ঢাকা ১২:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

গুম অপরাধে মৃত্যুদণ্ড-সরকারের কঠোর অবস্থান স্পষ্ট করল নতুন অধ্যাদেশ

ফাইল ছবি।

সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করে গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। সোমবার এই অধ্যাদেশ জারি হয়। এই আইনের অধীনে গুমের সাথে জড়িত সকল শৃঙ্খল বাহিনী তথা সেনা, নৌ, বিমান, পুলিশ ও বিজিবিসহ সকলের বিচার করা যাবে।এর আগে, গত ৬ নভেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটির খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। আর আজ অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে আইনটি চূড়ান্ত রূপ পেল।এই অধ্যাদেশে গুমকে সংজ্ঞায়নের পাশাপাশি চলমান অপরাধ, কন্টিনিউ অফেন্স হিসেবে বিবেচনা করে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।এই অধ্যাদেশে গুম প্রতিরোধ প্রতিকারের লক্ষ্যে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের বাধ্যবাধকতা, ভুক্তভোগী-সাক্ষীর অধিকার সুরক্ষা ক্ষতিপূরণ এবং আইনগত সহায়তা নিশ্চয়তা প্রদান সংক্রান্ত বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া গুম প্রতিরোধ প্রতিকার এবং সুরক্ষার উদ্দেশ্যে তহবিল গঠন এবং তথ্যভাণ্ডার প্রতিষ্ঠার বিধানও সংযোজিত হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

গুম অপরাধে মৃত্যুদণ্ড-সরকারের কঠোর অবস্থান স্পষ্ট করল নতুন অধ্যাদেশ

প্রকাশের সময়ঃ ০৬:৩২:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করে গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। সোমবার এই অধ্যাদেশ জারি হয়। এই আইনের অধীনে গুমের সাথে জড়িত সকল শৃঙ্খল বাহিনী তথা সেনা, নৌ, বিমান, পুলিশ ও বিজিবিসহ সকলের বিচার করা যাবে।এর আগে, গত ৬ নভেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটির খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। আর আজ অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে আইনটি চূড়ান্ত রূপ পেল।এই অধ্যাদেশে গুমকে সংজ্ঞায়নের পাশাপাশি চলমান অপরাধ, কন্টিনিউ অফেন্স হিসেবে বিবেচনা করে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।এই অধ্যাদেশে গুম প্রতিরোধ প্রতিকারের লক্ষ্যে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের বাধ্যবাধকতা, ভুক্তভোগী-সাক্ষীর অধিকার সুরক্ষা ক্ষতিপূরণ এবং আইনগত সহায়তা নিশ্চয়তা প্রদান সংক্রান্ত বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া গুম প্রতিরোধ প্রতিকার এবং সুরক্ষার উদ্দেশ্যে তহবিল গঠন এবং তথ্যভাণ্ডার প্রতিষ্ঠার বিধানও সংযোজিত হয়েছে।