ঢাকা ০৭:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি সাইনবোর্ডে ‘ডাক্তার’, আসলে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট! চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে ‘অবরুদ্ধ করে’ পিটুনি, আহত ৭; সাংবাদিক-পুলিশও লাঞ্ছিত “মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে আর রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপন নয়”- তথ্যমন্ত্রী শিবগঞ্জে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আগুনের খেলায় মেতে উঠল শিশুরা মাগুরায় শুরু দুই দিনব্যাপী “হাজরাপুরী লিচু মেলা-২০২৬” দেবিদ্বারে ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু পাটগ্রাম সীমান্তে সাবেক কূটনীতিক আটক, জব্দ ৭ পাসপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধনে গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু পারিবারিক কলহের জেরে নাটোরে বৃদ্ধ স্বামী খুন, স্ত্রী আটক

আবারও পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন

আগামী ১৮ জুন প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন আদালত। সংগৃহীত ছবি।

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে মোট ১২৬ বার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় বাড়ানো হলো। আদালত আগামী ১৮ জুন নতুন দিন ধার্য করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৮ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালতে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারিত ছিল। তবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় আদালত নতুন এ তারিখ দেন।

মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাসার দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের পরিচিত তানভীর রহমান খান। বর্তমানে তানভীর রহমান খান ও পলাশ জামিনে থাকলেও অন্য আসামিরা কারাগারে রয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। ঘটনার পর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

প্রথমে মামলাটির তদন্ত করে স্থানীয় থানা পুলিশ। পরে আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং পরবর্তীতে র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়। দীর্ঘ সময় তদন্ত চললেও হত্যার রহস্য উদঘাটন ও চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল সম্ভব হয়নি।

পরবর্তীতে হাইকোর্ট মামলাটির তদন্তে অগ্রগতি না হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর আদালত বিভিন্ন সংস্থার অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন এবং র‌্যাবকে তদন্ত কার্যক্রম থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশও দেওয়া হয়।

হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়।

দীর্ঘ ১৩ বছরেও বহুল আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন না হওয়ায় সাংবাদিক সমাজসহ বিভিন্ন মহলে হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের থাবায় নিঃস্ব পরিবার: সন্তানের চিকিৎসায় বিক্রি হচ্ছে গরু, হারাচ্ছে চাকরি

আবারও পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন

প্রকাশের সময়ঃ ০৬:০৩:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে মোট ১২৬ বার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় বাড়ানো হলো। আদালত আগামী ১৮ জুন নতুন দিন ধার্য করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৮ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালতে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারিত ছিল। তবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় আদালত নতুন এ তারিখ দেন।

মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাসার দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের পরিচিত তানভীর রহমান খান। বর্তমানে তানভীর রহমান খান ও পলাশ জামিনে থাকলেও অন্য আসামিরা কারাগারে রয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। ঘটনার পর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

প্রথমে মামলাটির তদন্ত করে স্থানীয় থানা পুলিশ। পরে আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং পরবর্তীতে র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়। দীর্ঘ সময় তদন্ত চললেও হত্যার রহস্য উদঘাটন ও চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল সম্ভব হয়নি।

পরবর্তীতে হাইকোর্ট মামলাটির তদন্তে অগ্রগতি না হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর আদালত বিভিন্ন সংস্থার অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন এবং র‌্যাবকে তদন্ত কার্যক্রম থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশও দেওয়া হয়।

হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়।

দীর্ঘ ১৩ বছরেও বহুল আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন না হওয়ায় সাংবাদিক সমাজসহ বিভিন্ন মহলে হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।