ঢাকা ১০:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
সাংবাদিক হেনস্তা: প্রশ্ন করাই কি অপরাধ? জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াডের দিনাজপুর অঞ্চলে সেরা ১০-এ বেরোবির ৫ শিক্ষার্থী শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মহিলাদলের সভা আয়োজন, বাগাতিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির দুঃখ প্রকাশ ব্রহ্মপুত্র খননে ধীরগতি, বালু উত্তোলন ও দখল বন্ধের দাবিতে ময়মনসিংহে বিক্ষোভ সমাবেশ বাগাতিপাড়ায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে মহিলাদলের মতবিনিময় সভা পাইকারি বাজারে আবারও বাড়ল চালের দাম, ৫০ কেজির বস্তায় বৃদ্ধি ২৫–৪০ টাকা ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল: প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে সিলেটের হাসপাতালে ভর্তি প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী রাজশাহী মহানগর জামায়াতের নতুন আমির ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের শপথ গ্রহণ রাজধানীতে চলন্ত বাসে আগুন, খিলগাঁওয়ে ককটেল বিস্ফোরণ

পাইকারি বাজারে আবারও বাড়ল চালের দাম, ৫০ কেজির বস্তায় বৃদ্ধি ২৫–৪০ টাকা

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৮:২৮:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • ১২৪৮ Time View

রাজধানীর বাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারি পর্যায়ে ৫০ কেজির বস্তায় ২৫ থেকে ৪০ টাকা বেড়েছে চালের দাম।

রাজধানীর পাইকারি বাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও বেড়েছে চালের দাম। চালের ধরন ও মানভেদে ৫০ কেজির প্রতি বস্তায় দাম বেড়েছে ২৫ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত। তবে এখনো খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েনি। আগের দামেই চাল বিক্রি করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, পাইকারি বাজারে দাম বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকলে শিগগিরই খুচরা বাজারেও চালের দাম বাড়তে পারে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর মিরপুর-৬, মিরপুর-১১ ও কারওয়ান বাজারের চালের আড়ত এবং খুচরা দোকান ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

খুচরা বাজারে চালের বর্তমান দাম

রাজধানীর খুচরা বাজারে বর্তমানে তুলনামূলক মোটা গুটিস্বর্ণা চাল প্রতি কেজি ৪৭ থেকে ৪৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি মানের বিআর-২৮ চালের দাম কেজিপ্রতি ৫৫ থেকে ৫৬ টাকা। চিকন মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা এবং ভালো মানের নাজিরশাইল চাল প্রতি কেজি ৮০ টাকায়।

পাইকারি বাজারে দাম বৃদ্ধির চিত্র

মিরপুর-১১ নম্বর কাঁচাবাজারের চাল বিক্রেতা আমির হোসেন জানান, এক সপ্তাহ আগে মানভেদে ৫০ কেজির এক বস্তা বিআর-২৮ চালের পাইকারি দাম ছিল ২ হাজার ৪০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা। বর্তমানে একই বস্তা কিনতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশি খরচ হচ্ছে। তাঁর মতে, বস্তাপ্রতি দাম অন্তত ৫০ টাকা বাড়লে সাধারণত খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়ে।

অন্যদিকে, কারওয়ান বাজারের কিচেন মার্কেটের চাল বিক্রেতা সোলায়মান মিয়া জানান, গত সপ্তাহে ৫০ কেজির এক বস্তা মিনিকেট চালের দাম ছিল ৩ হাজার ৫৫০ টাকা। গত বুধবার তাঁকে একই চাল কিনতে হয়েছে ৩ হাজার ৫৯০ টাকায়। তবে নাজিরশাইল চালের দাম এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিকে দায়ী করছেন ব্যবসায়ীরা

চালের দাম বাড়ার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কথা উল্লেখ করেছেন। তাঁদের দাবি, জ্বালানির দাম বাড়ায় পরিবহন ব্যয়সহ চাল সরবরাহের সামগ্রিক খরচ বেড়েছে। এর প্রভাব পড়ছে পাইকারি বাজারে।

পাইকারি বাজারে এই মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে খুচরা পর্যায়েও চালের দাম বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক হেনস্তা: প্রশ্ন করাই কি অপরাধ?

পাইকারি বাজারে আবারও বাড়ল চালের দাম, ৫০ কেজির বস্তায় বৃদ্ধি ২৫–৪০ টাকা

প্রকাশের সময়ঃ ০৮:২৮:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

রাজধানীর পাইকারি বাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও বেড়েছে চালের দাম। চালের ধরন ও মানভেদে ৫০ কেজির প্রতি বস্তায় দাম বেড়েছে ২৫ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত। তবে এখনো খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েনি। আগের দামেই চাল বিক্রি করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, পাইকারি বাজারে দাম বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকলে শিগগিরই খুচরা বাজারেও চালের দাম বাড়তে পারে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর মিরপুর-৬, মিরপুর-১১ ও কারওয়ান বাজারের চালের আড়ত এবং খুচরা দোকান ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

খুচরা বাজারে চালের বর্তমান দাম

রাজধানীর খুচরা বাজারে বর্তমানে তুলনামূলক মোটা গুটিস্বর্ণা চাল প্রতি কেজি ৪৭ থেকে ৪৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি মানের বিআর-২৮ চালের দাম কেজিপ্রতি ৫৫ থেকে ৫৬ টাকা। চিকন মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা এবং ভালো মানের নাজিরশাইল চাল প্রতি কেজি ৮০ টাকায়।

পাইকারি বাজারে দাম বৃদ্ধির চিত্র

মিরপুর-১১ নম্বর কাঁচাবাজারের চাল বিক্রেতা আমির হোসেন জানান, এক সপ্তাহ আগে মানভেদে ৫০ কেজির এক বস্তা বিআর-২৮ চালের পাইকারি দাম ছিল ২ হাজার ৪০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা। বর্তমানে একই বস্তা কিনতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশি খরচ হচ্ছে। তাঁর মতে, বস্তাপ্রতি দাম অন্তত ৫০ টাকা বাড়লে সাধারণত খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়ে।

অন্যদিকে, কারওয়ান বাজারের কিচেন মার্কেটের চাল বিক্রেতা সোলায়মান মিয়া জানান, গত সপ্তাহে ৫০ কেজির এক বস্তা মিনিকেট চালের দাম ছিল ৩ হাজার ৫৫০ টাকা। গত বুধবার তাঁকে একই চাল কিনতে হয়েছে ৩ হাজার ৫৯০ টাকায়। তবে নাজিরশাইল চালের দাম এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিকে দায়ী করছেন ব্যবসায়ীরা

চালের দাম বাড়ার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কথা উল্লেখ করেছেন। তাঁদের দাবি, জ্বালানির দাম বাড়ায় পরিবহন ব্যয়সহ চাল সরবরাহের সামগ্রিক খরচ বেড়েছে। এর প্রভাব পড়ছে পাইকারি বাজারে।

পাইকারি বাজারে এই মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে খুচরা পর্যায়েও চালের দাম বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।