ঢাকা ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর বিল নিয়ে সমঝোতা ভঙ্গের অভিযোগ বিরোধী দলের

শুক্রবার মাগরিবের নামাজের বিরতির পরে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে এ অভিযোগ করেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর বিল পাসকে কেন্দ্র করে সরকারি দলের বিরুদ্ধে সমঝোতা ভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে বিরোধী দল। এ বিষয়ে বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম দাবি করেছেন, পূর্বনির্ধারিত ঐকমত্য উপেক্ষা করে শেষ মুহূর্তে সংশোধনী এনে বিলটি পাস করা হয়েছে।

শুক্রবার মাগরিবের নামাজের বিরতির পর সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এ অভিযোগ উত্থাপন করেন। এর আগে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।

নাহিদ ইসলাম বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা বিভিন্ন অধ্যাদেশ পর্যালোচনার জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছিল, যেখানে মোট ৯৮টি বিল নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে ঐকমত্য তৈরি হয়। ওই তালিকায় জুলাই স্মৃতি জাদুঘর বিলও ছিল এবং এটি মূল অধ্যাদেশের ভাষ্য অনুযায়ীই পাস হওয়ার কথা ছিল।

তার অভিযোগ, বিলটি সংসদে তোলার মাত্র আধাঘণ্টা আগে একটি সংশোধনী আনা হয়, যা পূর্ব সমঝোতার পরিপন্থী। “যে বিলগুলোতে আমরা সম্মত ছিলাম, সেগুলোতে সংশোধনী না আনার একটি রাজনৈতিক বোঝাপড়া ছিল। কিন্তু সরকার সেই সমঝোতা রক্ষা করেনি,” বলেন তিনি।

বিরোধী দলের এই নেতা আরও বলেন, সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা ও মতামত দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করার জন্যই এই ধরনের সমঝোতা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু সেই সুযোগ ক্ষুণ্ন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রস্তাবিত জাদুঘরটি একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান, যেখানে দীর্ঘ সময়ের রাজনৈতিক আন্দোলন ও সংগ্রামের স্মৃতি সংরক্ষণের কথা রয়েছে। তবে এর পরিচালনায় রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, জাদুঘরটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অধীনেই পরিচালিত হওয়ার কথা, তাই এর নেতৃত্বে মন্ত্রীকে বসানোর প্রস্তাবকে তিনি অপ্রয়োজনীয় মনে করেন। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধির যে প্রবণতার অভিযোগ রয়েছে, সেটির প্রতিফলন এখানেও দেখা যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর বিল নিয়ে সমঝোতা ভঙ্গের অভিযোগ বিরোধী দলের

প্রকাশের সময়ঃ ০৯:২৯:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর বিল পাসকে কেন্দ্র করে সরকারি দলের বিরুদ্ধে সমঝোতা ভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে বিরোধী দল। এ বিষয়ে বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম দাবি করেছেন, পূর্বনির্ধারিত ঐকমত্য উপেক্ষা করে শেষ মুহূর্তে সংশোধনী এনে বিলটি পাস করা হয়েছে।

শুক্রবার মাগরিবের নামাজের বিরতির পর সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এ অভিযোগ উত্থাপন করেন। এর আগে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।

নাহিদ ইসলাম বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা বিভিন্ন অধ্যাদেশ পর্যালোচনার জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছিল, যেখানে মোট ৯৮টি বিল নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে ঐকমত্য তৈরি হয়। ওই তালিকায় জুলাই স্মৃতি জাদুঘর বিলও ছিল এবং এটি মূল অধ্যাদেশের ভাষ্য অনুযায়ীই পাস হওয়ার কথা ছিল।

তার অভিযোগ, বিলটি সংসদে তোলার মাত্র আধাঘণ্টা আগে একটি সংশোধনী আনা হয়, যা পূর্ব সমঝোতার পরিপন্থী। “যে বিলগুলোতে আমরা সম্মত ছিলাম, সেগুলোতে সংশোধনী না আনার একটি রাজনৈতিক বোঝাপড়া ছিল। কিন্তু সরকার সেই সমঝোতা রক্ষা করেনি,” বলেন তিনি।

বিরোধী দলের এই নেতা আরও বলেন, সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা ও মতামত দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করার জন্যই এই ধরনের সমঝোতা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু সেই সুযোগ ক্ষুণ্ন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রস্তাবিত জাদুঘরটি একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান, যেখানে দীর্ঘ সময়ের রাজনৈতিক আন্দোলন ও সংগ্রামের স্মৃতি সংরক্ষণের কথা রয়েছে। তবে এর পরিচালনায় রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, জাদুঘরটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অধীনেই পরিচালিত হওয়ার কথা, তাই এর নেতৃত্বে মন্ত্রীকে বসানোর প্রস্তাবকে তিনি অপ্রয়োজনীয় মনে করেন। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধির যে প্রবণতার অভিযোগ রয়েছে, সেটির প্রতিফলন এখানেও দেখা যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।