ঢাকা ০৯:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন জাইমা রহমান

আজ (বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ পদক তুলে দেন তিনি।

রাজধানীতে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার–২০২৬ প্রদান করা হয়েছে। এ বছর মরণোত্তর সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তাঁর পক্ষে পদক গ্রহণ করেন তাঁর নাতনি জাইমা রহমান

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার তুলে দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান তারেক রহমান। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই পদক প্রদান করা হয়।

সরকারি সূত্রে জানা যায়, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, নারী শিক্ষা এবং দেশগঠনে সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ খালেদা জিয়াকে এ বছর মরণোত্তরভাবে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

এ বছর মোট ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার–২০২৬ প্রদান করা হয়েছে। গত ৫ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য-মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর),বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক জহুরুল করিম

,সাহিত্যে আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর),সংস্কৃতিতে হানিফ সংকেত,সংগীতে বশীর আহমেদ (মরণোত্তর),ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান (লিনু),সমাজসেবায় জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর),জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর),পরিবেশ সংরক্ষণে মুকিত মজুমদার। এছাড়াও গবেষণা, প্রশিক্ষণ, সমাজসেবা ও শিক্ষা খাতে আরও বেশ কয়েকজনকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠান পর্যায়েও গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ (মুক্তিযুদ্ধ), ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (চিকিৎসা), পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পল্লী উন্নয়ন),এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল (সমাজসেবা),গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র (স্বাস্থ্য ও সমাজসেবা)।

স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা, যা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য প্রতি বছর প্রদান করা হয়। এবারের আয়োজনে দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান, সমাজসেবা ও রাষ্ট্রগঠনে অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্মানিত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিশিষ্ট নাগরিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন জাইমা রহমান

প্রকাশের সময়ঃ ০৬:২৮:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীতে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার–২০২৬ প্রদান করা হয়েছে। এ বছর মরণোত্তর সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তাঁর পক্ষে পদক গ্রহণ করেন তাঁর নাতনি জাইমা রহমান

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার তুলে দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান তারেক রহমান। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই পদক প্রদান করা হয়।

সরকারি সূত্রে জানা যায়, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, নারী শিক্ষা এবং দেশগঠনে সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ খালেদা জিয়াকে এ বছর মরণোত্তরভাবে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

এ বছর মোট ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার–২০২৬ প্রদান করা হয়েছে। গত ৫ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য-মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর),বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক জহুরুল করিম

,সাহিত্যে আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর),সংস্কৃতিতে হানিফ সংকেত,সংগীতে বশীর আহমেদ (মরণোত্তর),ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান (লিনু),সমাজসেবায় জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর),জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর),পরিবেশ সংরক্ষণে মুকিত মজুমদার। এছাড়াও গবেষণা, প্রশিক্ষণ, সমাজসেবা ও শিক্ষা খাতে আরও বেশ কয়েকজনকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠান পর্যায়েও গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ (মুক্তিযুদ্ধ), ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (চিকিৎসা), পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পল্লী উন্নয়ন),এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল (সমাজসেবা),গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র (স্বাস্থ্য ও সমাজসেবা)।

স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা, যা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য প্রতি বছর প্রদান করা হয়। এবারের আয়োজনে দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান, সমাজসেবা ও রাষ্ট্রগঠনে অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্মানিত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিশিষ্ট নাগরিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।