ঢাকা ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক

বাগাতিপাড়ায় মাদক ব্যবসায়ী আটক-ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড

গতকাল দুপুরে উপজেলার দয়ারাপুর ইউনিয়নের কলাবড়িয়া (সোনাপুর) গ্রামে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে আটক করে তাৎক্ষণিক ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দয়ারাপুর ইউনিয়নের কলাবড়িয়া (সোনাপুর) গ্রামে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, নাটোর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিদর্শক মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল ওই এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় খোরশেদ আলমের ছেলে একাববর (৫৩)কে গাঁজাসহ আটক করা হয়।

অভিযান-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি মাদক সেবন ও সংরক্ষণের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

আটকের পর ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আলাউদ্দিন। তিনি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাববরকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা জরিমানা করেন।

এ সময় জব্দ করা গাঁজা তাৎক্ষণিকভাবে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়, যাতে তা পুনরায় কোনোভাবে বাজারে ফিরে যেতে না পারে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মাহবুবুর রহমান বলেন, “মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে আমাদের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

অন্যদিকে ইউএনও মোহাম্মদ আলাউদ্দিন জানান, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করছে। তিনি সাধারণ মানুষকে মাদক সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য প্রশাসনকে জানাতে আহ্বান জানান।


মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে—কোনো ছাড় নেই। নিয়মিত অভিযান ও তাৎক্ষণিক শাস্তির মাধ্যমে মাদক কারবারীদের দমনে আরও জোরালো ভূমিকা রাখবে প্রশাসন-এমনটাই প্রত্যাশা সচেতন মহলের।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

বাগাতিপাড়ায় মাদক ব্যবসায়ী আটক-ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড

প্রকাশের সময়ঃ ০২:২৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে আটক করে তাৎক্ষণিক ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দয়ারাপুর ইউনিয়নের কলাবড়িয়া (সোনাপুর) গ্রামে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, নাটোর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিদর্শক মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল ওই এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় খোরশেদ আলমের ছেলে একাববর (৫৩)কে গাঁজাসহ আটক করা হয়।

অভিযান-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি মাদক সেবন ও সংরক্ষণের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

আটকের পর ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আলাউদ্দিন। তিনি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাববরকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা জরিমানা করেন।

এ সময় জব্দ করা গাঁজা তাৎক্ষণিকভাবে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়, যাতে তা পুনরায় কোনোভাবে বাজারে ফিরে যেতে না পারে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মাহবুবুর রহমান বলেন, “মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে আমাদের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

অন্যদিকে ইউএনও মোহাম্মদ আলাউদ্দিন জানান, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করছে। তিনি সাধারণ মানুষকে মাদক সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য প্রশাসনকে জানাতে আহ্বান জানান।


মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে—কোনো ছাড় নেই। নিয়মিত অভিযান ও তাৎক্ষণিক শাস্তির মাধ্যমে মাদক কারবারীদের দমনে আরও জোরালো ভূমিকা রাখবে প্রশাসন-এমনটাই প্রত্যাশা সচেতন মহলের।