ঢাকা ০৩:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
জহির উদ্দিন স্বপন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, বিমান থেকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে আফরোজা খানম নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি মধ্যরাতে নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ফেসবুক পোস্ট রোববার বঙ্গভবনে উঠবেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বরিশালে চোর চক্রের মূলহোতা রাহুল গ্রেফতার, উদ্ধার চোরাই কম্পিউটার নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ও বেরোবি আচার্যকে উপাচার্যের অভিনন্দন বার্তা ময়মনসিংহে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ‘ডিফেন্স পার্টি’ গঠন ইউজিসি আয়োজিত উপাচার্যদের সংলাপে অংশ নিলেন বেরোবি উপাচার্য গলায় ছুরি ধরার অভিযোগ; রাজশাহীতে ১ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার প্রধান আসামি

ছাত্রলীগ নির্মূলের দাবিতে ডাকসুর গণজমায়েত ও বিক্ষোভ কর্মসূচি

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের নির্মূল এবং দেশে ফ্যাসিবাদী শক্তির মূলোৎপাটনের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (ডাকসু) শিক্ষার্থীদের নিয়ে ক্যাম্পাসে গণজমায়েত ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে।বুধবার (১২ নভেম্বর) রাত ৮টায় ডাকসুর সামনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে জড়ো হন। সেখান থেকে ক্যাম্পাসের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ শেষে রাজু ভাস্কর্যে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচিটি শেষ হয়।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম আওয়ামী লীগকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতি ৩৬ জুলাই শেষ হয়ে গেছে।এই আওয়ামী লীগের দালালদের যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই প্রতিহত করতে হবে।তিনি আরো বলেন, আজ দেড় বছর পরও খুনি হাসিনার বিচারের জন্য রাস্তায় নামতে হচ্ছে। এই দায়িত্ব অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ছিল। খুনি হাসিনার ফাঁসি এই বাংলাদেশে হবে।তার দোসরদের বিচার এই দেশেই হবে।

বক্তব্যে তিনি খুনি হাসিনাকে দায়মুক্তি দেওয়ার চেষ্টাকারী রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠন বা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ফ্যাসিবাদীর দোসরই হোক না কেন তাদের সতর্ক করে দেন। ভিপি কায়েম খুনি হাসিনার বিচারের দাবিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান এবং রাজনৈতিক দল ও ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে বিদ্যমান অনৈক্য দূর করে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার গুরুত্ব দেন।

তিনি ঘোষণা করেন, আজকে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেকটি মোড়ে মোড়ে অবস্থান নেব।আমরা দেখতে চাই আওয়ামী লীগের দোসররা কোথায়? তাদেরকে যেখানেই পাওয়া যাবে, সেখানেই দমন করা হবে।তিনি আরো জানান, বৃহস্পতিবার যেখানেই আওয়ামী দোসরদের দেখতে পাবেন, তাদেরকে ধরে থানায় দেবেন, বিচারের আওতায় নিয়ে আসবেন।ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সমালোচনা করে বলেন, সরকারের গাফিলতির কারণে সর্বত্র যে বিশৃঙ্খলা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম তৈরি হচ্ছে, তাতে তারা দায়সারা বক্তব্য দিয়ে পার পাওয়ার চেষ্টা করছে।

তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আজকে যেখানে হাসিনার বিচারের রায়ের ঘোষণায় সবার খুশি হওয়ার কথা ছিল, সেখানে সরকারের নিশ্চুপ ভূমিকার কারণে শিক্ষার্থীদের মাঠে নামতে হচ্ছে।তিনি আরো বলেন, যে দলের টপ টু বটম বিদেশে পালিয়ে যায়, দেশের মানুষ যার বিপক্ষে আন্দোলন করেছিল, কিভাবে তাদের সাহস হয় আবার রাস্তায় নামার? তিনি ঘোষণা দেন, ডাকসু, রাকসু, চাকসু-সহ সকল ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা এই সন্ত্রাসী আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সর্বদা অবস্থান নেবে।

মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব ছিল আওয়ামী লীগের বিচার করা, কিন্তু তারা এখন পর্যন্ত এটা করতে পারেনি। আমরা রাজপথ থেকেই এর জবাব দেব। বৃহস্পতিবার সারাদিন মাঠে থাকব।

জনপ্রিয় সংবাদ

জহির উদ্দিন স্বপন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, বিমান থেকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে আফরোজা খানম

ছাত্রলীগ নির্মূলের দাবিতে ডাকসুর গণজমায়েত ও বিক্ষোভ কর্মসূচি

প্রকাশের সময়ঃ ০৬:৪৬:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের নির্মূল এবং দেশে ফ্যাসিবাদী শক্তির মূলোৎপাটনের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (ডাকসু) শিক্ষার্থীদের নিয়ে ক্যাম্পাসে গণজমায়েত ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে।বুধবার (১২ নভেম্বর) রাত ৮টায় ডাকসুর সামনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে জড়ো হন। সেখান থেকে ক্যাম্পাসের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ শেষে রাজু ভাস্কর্যে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচিটি শেষ হয়।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম আওয়ামী লীগকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতি ৩৬ জুলাই শেষ হয়ে গেছে।এই আওয়ামী লীগের দালালদের যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই প্রতিহত করতে হবে।তিনি আরো বলেন, আজ দেড় বছর পরও খুনি হাসিনার বিচারের জন্য রাস্তায় নামতে হচ্ছে। এই দায়িত্ব অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ছিল। খুনি হাসিনার ফাঁসি এই বাংলাদেশে হবে।তার দোসরদের বিচার এই দেশেই হবে।

বক্তব্যে তিনি খুনি হাসিনাকে দায়মুক্তি দেওয়ার চেষ্টাকারী রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠন বা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ফ্যাসিবাদীর দোসরই হোক না কেন তাদের সতর্ক করে দেন। ভিপি কায়েম খুনি হাসিনার বিচারের দাবিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান এবং রাজনৈতিক দল ও ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে বিদ্যমান অনৈক্য দূর করে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার গুরুত্ব দেন।

তিনি ঘোষণা করেন, আজকে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেকটি মোড়ে মোড়ে অবস্থান নেব।আমরা দেখতে চাই আওয়ামী লীগের দোসররা কোথায়? তাদেরকে যেখানেই পাওয়া যাবে, সেখানেই দমন করা হবে।তিনি আরো জানান, বৃহস্পতিবার যেখানেই আওয়ামী দোসরদের দেখতে পাবেন, তাদেরকে ধরে থানায় দেবেন, বিচারের আওতায় নিয়ে আসবেন।ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সমালোচনা করে বলেন, সরকারের গাফিলতির কারণে সর্বত্র যে বিশৃঙ্খলা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম তৈরি হচ্ছে, তাতে তারা দায়সারা বক্তব্য দিয়ে পার পাওয়ার চেষ্টা করছে।

তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আজকে যেখানে হাসিনার বিচারের রায়ের ঘোষণায় সবার খুশি হওয়ার কথা ছিল, সেখানে সরকারের নিশ্চুপ ভূমিকার কারণে শিক্ষার্থীদের মাঠে নামতে হচ্ছে।তিনি আরো বলেন, যে দলের টপ টু বটম বিদেশে পালিয়ে যায়, দেশের মানুষ যার বিপক্ষে আন্দোলন করেছিল, কিভাবে তাদের সাহস হয় আবার রাস্তায় নামার? তিনি ঘোষণা দেন, ডাকসু, রাকসু, চাকসু-সহ সকল ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা এই সন্ত্রাসী আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সর্বদা অবস্থান নেবে।

মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব ছিল আওয়ামী লীগের বিচার করা, কিন্তু তারা এখন পর্যন্ত এটা করতে পারেনি। আমরা রাজপথ থেকেই এর জবাব দেব। বৃহস্পতিবার সারাদিন মাঠে থাকব।