ঢাকা ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

আবারও পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন

আগামী ১৮ জুন প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন আদালত। সংগৃহীত ছবি।

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে মোট ১২৬ বার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় বাড়ানো হলো। আদালত আগামী ১৮ জুন নতুন দিন ধার্য করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৮ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালতে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারিত ছিল। তবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় আদালত নতুন এ তারিখ দেন।

মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাসার দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের পরিচিত তানভীর রহমান খান। বর্তমানে তানভীর রহমান খান ও পলাশ জামিনে থাকলেও অন্য আসামিরা কারাগারে রয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। ঘটনার পর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

প্রথমে মামলাটির তদন্ত করে স্থানীয় থানা পুলিশ। পরে আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং পরবর্তীতে র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়। দীর্ঘ সময় তদন্ত চললেও হত্যার রহস্য উদঘাটন ও চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল সম্ভব হয়নি।

পরবর্তীতে হাইকোর্ট মামলাটির তদন্তে অগ্রগতি না হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর আদালত বিভিন্ন সংস্থার অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন এবং র‌্যাবকে তদন্ত কার্যক্রম থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশও দেওয়া হয়।

হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়।

দীর্ঘ ১৩ বছরেও বহুল আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন না হওয়ায় সাংবাদিক সমাজসহ বিভিন্ন মহলে হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

আবারও পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন

প্রকাশের সময়ঃ ০৬:০৩:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে মোট ১২৬ বার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় বাড়ানো হলো। আদালত আগামী ১৮ জুন নতুন দিন ধার্য করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৮ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালতে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারিত ছিল। তবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় আদালত নতুন এ তারিখ দেন।

মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাসার দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের পরিচিত তানভীর রহমান খান। বর্তমানে তানভীর রহমান খান ও পলাশ জামিনে থাকলেও অন্য আসামিরা কারাগারে রয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। ঘটনার পর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

প্রথমে মামলাটির তদন্ত করে স্থানীয় থানা পুলিশ। পরে আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং পরবর্তীতে র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়। দীর্ঘ সময় তদন্ত চললেও হত্যার রহস্য উদঘাটন ও চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল সম্ভব হয়নি।

পরবর্তীতে হাইকোর্ট মামলাটির তদন্তে অগ্রগতি না হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর আদালত বিভিন্ন সংস্থার অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন এবং র‌্যাবকে তদন্ত কার্যক্রম থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশও দেওয়া হয়।

হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়।

দীর্ঘ ১৩ বছরেও বহুল আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন না হওয়ায় সাংবাদিক সমাজসহ বিভিন্ন মহলে হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।