ঢাকা ০৮:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক

ফাঁসির দড়ি থেকে সংসদ ভবন: কারামুক্ত তিন নেতার নির্বাচনী জয়

বাম থেকে বিএনপি নেতা মো. লুৎফুজ্জামান বাবর, আবদুস সালাম পিন্টু ও জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলাম

একসময় যাদের মাথার ওপর ঝুলছিল ফাঁসির রায়, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বদলে গেছে তাদের ভাগ্যের চিত্র। দীর্ঘ কারাবাস শেষে আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্তি পেয়ে জনগণের ভোটে সরাসরি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিন আলোচিত রাজনৈতিক নেতা—বিএনপির লুৎফুজ্জামান বাবর ও আবদুস সালাম পিন্টু এবং জামায়াতের এ টি এম আজহারুল ইসলাম।

লুৎফুজ্জামান বাবর (নেত্রকোনা-৪)

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় ২০০৭ সালে গ্রেপ্তার হন। প্রায় ১৮ বছর কারাগারে থাকার পর ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর আইনি প্রক্রিয়ায় তিনি মামলাগুলো থেকে খালাস পান। গত বছরের ১৬ জানুয়ারি কারামুক্ত হয়ে নিজ এলাকা নেত্রকোনায় ফেরেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি নিকটতম প্রার্থীর তুলনায় ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয় পান।

আবদুস সালাম পিন্টু (টাঙ্গাইল-২)

বিএনপির নেতা ও সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছিলেন। প্রায় ১৭ বছর কারাভোগের পর ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর তিনি মুক্তি লাভ করেন।
টাঙ্গাইলের গোপালপুর-ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল-২) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি প্রায় দুই লাখ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে সংসদে প্রত্যাবর্তন করেছেন।

এ টি এম আজহারুল ইসলাম (রংপুর-২)

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলাম ২০১২ সাল থেকে কারাবন্দি ছিলেন। গত বছরের ২৮ মে তিনি মুক্তি পান।
রংপুর-২ (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন তিনি। একসময় যেখানে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের শঙ্কা ছিল, সেখানে জনসমর্থন নিয়ে এখন তিনি আইনসভায় যোগ দিতে যাচ্ছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় এ তিন নেতার বিজয় দেশের রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

ফাঁসির দড়ি থেকে সংসদ ভবন: কারামুক্ত তিন নেতার নির্বাচনী জয়

প্রকাশের সময়ঃ ০৮:০৯:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

একসময় যাদের মাথার ওপর ঝুলছিল ফাঁসির রায়, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বদলে গেছে তাদের ভাগ্যের চিত্র। দীর্ঘ কারাবাস শেষে আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্তি পেয়ে জনগণের ভোটে সরাসরি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিন আলোচিত রাজনৈতিক নেতা—বিএনপির লুৎফুজ্জামান বাবর ও আবদুস সালাম পিন্টু এবং জামায়াতের এ টি এম আজহারুল ইসলাম।

লুৎফুজ্জামান বাবর (নেত্রকোনা-৪)

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় ২০০৭ সালে গ্রেপ্তার হন। প্রায় ১৮ বছর কারাগারে থাকার পর ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর আইনি প্রক্রিয়ায় তিনি মামলাগুলো থেকে খালাস পান। গত বছরের ১৬ জানুয়ারি কারামুক্ত হয়ে নিজ এলাকা নেত্রকোনায় ফেরেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি নিকটতম প্রার্থীর তুলনায় ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয় পান।

আবদুস সালাম পিন্টু (টাঙ্গাইল-২)

বিএনপির নেতা ও সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছিলেন। প্রায় ১৭ বছর কারাভোগের পর ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর তিনি মুক্তি লাভ করেন।
টাঙ্গাইলের গোপালপুর-ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল-২) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি প্রায় দুই লাখ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে সংসদে প্রত্যাবর্তন করেছেন।

এ টি এম আজহারুল ইসলাম (রংপুর-২)

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলাম ২০১২ সাল থেকে কারাবন্দি ছিলেন। গত বছরের ২৮ মে তিনি মুক্তি পান।
রংপুর-২ (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন তিনি। একসময় যেখানে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের শঙ্কা ছিল, সেখানে জনসমর্থন নিয়ে এখন তিনি আইনসভায় যোগ দিতে যাচ্ছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় এ তিন নেতার বিজয় দেশের রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।