ঢাকা ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে ২ কোটি মানুষের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করবে রূপপুর

সংগৃহীত ছবি।

দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জ্বালানি খাতে নতুন এক মাইলফলকে পৌঁছাতে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, কেন্দ্রটির দুই ইউনিট পূর্ণমাত্রায় চালু হলে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে, যার মধ্যে প্রায় ২ হাজার ২০০ মেগাওয়াট জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়ে প্রায় ২ কোটি মানুষের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখবে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী আগস্টের মাঝামাঝি থেকে শেষ সপ্তাহের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পরবর্তী দুই মাসে তা ৫০০ মেগাওয়াটে উন্নীত হতে পারে।

কর্তৃপক্ষের আশা, চলতি বছরের শেষ দিকে বা ২০২৭ সালের শুরুতে প্রথম ইউনিট থেকে ১ হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ সম্ভব হবে। একই সঙ্গে দ্বিতীয় ইউনিটও উৎপাদন পর্যায়ে নেওয়ার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ২০২৭ সালের মধ্যে কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করতে পারবে।

নীতিনির্ধারকরা বলছেন, রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন নয়, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, শিল্পায়ন ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতায়ও নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। পারমাণবিক শক্তির ব্যবহারকারী দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তিও এ প্রকল্পের অন্যতম বড় অর্জন।রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় একক উন্নয়ন প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত। প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন এই প্রকল্পে আর্থিক, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া।

প্রকল্প ব্যয়ের প্রায় ৯০ শতাংশ ঋণ সহায়তা হিসেবে দিচ্ছে দেশটি, যা দীর্ঘমেয়াদে পরিশোধযোগ্য। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রোসাটমের তত্ত্বাবধানে প্রকল্পের নির্মাণকাজ পরিচালিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রূপপুর চালু হলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি খাতে নির্ভরতার নতুন ভিত্তি তৈরি হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে ২ কোটি মানুষের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করবে রূপপুর

প্রকাশের সময়ঃ ০২:৩৮:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জ্বালানি খাতে নতুন এক মাইলফলকে পৌঁছাতে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, কেন্দ্রটির দুই ইউনিট পূর্ণমাত্রায় চালু হলে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে, যার মধ্যে প্রায় ২ হাজার ২০০ মেগাওয়াট জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়ে প্রায় ২ কোটি মানুষের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখবে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী আগস্টের মাঝামাঝি থেকে শেষ সপ্তাহের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পরবর্তী দুই মাসে তা ৫০০ মেগাওয়াটে উন্নীত হতে পারে।

কর্তৃপক্ষের আশা, চলতি বছরের শেষ দিকে বা ২০২৭ সালের শুরুতে প্রথম ইউনিট থেকে ১ হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ সম্ভব হবে। একই সঙ্গে দ্বিতীয় ইউনিটও উৎপাদন পর্যায়ে নেওয়ার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ২০২৭ সালের মধ্যে কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করতে পারবে।

নীতিনির্ধারকরা বলছেন, রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন নয়, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, শিল্পায়ন ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতায়ও নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। পারমাণবিক শক্তির ব্যবহারকারী দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তিও এ প্রকল্পের অন্যতম বড় অর্জন।রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় একক উন্নয়ন প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত। প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন এই প্রকল্পে আর্থিক, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া।

প্রকল্প ব্যয়ের প্রায় ৯০ শতাংশ ঋণ সহায়তা হিসেবে দিচ্ছে দেশটি, যা দীর্ঘমেয়াদে পরিশোধযোগ্য। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রোসাটমের তত্ত্বাবধানে প্রকল্পের নির্মাণকাজ পরিচালিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রূপপুর চালু হলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি খাতে নির্ভরতার নতুন ভিত্তি তৈরি হবে।