ঢাকা ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

ইফতারে খেজুর কেন স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী?

ফাইল ছবি।

রমজান মাসে ইফতারে খেজুর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি খাবার। সূর্যাস্তের সময় বিশ্বের কোটি মুসলমান ইফতারে খেজুর খেয়ে থাকেন। ইসলামী গ্রন্থ এবং কুরআনে খেজুরের উল্লেখ রয়েছে, যা ইফতারের জন্য এর প্রাসঙ্গিকতা প্রকাশ করে।

পুষ্টিগত উপকারিতা:
দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর খেজুর পাকস্থলীর জন্য সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর। যুক্তরাজ্যভিত্তিক পুষ্টিবিদ শাহনাজ বশির জানান, খেজুরে প্রচুর পরিমাণে শর্করা এবং জটিল কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা শরীরকে দ্রুত শক্তি দেয়। এছাড়া এতে ভিটামিন এ, কে, বি৬ এবং আয়রনও রয়েছে।

পানিশূন্যতা প্রতিরোধ:
খেজুর শুকনো ফল হলেও এতে থাকা প্রাকৃতিক পটাশিয়াম শরীরকে হাইড্রেট রাখে। ইফতারের সময় খেজুর খাওয়া এবং পানি পান করার মাধ্যমে শরীরের পানির ভারসাম্য বজায় থাকে।

হজমে সহায়ক:
রমজান মাসে কোষ্ঠকাঠিন্য এবং পেট ফাঁপা সাধারণ সমস্যা। খেজুরে প্রচুর ফাইবার থাকে, যা অন্ত্রের কাজ সহজ করে এবং হজমে সহায়তা করে। যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্য পরিষেবা অনুযায়ী, একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনিক ৩০ গ্রাম ফাইবার গ্রহণ করা উচিত।

অতিরিক্ত খাওয়ার বিষয়ে:
ইফতারের পর খেজুর খাওয়ার মাধ্যমে শরীর বুঝতে পারে যে হজম শুরু হয়েছে, ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার ইচ্ছা কমে। এটি খাবারের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক।

খেজুর পছন্দ না হলে বিকল্প:
যদি কেউ খেজুর পছন্দ না করে, তবে স্মুদি, শরবত বা দুধের সঙ্গে খেজুর মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। সামান্য দই এবং অন্যান্য শুকনো ফল মিশিয়ে খেলে এটি আরও পুষ্টিকর হয়।

উপসংহার:
রমজান মাসে ইফতারে খেজুর খাওয়া শরীরকে দ্রুত শক্তি দেয়, হজমে সাহায্য করে এবং পানিশূন্যতা প্রতিরোধে কার্যকর। এটি স্বাস্থ্যকর ও সহজপাচ্য খাবারের অন্যতম উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

ইফতারে খেজুর কেন স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী?

প্রকাশের সময়ঃ ০৩:৫২:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রমজান মাসে ইফতারে খেজুর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি খাবার। সূর্যাস্তের সময় বিশ্বের কোটি মুসলমান ইফতারে খেজুর খেয়ে থাকেন। ইসলামী গ্রন্থ এবং কুরআনে খেজুরের উল্লেখ রয়েছে, যা ইফতারের জন্য এর প্রাসঙ্গিকতা প্রকাশ করে।

পুষ্টিগত উপকারিতা:
দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর খেজুর পাকস্থলীর জন্য সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর। যুক্তরাজ্যভিত্তিক পুষ্টিবিদ শাহনাজ বশির জানান, খেজুরে প্রচুর পরিমাণে শর্করা এবং জটিল কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা শরীরকে দ্রুত শক্তি দেয়। এছাড়া এতে ভিটামিন এ, কে, বি৬ এবং আয়রনও রয়েছে।

পানিশূন্যতা প্রতিরোধ:
খেজুর শুকনো ফল হলেও এতে থাকা প্রাকৃতিক পটাশিয়াম শরীরকে হাইড্রেট রাখে। ইফতারের সময় খেজুর খাওয়া এবং পানি পান করার মাধ্যমে শরীরের পানির ভারসাম্য বজায় থাকে।

হজমে সহায়ক:
রমজান মাসে কোষ্ঠকাঠিন্য এবং পেট ফাঁপা সাধারণ সমস্যা। খেজুরে প্রচুর ফাইবার থাকে, যা অন্ত্রের কাজ সহজ করে এবং হজমে সহায়তা করে। যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্য পরিষেবা অনুযায়ী, একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনিক ৩০ গ্রাম ফাইবার গ্রহণ করা উচিত।

অতিরিক্ত খাওয়ার বিষয়ে:
ইফতারের পর খেজুর খাওয়ার মাধ্যমে শরীর বুঝতে পারে যে হজম শুরু হয়েছে, ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার ইচ্ছা কমে। এটি খাবারের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক।

খেজুর পছন্দ না হলে বিকল্প:
যদি কেউ খেজুর পছন্দ না করে, তবে স্মুদি, শরবত বা দুধের সঙ্গে খেজুর মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। সামান্য দই এবং অন্যান্য শুকনো ফল মিশিয়ে খেলে এটি আরও পুষ্টিকর হয়।

উপসংহার:
রমজান মাসে ইফতারে খেজুর খাওয়া শরীরকে দ্রুত শক্তি দেয়, হজমে সাহায্য করে এবং পানিশূন্যতা প্রতিরোধে কার্যকর। এটি স্বাস্থ্যকর ও সহজপাচ্য খাবারের অন্যতম উৎকৃষ্ট উদাহরণ।