অবস্থানের সময় তাদের অনেকেই বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন।

দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে এসব বাংলাদেশিকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয় এবং আইওএমের কর্মকর্তারা।

অনিয়মিত অভিবাসন ও মানবপাচারের ঝুঁকি সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের নিজেদের অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এদিকে, আইওএম দেশে ফেরা প্রত্যেক বাংলাদেশিকে যাতায়াত ব্যয়, খাদ্য সহায়তা ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী কয়েকজনের জন্য অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকা বাংলাদেশিদের নিরাপদে দেশে ফেরাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইওএমের সমন্বিত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।