ঢাকা ০৪:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
আরেকটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে চেয়েছিলেন ম্যাক্সওয়েল প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন চীনা নেতা লিউ হাইশিং গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, যান চলাচল বন্ধ সাফে বাংলাদেশের শক্তি স্বীকার করলেন ভারত কোচ নওশাদ ৭ নভেম্বর উপলক্ষে ১০ টাকার স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন তারেক রহমানের গুলের-চুয়েমেনিকে বিশ্রাম, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফিরছেন ভিনিসিয়ুস মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে তৃতীয় দিনের আন্দোলন, কাঠেরপুলে শ্রমিকদের বাধা পুলিশের রিপাবলিকানদের নির্বাচনী হার, ফক্স নিউজ ও গ্রেগ অ্যাবটকে দায়ী করলেন ট্রাম্প উপস্থাপনাই আমার পরিচয়, অভিনয় প্যাশনের জায়গা: মৌসুমী মৌ প্রথমবার জুটি হয়ে পর্দায় খায়রুল বাসার ও নাজনীন নীহা

ফয়সালকে আত্মগোপনে সহায়তাকারী রাজু পাঁচ দিনের রিমান্ডে

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদকে সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপনে সহায়তার অভিযোগে গ্রেপ্তার আমিনুল ইসলাম রাজুর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জুনাইদের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এদিন আমিনুল ইসলাম রাজুকে আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ তার বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজু তার এক নিকটাত্মীয়ের মাধ্যমে ফিলিপ নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং প্রধান আসামি ফয়সালকে সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপনে সহায়তা করেন।

এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামিদের এবং তাদের আত্মগোপনে সহায়তাকারীদের অর্থ প্রদানের সঙ্গে রাজুর সরাসরি সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী কাইয়ুম হোসেন নয়ন। শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ সময় আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।

এর আগে বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকা থেকে আমিনুল ইসলাম রাজুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে প্রথমে একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে মামলায় ৩০২ ধারায় হত্যা অভিযোগ যুক্ত করা হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন— ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা মো. হুমায়ুন কবির ও মা মোসা. হাসি বেগম, স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু, রেন্টকার ব্যবসায়ী মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, সহযোগী মো. কবির, ভারতে পালাতে সহায়তাকারী সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম এবং আত্মগোপনে সহায়তাকারী আমিনুল ইসলাম রাজু।

এদের মধ্যে হুমায়ুন কবির ও হাসি বেগম দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। রিমান্ড শেষে নুরুজ্জামান নোমানীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যান্য আসামিরা বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছেন। এদিকে প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের দেশত্যাগে আদালত নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

আরেকটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে চেয়েছিলেন ম্যাক্সওয়েল

ফয়সালকে আত্মগোপনে সহায়তাকারী রাজু পাঁচ দিনের রিমান্ডে

প্রকাশের সময়ঃ ০১:০৩:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদকে সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপনে সহায়তার অভিযোগে গ্রেপ্তার আমিনুল ইসলাম রাজুর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জুনাইদের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এদিন আমিনুল ইসলাম রাজুকে আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ তার বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজু তার এক নিকটাত্মীয়ের মাধ্যমে ফিলিপ নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং প্রধান আসামি ফয়সালকে সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপনে সহায়তা করেন।

এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামিদের এবং তাদের আত্মগোপনে সহায়তাকারীদের অর্থ প্রদানের সঙ্গে রাজুর সরাসরি সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী কাইয়ুম হোসেন নয়ন। শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ সময় আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।

এর আগে বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকা থেকে আমিনুল ইসলাম রাজুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে প্রথমে একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে মামলায় ৩০২ ধারায় হত্যা অভিযোগ যুক্ত করা হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন— ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা মো. হুমায়ুন কবির ও মা মোসা. হাসি বেগম, স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু, রেন্টকার ব্যবসায়ী মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, সহযোগী মো. কবির, ভারতে পালাতে সহায়তাকারী সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম এবং আত্মগোপনে সহায়তাকারী আমিনুল ইসলাম রাজু।

এদের মধ্যে হুমায়ুন কবির ও হাসি বেগম দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। রিমান্ড শেষে নুরুজ্জামান নোমানীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যান্য আসামিরা বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছেন। এদিকে প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের দেশত্যাগে আদালত নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন।