ঢাকা ০৫:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
ভিডিও বানাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে হাসপাতালে কনটেন্ট ক্রিয়েটর শিশুকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে সৎ মা আটক- পলাতক বাবা লুট হওয়া জামায়াতের ৯ মোটরসাইকেল বিএনপি নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা রাজধানীর সচিবালয় মেট্রোরেল স্টেশনে ট্রেনের ছাদে দুই ব্যক্তি কর্মস্থলে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সিনিয়র সাংবাদিক জহির এনসিপির প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হতে আর ‘দুই দিন’ সময় লাগতে পারে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বেগম জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় যুব দলের দোয়া মাহফিল “স্বেচ্ছায় বিবাহ, তবুও  অপহরণ মামলা-নিরাপত্তা চেয়ে  ইসরাত খাতুন”র সংবাদ সম্মেলন ৮ দল আমাদের আর ৮ দল থাকছে না- আরও অনেক দল জোট করার আবেদন করছে- গোলাম পরওয়ার

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক পত্র প্রস্তুত করছে ঢাকা

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ফাইল। ছবি

জুলাই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পেতে দিল্লিকে চিঠি দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ঢাকা। আগামী দু–এক দিনের মধ্যে বাংলাদেশ শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ‘কূটনৈতিক পত্র’ ভারতের হাতে পৌঁছে দিতে পারে।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে পররাষ্ট্র উপদেস্টা মোঃ তৌহিদ হোসেন এই প্রতিবেদককে জানান, প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারতকে ‘নোট ভারবাল’ (কূটনৈতিক পত্র) পাঠানো হবে। আজ–কালের মধ্যে সেটি পাঠানোর কথা।

এদিকে সরকারের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা এই প্রতিবেদককে জানান, শেখ হাসিনাকে ফেরত পেতে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের মাধ্যমে কূটনৈতিক পত্র পাঠানো হতে পারে। গত বছরের আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানের সময় বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা।

প্রসঙ্গত, জুলাই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে গত সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত–১ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

এরপর বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ‘মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত এই ব্যক্তিদের দ্বিতীয় কোনো দেশ আশ্রয় দিলে তা হবে অত্যন্ত অবন্ধুসুলভ আচরণ এবং ন্যায়বিচারের প্রতি অবজ্ঞার শামিল। আমরা ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই, তারা যেন অনতিবিলম্বে দণ্ডপ্রাপ্ত এই দুই ব্যক্তিকে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে। দুই দেশের মধ্যে থাকা প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুসারে দুজনকে হস্তান্তর করাটা ভারতের জন্য অবশ্যপালনীয় দায়িত্বও বটে।’

পরে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘একটি নিকট প্রতিবেশী হিসেবে ভারত বাংলাদেশে শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি, স্থিতিশীলতাসহ বাংলাদেশের জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থের বিষয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ রয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনে আমরা সব সময় সব অংশীজনের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে যুক্ত থাকব।’

জনপ্রিয় সংবাদ

ভিডিও বানাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে হাসপাতালে কনটেন্ট ক্রিয়েটর

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক পত্র প্রস্তুত করছে ঢাকা

প্রকাশের সময়ঃ ০৭:০৩:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

জুলাই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পেতে দিল্লিকে চিঠি দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ঢাকা। আগামী দু–এক দিনের মধ্যে বাংলাদেশ শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ‘কূটনৈতিক পত্র’ ভারতের হাতে পৌঁছে দিতে পারে।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে পররাষ্ট্র উপদেস্টা মোঃ তৌহিদ হোসেন এই প্রতিবেদককে জানান, প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারতকে ‘নোট ভারবাল’ (কূটনৈতিক পত্র) পাঠানো হবে। আজ–কালের মধ্যে সেটি পাঠানোর কথা।

এদিকে সরকারের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা এই প্রতিবেদককে জানান, শেখ হাসিনাকে ফেরত পেতে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের মাধ্যমে কূটনৈতিক পত্র পাঠানো হতে পারে। গত বছরের আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানের সময় বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা।

প্রসঙ্গত, জুলাই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে গত সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত–১ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

এরপর বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ‘মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত এই ব্যক্তিদের দ্বিতীয় কোনো দেশ আশ্রয় দিলে তা হবে অত্যন্ত অবন্ধুসুলভ আচরণ এবং ন্যায়বিচারের প্রতি অবজ্ঞার শামিল। আমরা ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই, তারা যেন অনতিবিলম্বে দণ্ডপ্রাপ্ত এই দুই ব্যক্তিকে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে। দুই দেশের মধ্যে থাকা প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুসারে দুজনকে হস্তান্তর করাটা ভারতের জন্য অবশ্যপালনীয় দায়িত্বও বটে।’

পরে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘একটি নিকট প্রতিবেশী হিসেবে ভারত বাংলাদেশে শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি, স্থিতিশীলতাসহ বাংলাদেশের জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থের বিষয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ রয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনে আমরা সব সময় সব অংশীজনের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে যুক্ত থাকব।’