ঢাকা ০৯:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক

ফয়সালকে আত্মগোপনে সহায়তাকারী রাজু পাঁচ দিনের রিমান্ডে

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদকে সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপনে সহায়তার অভিযোগে গ্রেপ্তার আমিনুল ইসলাম রাজুর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জুনাইদের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এদিন আমিনুল ইসলাম রাজুকে আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ তার বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজু তার এক নিকটাত্মীয়ের মাধ্যমে ফিলিপ নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং প্রধান আসামি ফয়সালকে সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপনে সহায়তা করেন।

এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামিদের এবং তাদের আত্মগোপনে সহায়তাকারীদের অর্থ প্রদানের সঙ্গে রাজুর সরাসরি সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী কাইয়ুম হোসেন নয়ন। শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ সময় আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।

এর আগে বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকা থেকে আমিনুল ইসলাম রাজুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে প্রথমে একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে মামলায় ৩০২ ধারায় হত্যা অভিযোগ যুক্ত করা হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন— ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা মো. হুমায়ুন কবির ও মা মোসা. হাসি বেগম, স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু, রেন্টকার ব্যবসায়ী মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, সহযোগী মো. কবির, ভারতে পালাতে সহায়তাকারী সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম এবং আত্মগোপনে সহায়তাকারী আমিনুল ইসলাম রাজু।

এদের মধ্যে হুমায়ুন কবির ও হাসি বেগম দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। রিমান্ড শেষে নুরুজ্জামান নোমানীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যান্য আসামিরা বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছেন। এদিকে প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের দেশত্যাগে আদালত নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

ফয়সালকে আত্মগোপনে সহায়তাকারী রাজু পাঁচ দিনের রিমান্ডে

প্রকাশের সময়ঃ ০১:০৩:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদকে সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপনে সহায়তার অভিযোগে গ্রেপ্তার আমিনুল ইসলাম রাজুর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জুনাইদের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এদিন আমিনুল ইসলাম রাজুকে আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ তার বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজু তার এক নিকটাত্মীয়ের মাধ্যমে ফিলিপ নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং প্রধান আসামি ফয়সালকে সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপনে সহায়তা করেন।

এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামিদের এবং তাদের আত্মগোপনে সহায়তাকারীদের অর্থ প্রদানের সঙ্গে রাজুর সরাসরি সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী কাইয়ুম হোসেন নয়ন। শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ সময় আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।

এর আগে বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকা থেকে আমিনুল ইসলাম রাজুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে প্রথমে একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে মামলায় ৩০২ ধারায় হত্যা অভিযোগ যুক্ত করা হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন— ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা মো. হুমায়ুন কবির ও মা মোসা. হাসি বেগম, স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু, রেন্টকার ব্যবসায়ী মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, সহযোগী মো. কবির, ভারতে পালাতে সহায়তাকারী সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম এবং আত্মগোপনে সহায়তাকারী আমিনুল ইসলাম রাজু।

এদের মধ্যে হুমায়ুন কবির ও হাসি বেগম দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। রিমান্ড শেষে নুরুজ্জামান নোমানীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যান্য আসামিরা বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছেন। এদিকে প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের দেশত্যাগে আদালত নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন।